লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে আবারও ফসফরাস বোমা ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে। দক্ষিণ লেবাননের জলপাই ও পাইন বাগানে ফসফরাস বোমা ফেলা হয়েছে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম।
লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) জানিয়েছে, ইসরাইলি বাহিনী নাবাতিয়েহ গভর্নরেটের ইয়ারুন, আরনুন এবং বিন্ত জবেইল শহরের জলপাই ও পাইন গাছে ঘেরা এলাকায় ফসফরাস বোমা নিক্ষেপ করেছে। এর ফলে বিভিন্ন স্থানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং কৃষিজমি ও বনাঞ্চলের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এনএনএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাতভর গোলাবর্ষণের সময় এসব দাহ্য গোলা নিক্ষেপ করা হয়। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালান। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ফসফরাস গোলা নিক্ষেপের পাশাপাশি স্থানীয় সময় রাত ১টার কিছু পর নাবাতিয়েহ আল-ফাওকার উপকণ্ঠে একটি বিমান হামলাও চালায় ইসরাইলি বাহিনী। এছাড়া বুয়ুত আল-সাইয়াদ এলাকায় একটি ইসরাইলি ড্রোন থেকে সাউন্ড বোমা ফেলারও অভিযোগ করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরেই জনবসতিপূর্ণ এলাকায় সাদা ফসফরাস ব্যবহারের বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আসছে। আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী, সাদা ফসফরাসের ব্যবহার কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত। বিশেষ করে বেসামরিক লোকজন বা জনবসতির কাছাকাছি এ ধরনের দাহ্য অস্ত্র ব্যবহার গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।
ফসফরাস বোমা ব্যবহারের সর্বশেষ ঘটনার বিষয়ে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
যুদ্ধবিরতি ও কূটনৈতিক আলোচনা চললেও দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইল নিয়মিত বিমান, ড্রোন ও গোলাবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে। একই সময়ে ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে নতুন দফা আলোচনা শুরুর প্রস্তুতিও চলছে।
কূটনৈতিক পর্যায়ে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে নতুন দফার আলোচনা মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ইতালির রোমে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। আলোচনায় সীমান্ত নিরাপত্তা, ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার এবং বিতর্কিত সীমান্ত এলাকাগুলো নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
যুদ্ধবিরতির পর কিছু দক্ষিণাঞ্চলীয় গ্রামে লেবাননের বাসিন্দারা ফিরতে শুরু করলেও পরিস্থিতি এখনও অস্থির। এলাকায় ইসরাইলি সেনা ও নজরদারি ড্রোনের উপস্থিতি রয়েছে, ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ অব্যাহত আছে।
লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) জানিয়েছে, ইসরাইলি বাহিনী নাবাতিয়েহ গভর্নরেটের ইয়ারুন, আরনুন এবং বিন্ত জবেইল শহরের জলপাই ও পাইন গাছে ঘেরা এলাকায় ফসফরাস বোমা নিক্ষেপ করেছে। এর ফলে বিভিন্ন স্থানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং কৃষিজমি ও বনাঞ্চলের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এনএনএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাতভর গোলাবর্ষণের সময় এসব দাহ্য গোলা নিক্ষেপ করা হয়। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালান। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ফসফরাস গোলা নিক্ষেপের পাশাপাশি স্থানীয় সময় রাত ১টার কিছু পর নাবাতিয়েহ আল-ফাওকার উপকণ্ঠে একটি বিমান হামলাও চালায় ইসরাইলি বাহিনী। এছাড়া বুয়ুত আল-সাইয়াদ এলাকায় একটি ইসরাইলি ড্রোন থেকে সাউন্ড বোমা ফেলারও অভিযোগ করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরেই জনবসতিপূর্ণ এলাকায় সাদা ফসফরাস ব্যবহারের বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আসছে। আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী, সাদা ফসফরাসের ব্যবহার কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত। বিশেষ করে বেসামরিক লোকজন বা জনবসতির কাছাকাছি এ ধরনের দাহ্য অস্ত্র ব্যবহার গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।
ফসফরাস বোমা ব্যবহারের সর্বশেষ ঘটনার বিষয়ে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
যুদ্ধবিরতি ও কূটনৈতিক আলোচনা চললেও দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইল নিয়মিত বিমান, ড্রোন ও গোলাবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে। একই সময়ে ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে নতুন দফা আলোচনা শুরুর প্রস্তুতিও চলছে।
কূটনৈতিক পর্যায়ে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে নতুন দফার আলোচনা মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ইতালির রোমে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। আলোচনায় সীমান্ত নিরাপত্তা, ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার এবং বিতর্কিত সীমান্ত এলাকাগুলো নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
যুদ্ধবিরতির পর কিছু দক্ষিণাঞ্চলীয় গ্রামে লেবাননের বাসিন্দারা ফিরতে শুরু করলেও পরিস্থিতি এখনও অস্থির। এলাকায় ইসরাইলি সেনা ও নজরদারি ড্রোনের উপস্থিতি রয়েছে, ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ অব্যাহত আছে।