রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিনেট গত প্রায় এক দশক ধরে অকার্যকর। বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশে বছরে অন্তত একবার সিনেট অধিবেশন আয়োজন বাধ্যতামূলক হলেও ২০১৬ সালের পর আর কোনো অধিবেশন হয়নি। এতে বাজেট অনুমোদন, নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং প্রশাসনিক জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৭৩ সালের অধ্যাদেশ অনুযায়ী, উপাচার্য বছরে অন্তত একবার সিনেট সভা আহ্বান করবেন। কিন্তু সর্বশেষ ২২তম সিনেট অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৬ সালের ১৯ মে। এর আগে ২০০১ সালের পর টানা ১৪ বছর সিনেট অচল ছিল। ২০১৫ সালে একবার অধিবেশন আয়োজনের পর আবারও কার্যক্রম থেমে যায়।
অধ্যাদেশ অনুযায়ী, ১০৫ সদস্যের এই ফোরাম উপাচার্য নির্বাচন, বাজেট অনুমোদন, আইন সংশোধন এবং নতুন বিভাগ বা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তবে দীর্ঘদিন সিনেট অকার্যকর থাকায় এসব সিদ্ধান্ত কতটা অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছভাবে নেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।
জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম বলেন, "সিনেটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হয়। বিকল্প ব্যবস্থায় কিছু কাজ হলেও সেটি পূর্ণাঙ্গ সমাধান নয়।
সিনেটের ছাত্র প্রতিনিধি ফাহিম রেজা অভিযোগ করেন, বারবার দাবি জানানো হলেও প্রশাসন শুধু আশ্বাস দিয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোস্তফা কামাল আকন্দের মতে, সিনেট কার্যকর করতে কোনো আইনি জটিলতা নেই; প্রশাসনের সদিচ্ছা থাকলেই এটি সম্ভব।
রাকসুর সাধারণ সম্পাদক ও সিনেট সদস্য সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, নিবন্ধিত গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচন সম্পন্ন করলেই সিনেট পুনর্গঠনের পথ খুলবে। এ উদ্যোগ নেওয়ার দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের।
এ বিষয়ে বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর সিনেট কার্যকর করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি চলছে।
তবে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব দাবি করেন, তাঁর প্রশাসন মাত্র দেড় বছর দায়িত্বে ছিল। দীর্ঘদিনের অচলাবস্থার দায় শুধু তাঁদের ওপর চাপানো ঠিক নয়।
দীর্ঘদিন সিনেট অকার্যকর থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামের কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, সুশাসন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে দ্রুত সিনেট পুনর্গঠন এবং নিয়মিত অধিবেশন আয়োজনের বিকল্প নেই।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৭৩ সালের অধ্যাদেশ অনুযায়ী, উপাচার্য বছরে অন্তত একবার সিনেট সভা আহ্বান করবেন। কিন্তু সর্বশেষ ২২তম সিনেট অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৬ সালের ১৯ মে। এর আগে ২০০১ সালের পর টানা ১৪ বছর সিনেট অচল ছিল। ২০১৫ সালে একবার অধিবেশন আয়োজনের পর আবারও কার্যক্রম থেমে যায়।
অধ্যাদেশ অনুযায়ী, ১০৫ সদস্যের এই ফোরাম উপাচার্য নির্বাচন, বাজেট অনুমোদন, আইন সংশোধন এবং নতুন বিভাগ বা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তবে দীর্ঘদিন সিনেট অকার্যকর থাকায় এসব সিদ্ধান্ত কতটা অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছভাবে নেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।
জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম বলেন, "সিনেটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হয়। বিকল্প ব্যবস্থায় কিছু কাজ হলেও সেটি পূর্ণাঙ্গ সমাধান নয়।
সিনেটের ছাত্র প্রতিনিধি ফাহিম রেজা অভিযোগ করেন, বারবার দাবি জানানো হলেও প্রশাসন শুধু আশ্বাস দিয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোস্তফা কামাল আকন্দের মতে, সিনেট কার্যকর করতে কোনো আইনি জটিলতা নেই; প্রশাসনের সদিচ্ছা থাকলেই এটি সম্ভব।
রাকসুর সাধারণ সম্পাদক ও সিনেট সদস্য সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, নিবন্ধিত গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচন সম্পন্ন করলেই সিনেট পুনর্গঠনের পথ খুলবে। এ উদ্যোগ নেওয়ার দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের।
এ বিষয়ে বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর সিনেট কার্যকর করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি চলছে।
তবে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব দাবি করেন, তাঁর প্রশাসন মাত্র দেড় বছর দায়িত্বে ছিল। দীর্ঘদিনের অচলাবস্থার দায় শুধু তাঁদের ওপর চাপানো ঠিক নয়।
দীর্ঘদিন সিনেট অকার্যকর থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামের কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, সুশাসন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে দ্রুত সিনেট পুনর্গঠন এবং নিয়মিত অধিবেশন আয়োজনের বিকল্প নেই।