বন্যার জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছিল গাড়ি। সেই গাড়িতে ছিলেন একই পরিবারের চার জন। তবে গৃহকর্তা কোনওক্রমে গাছ আঁকড়ে প্রাণ বাঁচালেও চোখের সামনে দেখলেন স্ত্রী এবং দুই সন্তানকে তলিয়ে যেতে। শুক্রবার ওই তিন জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে মহারাষ্ট্রের যবতমাল জেলায়।
জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার অবিনাশ খান্ডার স্ত্রী মাধবী এবং দুই কন্যাসন্তানকে নিয়ে গাড়িতে করে বেরিয়েছিলেন। ভারী বৃষ্টির কারণে বিপদে পড়েন তাঁরা। দিকে দিকে জলমগ্ন অবস্থা। তার মধ্যে দিয়ে কোনওক্রমে গন্তব্যে পৌঁছোনোর চেষ্টা করেন তাঁরা। গাড়িতে চালকের আসনে ছিলেন অবিনাশ। পাশের আসনে বসে ছিলেন তাঁর স্ত্রী। আর পিছনে দুই মেয়ে।
দারওয়াহা এলাকায় একটি সেতু পারাপারের সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে।কুপ্তী নদী উপচে পড়ে জল বইতে থাকে ওই সেতুর উপর দিয়ে। অবিনাশ ভেবেছিলেন, কোনওক্রমে ওই জল পেরিয়ে গাড়ি নিয়ে সেতু পার করতে পারবেন। বুঝতে পারেননি স্রোতের টান। সেতুর মাঝামাঝি জায়গায় গিয়ে গাড়ি আর এগোতে পারছিল না। স্রোতের টানে বারবার বেঁকে বেঁকে যাচ্ছিল। আচমকা স্রোতের তোড়ে গাড়িটি ভেসে যায়। সেই সময় দরজা খুলে গাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে সক্ষম হন অবিনাশ। তার পরে হাতের কাছে একটি গাছের নাগাল পেয়ে ধরে ফেলেন তিনি।
স্রোতে ওলটপালট হলেও গাছটা ছাড়েননি অবিনাশ। ওই অবস্থাতেই দেখলেন, তাঁর গাড়িটি ভেসে যাচ্ছে। গাড়ির মধ্যে আটকে রয়েছেন স্ত্রী, সন্তানেরা। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় পুলিশ এবং দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী। প্রশাসন সারারাত ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়েও নিখোঁজ তিন জনের খোঁজ পায়নি। শুক্রবার শেষপর্যন্ত তিন জনের দেহ খুঁজে পায় পুলিশ।
জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার অবিনাশ খান্ডার স্ত্রী মাধবী এবং দুই কন্যাসন্তানকে নিয়ে গাড়িতে করে বেরিয়েছিলেন। ভারী বৃষ্টির কারণে বিপদে পড়েন তাঁরা। দিকে দিকে জলমগ্ন অবস্থা। তার মধ্যে দিয়ে কোনওক্রমে গন্তব্যে পৌঁছোনোর চেষ্টা করেন তাঁরা। গাড়িতে চালকের আসনে ছিলেন অবিনাশ। পাশের আসনে বসে ছিলেন তাঁর স্ত্রী। আর পিছনে দুই মেয়ে।
দারওয়াহা এলাকায় একটি সেতু পারাপারের সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে।কুপ্তী নদী উপচে পড়ে জল বইতে থাকে ওই সেতুর উপর দিয়ে। অবিনাশ ভেবেছিলেন, কোনওক্রমে ওই জল পেরিয়ে গাড়ি নিয়ে সেতু পার করতে পারবেন। বুঝতে পারেননি স্রোতের টান। সেতুর মাঝামাঝি জায়গায় গিয়ে গাড়ি আর এগোতে পারছিল না। স্রোতের টানে বারবার বেঁকে বেঁকে যাচ্ছিল। আচমকা স্রোতের তোড়ে গাড়িটি ভেসে যায়। সেই সময় দরজা খুলে গাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে সক্ষম হন অবিনাশ। তার পরে হাতের কাছে একটি গাছের নাগাল পেয়ে ধরে ফেলেন তিনি।
স্রোতে ওলটপালট হলেও গাছটা ছাড়েননি অবিনাশ। ওই অবস্থাতেই দেখলেন, তাঁর গাড়িটি ভেসে যাচ্ছে। গাড়ির মধ্যে আটকে রয়েছেন স্ত্রী, সন্তানেরা। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় পুলিশ এবং দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী। প্রশাসন সারারাত ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়েও নিখোঁজ তিন জনের খোঁজ পায়নি। শুক্রবার শেষপর্যন্ত তিন জনের দেহ খুঁজে পায় পুলিশ।