তানোরে তিন বছর যাবত ঝুলে আছে ব্রীজ নির্মাণ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল

আপলোড সময় : ৩০-০৭-২০২৬ ১০:৪৩:৩৪ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ৩০-০৭-২০২৬ ১০:৪৩:৩৪ অপরাহ্ন
রাজশাহীর তানোরে এলজিইডির গা-ছাড়া ভাব তদারকির অভাব ও ঠিকাদারের দায়িত্ব অবহেলার কারণে তিন বছর যাবত ঝুলে আছে একটি ব্রীজের নির্মাণ কাজ।

তানোর-চৌবাড়িয়া রাস্তার চাপড়া এই ব্রীজ নির্মাণ কাজ ঝুলে আছে। এতে রাস্তায় ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। কর্তৃপক্ষ ও ঠিকাদারের উদাসীনতায় হচ্ছে না কাজ। অথচ একই সময়ে টেন্ডার হওয়া একই রাস্তার লব্যাতলা ব্রীজের নির্মান কাজ শেষে উদ্বোধন ও যানবাহন চলাচল করছে।

কিন্ত্ত চাপড়া ব্রীজের দৃশ্যমান কোনো কাজ হয়নি উল্টো আরো দেড় বছর সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। ব্রীজ নির্মাণ না হওয়ায় রাস্তা ও পুরাতন ব্রীজ চরম ঝুঁকিতে রয়েছে।তবে বিকল্প না থাকায় জীবনের ঝুকি নিয়ে পুরাতন ব্রীজ দিয়েই যানবাহন চলাচল করছে।

জানা গেছে, বিগত ২০২৩ সালের ২৫ মে চাপড়া ব্রীজের কার্যাদেশ পায় জামালপুর জেলার চন্দ্রা হাট এলাকার এমসিই ও এমএইজেভি নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। প্রায় ২৭ দশমিক ৫৬ মিটার দৈর্ঘ্য ব্রীজটি ৩৭১ দিনের মধ্যে অর্থাৎ ২০২৪ সালের ৩০ মে মাসের মধ্যে  নির্মান কাজ সম্পন্ন  হওয়ার কথা।

কিন্তু এলজিইডি ও ঠিকাদারের অবহেলার কারনে তিন বছর অতিবাহিত হলেও এখানো দৃশ্যমান  তেমন কোন কাজ হয়নি। আদৌ ব্রীজ নির্মাণ হবে কি না বা কবে নাগাদ শেষ হবে তার সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য ব্রীজ সংশ্লিষ্ট কেউ দিতে পারেনি।বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে ব্রীজটি নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি ৩২ লাখ ৯২ হাজার ৫০৮ টাকা।

সরেজমিন দেখা যায়, তানোর-চৌবাড়িয়া রাস্তার চাপড়া বাজার পার হয়ে দুটি ব্রীজ। পুরাতন ব্রীজের পূর্ব দিকে নতুন ব্রীজের নির্মাণ কাজ চলমান। পুরাতন ব্রীজের ও রাস্তার পূর্ব দিকের দুই পারে ভয়ংকর গর্ত হয়ে আছে।দক্ষিণ ও উত্তর দিকে দুটি পিলার তোলা আছে ব্রীজ নির্মাণের জন্য। মাঝে আরো দুটি পিলারে সাটারিং মারা আছে দীর্ঘ প্রায় বছর ধরে। সাটারিংয়ে নিয়মবহির্ভূতভাবে বাঁশ ও কাঠের ব্যবহার করা হয়েছে। অথচ এখানে জ্যাক পাইপ ও লোহার পাইপ ব্যবহারের নিয়ম রয়েছে বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলজিইডির এক এসও জানান, ব্রীজ নির্মাণকারী ঠিকাদার সুবিধাবাদি। তার ভিতরে ঠিকাদারি কাজের কোন দায়বদ্ধতা আছে কিনা জানা নাই,এতো তাগাদা দেয়া, নোটিশ করাসহ এমন কোনো ব্যবস্থা নেই যে করা হয়নি তারপরও কাজ করে না। কাজ বাতিল করার ক্ষমতা উপজেলা পর্যায়ে এলজিইডি অফিসের নেই। এসব মুল অফিস করতে পারে।

এবিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী নুর নাহার জানান, ব্রীজ নির্মাণ না হওয়ার কারনে চরম সমস্যায় আছি। প্রতি নিয়তই কেউ না কেউ ব্রীজের কথা বলছে। ঠিকাদারকে মৌখিক ও লিখিতভাবে বারবার বলা হয়েছে। কিন্তু কোন কাজ হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও অবহিত করা হয়েছে। কয়েকদিন থেকে কাজ শুরু হয়েছে। আরো দেড় বছর মেয়াদ বাড়িয়েছে। আসা করছি এর মধ্যে কাজ শেষ হবে।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]