আদালতের দেওয়া রায় ও নির্দেশনা নির্ধারিত সময়ে বাস্তবায়ন না করায় নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মানজুরা মুশাররফকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে বিচার বিভাগীয় আদেশ অমান্য করায় কেন তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না—তা আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে লিখিতভাবে ব্যাখ্যার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নওগাঁর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. মোনাদিন হক গত ২৩ জুলাই এই আদেশের নির্দেশ দেন, যা ২৭ জুলাই স্বাক্ষরিত হয়।
মামলার নথি ও সংগৃহীত তথ্যে জানা যায়, উপজেলার দোহালী গ্রামের বাসিন্দা বুলবুলি চৌধুরী একই গ্রামের মিন্টু কুমার মণ্ডলের বিরুদ্ধে ২০২৩ সালের ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় একটি মামলা করেন। ফরিয়াদির অভিযোগ ছিল—২০২৩ সালের অক্টোবরে মিন্টুর কাছ থেকে জমি কিনে নামজারি ও খাজনা পরিশোধ করা সত্ত্বেও তিনি জমির দখল বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন না।
উক্ত মামলার শুনানি শেষে গত ২৩ মে আদালত রায় ঘোষণা করেন। রায়ে অভিযুক্ত মিন্টুকে ৬ মাসের কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। পাশাপাশি রায়ের দিন থেকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে বিতর্কিত ০.০২২৫ একর জমির দখল ফরিয়াদিকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য মহাদেবপুরের ইউএনওকে নির্দেশ দেন আদালত।
আদালতের আদেশের কপি গত ৭ জুন ইউএনও কার্যালয়ে পৌঁছালেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা কার্যকর করা হয়নি। ভুক্তভোগী বুলবুলি চৌধুরীর অভিযোগ, প্রশাসনের দোরগোড়ায় বারবার ধরনা দিয়েও তিনি নিজের কেনা জমির দখল পাননি।
বিষয়টি আদালতের নজরে এলে বিচারক রায়ে উল্লেখ করেন, আদালতের সুনির্দিষ্ট নির্দেশ পালন না করা এবং সময়মতো আদালতকে অবহিত না করা বিচার বিভাগীয় আদেশের সুস্পষ্ট অবমাননা। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ইউএনওর বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা ১০ আগস্টের মধ্যে লিখিতভাবে জানতে চেয়েছেন আদালত।
বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করা হলে মহাদেবপুর ইউএনও মানজুরা মুশাররফ নোটিশ পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তবে এটিকে আনুষ্ঠানিক শোকজ না বলে ‘ব্যাখ্যা চাওয়া’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আদালতে লিখিত বক্তব্য দাখিল করা হবে।
নওগাঁর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. মোনাদিন হক গত ২৩ জুলাই এই আদেশের নির্দেশ দেন, যা ২৭ জুলাই স্বাক্ষরিত হয়।
মামলার নথি ও সংগৃহীত তথ্যে জানা যায়, উপজেলার দোহালী গ্রামের বাসিন্দা বুলবুলি চৌধুরী একই গ্রামের মিন্টু কুমার মণ্ডলের বিরুদ্ধে ২০২৩ সালের ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় একটি মামলা করেন। ফরিয়াদির অভিযোগ ছিল—২০২৩ সালের অক্টোবরে মিন্টুর কাছ থেকে জমি কিনে নামজারি ও খাজনা পরিশোধ করা সত্ত্বেও তিনি জমির দখল বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন না।
উক্ত মামলার শুনানি শেষে গত ২৩ মে আদালত রায় ঘোষণা করেন। রায়ে অভিযুক্ত মিন্টুকে ৬ মাসের কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। পাশাপাশি রায়ের দিন থেকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে বিতর্কিত ০.০২২৫ একর জমির দখল ফরিয়াদিকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য মহাদেবপুরের ইউএনওকে নির্দেশ দেন আদালত।
আদালতের আদেশের কপি গত ৭ জুন ইউএনও কার্যালয়ে পৌঁছালেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা কার্যকর করা হয়নি। ভুক্তভোগী বুলবুলি চৌধুরীর অভিযোগ, প্রশাসনের দোরগোড়ায় বারবার ধরনা দিয়েও তিনি নিজের কেনা জমির দখল পাননি।
বিষয়টি আদালতের নজরে এলে বিচারক রায়ে উল্লেখ করেন, আদালতের সুনির্দিষ্ট নির্দেশ পালন না করা এবং সময়মতো আদালতকে অবহিত না করা বিচার বিভাগীয় আদেশের সুস্পষ্ট অবমাননা। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ইউএনওর বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা ১০ আগস্টের মধ্যে লিখিতভাবে জানতে চেয়েছেন আদালত।
বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করা হলে মহাদেবপুর ইউএনও মানজুরা মুশাররফ নোটিশ পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তবে এটিকে আনুষ্ঠানিক শোকজ না বলে ‘ব্যাখ্যা চাওয়া’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আদালতে লিখিত বক্তব্য দাখিল করা হবে।