‘টক্সিক’ ছবির ঝলক প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিতর্ক। ‘তবাহী’ গানের দৃশ্য নিয়ে বিতর্কের মুখে কিয়ারা আডবাণী। গানের দৃশ্যে উদ্দাম ঘনিষ্ঠতা দেখানো হয়েছে কিয়ারা ও যশের মধ্যে। মাত্রাতিরিক্ত সাহসী দৃশ্যে অভিনয় করেছেন, এমন অভিযোগ উঠেছে কিয়ারার বিরুদ্ধে। নানা রকমের কটাক্ষের শিকারও হচ্ছেন তিনি। এ বার তার বিরোধিতা করলেন অভিনেত্রী হুমা কুরৈশী। তিনিও এই ছবিতে অভিনয় করেছেন। সহ-অভিনেতা যশ এবং কিয়ারার পাশে দাঁড়িয়ে তিনি জানান, এই ধরনের নারীবিদ্বেষী মন্তব্যের জবাব ছবিটাই দেবে।
‘তবাহী’ গানটি প্রকাশের পর থেকেই কিয়ারাকে নিয়ে নানা রকম কটাক্ষ শুরু হয়। অনেকে বলেন, একজন বিবাহিত নারী এবং সদ্য মা হওয়ার পর এমন দৃশ্যে অভিনয় করা উচিত নয়। অথচ একই দৃশ্যে অভিনয় করেছেন ‘বিবাহিত’ যশ। তিনিও সন্তানের বাবা। কিন্তু, তাঁকে নিয়ে তেমন সমালোচনা হয়নি।
হুমা এই বৈষম্যের কড়া সমালোচনা করেন। তাঁর কথায়, “এটা অসুস্থ মানসিকতার পরিচয়। খুবই নোংরা। তবে আমার বিশ্বাস, এই ছবির অভিনেত্রীরা এবং পরিচালকই শেষপর্যন্ত জিতবেন। এই সবের জবাব দেওয়ার কোনও মানে হয় না। কথা দিয়ে মানুষের মানসিকতা বদলানো যায় না। ছবিটাই কথা বলবে। এরা কারা? আমার মনে হয়, পৃথিবী খুবই সুন্দর একটা জায়গা। কিন্তু ইন্টারনেট তেমন নয়।”
হুমার মতে, অনলাইনের ট্রোলদের সঙ্গে তর্ক করে কোনও লাভ নেই। বরং ছবিমুক্তির পর সেটাই সব প্রশ্নের উত্তর দেবে।
সমালোচনা শুধু কিয়ারার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। তাঁর স্বামী অভিনেতা সিদ্ধার্থ মলহোত্রকেও সমাজমাধ্যমে আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছে। অনেকেই তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে গিয়ে একই ধরনের মন্তব্য করেছেন। কিয়ারার অভিনয় নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক ধীরে ধীরে তাঁর বিবাহিত জীবন এবং ব্যক্তিগত বিষয়েও পৌঁছে যায়।
‘টক্সিক’ ছবির পরিচালনায় রয়েছেন গীতু মোহনদাস। ছবিতে যশ, কিয়ারা ও হুমা ছাড়াও অভিনয় করেছেন নয়নতারা, তারা সুতারিয়া, রুক্মিণী বসন্ত-সহ অনেকেই।
‘তবাহী’ গানটি প্রকাশের পর থেকেই কিয়ারাকে নিয়ে নানা রকম কটাক্ষ শুরু হয়। অনেকে বলেন, একজন বিবাহিত নারী এবং সদ্য মা হওয়ার পর এমন দৃশ্যে অভিনয় করা উচিত নয়। অথচ একই দৃশ্যে অভিনয় করেছেন ‘বিবাহিত’ যশ। তিনিও সন্তানের বাবা। কিন্তু, তাঁকে নিয়ে তেমন সমালোচনা হয়নি।
হুমা এই বৈষম্যের কড়া সমালোচনা করেন। তাঁর কথায়, “এটা অসুস্থ মানসিকতার পরিচয়। খুবই নোংরা। তবে আমার বিশ্বাস, এই ছবির অভিনেত্রীরা এবং পরিচালকই শেষপর্যন্ত জিতবেন। এই সবের জবাব দেওয়ার কোনও মানে হয় না। কথা দিয়ে মানুষের মানসিকতা বদলানো যায় না। ছবিটাই কথা বলবে। এরা কারা? আমার মনে হয়, পৃথিবী খুবই সুন্দর একটা জায়গা। কিন্তু ইন্টারনেট তেমন নয়।”
হুমার মতে, অনলাইনের ট্রোলদের সঙ্গে তর্ক করে কোনও লাভ নেই। বরং ছবিমুক্তির পর সেটাই সব প্রশ্নের উত্তর দেবে।
সমালোচনা শুধু কিয়ারার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। তাঁর স্বামী অভিনেতা সিদ্ধার্থ মলহোত্রকেও সমাজমাধ্যমে আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছে। অনেকেই তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে গিয়ে একই ধরনের মন্তব্য করেছেন। কিয়ারার অভিনয় নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক ধীরে ধীরে তাঁর বিবাহিত জীবন এবং ব্যক্তিগত বিষয়েও পৌঁছে যায়।
‘টক্সিক’ ছবির পরিচালনায় রয়েছেন গীতু মোহনদাস। ছবিতে যশ, কিয়ারা ও হুমা ছাড়াও অভিনয় করেছেন নয়নতারা, তারা সুতারিয়া, রুক্মিণী বসন্ত-সহ অনেকেই।