রাজশাহী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (তানোর এরিয়া) উপজেলায় পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক সেবার মান বেড়েছে, হ্রাস পেয়েছে লোডশেডিং। তানোরে ডিজিএম রেজাউল করিম খাঁন যোগদানের পর তার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক মান বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে।এছাড়াও বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের উন্নয়ন করা হয়েছে।এর পাশাপাশি পল্লী বিদ্যুৎ (ডিজিএম) কার্যালয়কে ঘুষ-দুর্নীতি ও দালাল মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।এতে গ্রাহকের যে-কোনো সমস্যা নিয়ে গ্রাহকগণ সরাসরি ডিজিএম এর সঙ্গে আলোচনা করতে পারছেন।এতে হয়রানি মুক্ত গ্রাহক সেবা নিশ্চিত হয়েছে। অথচ বিগত দিনে পল্লী বিদ্যুতের অসহনীয় লোডশেডিং এবং দুর্বল সঞ্চালন লাইনের কারণে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ছিলো নিত্যসঙ্গী।
জানা গেছে, বিগত ২০০৬ সালে তানোরে বিদ্যুৎ সুবিধাভোগীর সংখ্যা ছিলো প্রায় ২৮ শতাংশ। কিন্ত্ত এখন বিদ্যুৎ সুবিধাভোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে শতভাগ। এছাড়াও প্রায় এক হাজার কিলোমিটার বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন সম্প্রসারণ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, তানোরে পল্লী বিদ্যুতের মোট গ্রাহক রয়েছে আবাশিক ৫ হাজার ৬৮৩টি,শিল্প সংযোগ ৭১৪টি, সেচ সংযোগ ৯৫০টি, বানিজ্যিক সংযোগ ৪ হাজার ১৪৬টি,দাতব্য এক হাজার ৮৭টি ও অন্যান্য সংযোগ ৪১৪টি। বিদ্যুতের মোট চাহিদা প্রায় ১৮ মেঘাওয়াট যা সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে।কোনো লোডশেডিং নাই।
এদিকে পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক সুবিধা বৃদ্ধি ও নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে দেবীপুর, কালীগঞ্জ ও আয়ড়া ৩টি সাব-স্টেশন নির্মান এবং বাধাইড় সরনজাই,কলমা, কামারগাঁ ইউপিতে ৪টি অভিযোগ কেন্দ্র খোলা হয়েছে।অন্যদিকে পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ নিয়ে সেচ সুবিধায় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পোল্ট্রি, গরুর খামার ও মৎস্যখাতে অনেক বেকারের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের (ইউপি) এলাকার মৎস্য চাষি নাসির ও মোজাম্মেল হক বলেন,আগে পুকুরে পানি না থাকায় শুস্ক মৌসুমে চাষ করা যেতো না।কিন্ত্ত পল্লী বিদ্যুতের মৎস্য সংযোগ নিয়ে সারা বছর মাছ করতে পারছেন।এতে অনেক বেকার যুবকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
এবিষয়ে তানোর পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা (ডিজিএম) রেজাউল করিম খাঁন বলেন, তাদের প্রধান লক্ষ্যে গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করা, সেই লক্ষ্যে তারা কাজ করে যাচ্ছেন।
জানা গেছে, বিগত ২০০৬ সালে তানোরে বিদ্যুৎ সুবিধাভোগীর সংখ্যা ছিলো প্রায় ২৮ শতাংশ। কিন্ত্ত এখন বিদ্যুৎ সুবিধাভোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে শতভাগ। এছাড়াও প্রায় এক হাজার কিলোমিটার বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন সম্প্রসারণ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, তানোরে পল্লী বিদ্যুতের মোট গ্রাহক রয়েছে আবাশিক ৫ হাজার ৬৮৩টি,শিল্প সংযোগ ৭১৪টি, সেচ সংযোগ ৯৫০টি, বানিজ্যিক সংযোগ ৪ হাজার ১৪৬টি,দাতব্য এক হাজার ৮৭টি ও অন্যান্য সংযোগ ৪১৪টি। বিদ্যুতের মোট চাহিদা প্রায় ১৮ মেঘাওয়াট যা সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে।কোনো লোডশেডিং নাই।
এদিকে পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক সুবিধা বৃদ্ধি ও নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে দেবীপুর, কালীগঞ্জ ও আয়ড়া ৩টি সাব-স্টেশন নির্মান এবং বাধাইড় সরনজাই,কলমা, কামারগাঁ ইউপিতে ৪টি অভিযোগ কেন্দ্র খোলা হয়েছে।অন্যদিকে পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ নিয়ে সেচ সুবিধায় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পোল্ট্রি, গরুর খামার ও মৎস্যখাতে অনেক বেকারের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের (ইউপি) এলাকার মৎস্য চাষি নাসির ও মোজাম্মেল হক বলেন,আগে পুকুরে পানি না থাকায় শুস্ক মৌসুমে চাষ করা যেতো না।কিন্ত্ত পল্লী বিদ্যুতের মৎস্য সংযোগ নিয়ে সারা বছর মাছ করতে পারছেন।এতে অনেক বেকার যুবকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
এবিষয়ে তানোর পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা (ডিজিএম) রেজাউল করিম খাঁন বলেন, তাদের প্রধান লক্ষ্যে গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করা, সেই লক্ষ্যে তারা কাজ করে যাচ্ছেন।