রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে তোপের মুখে বিলবোর্ড থেকে যুদ্ধাপরাধীদের ছবি অপসারণ

আপলোড সময় : ০৩-০৮-২০২৬ ০৯:২৬:৫৭ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৩-০৮-২০২৬ ০৯:২৬:৫৭ অপরাহ্ন
শিক্ষার্থীদের তীব্র প্রতিবাদের মুখে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্যারিস রোডে টাঙানো একটি বিতর্কিত বিলবোর্ড থেকে যুদ্ধাপরাধের মামলায় দণ্ডিত ব্যক্তিদের ছবি সরিয়ে নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আজ সোমবার সকালে বিলবোর্ডের মূল কাঠামো অপরিবর্তিত রেখে বিতর্কিত ছবিগুলো মুছে দেওয়া হয়।

জানা যায়, গত শুক্রবার জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মারের সংগঠন ‘নভো কালচার’-এর উদ্যোগে প্যারিস রোডে ‘জুডিশিয়াল কিলিং’ শিরোনামে বিলবোর্ডটি স্থাপন করা হয়।

বিলবোর্ডটিতে যুদ্ধাপরাধের মামলায় দণ্ডিত জামায়াতে ইসলামীর নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মীর কাসেম আলী, মতিউর রহমান নিজামী, আব্দুল কাদের মোল্লা ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ এবং বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছবি প্রদর্শন করা হয়। এছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মেজর (অব.) বজলুল হুদা, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচার চলাকালে নিখোঁজ হওয়া সাক্ষী সুখরঞ্জন বালী এবং সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের ছবিও স্থান পায়। এর পাশাপাশি বিলবোর্ডে শাপলা চত্বর, জুলাই আন্দোলন, লগি-বৈঠা তাণ্ডব, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক, কোটা আন্দোলন ও আয়নাঘর সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়।

তবে যুদ্ধাপরাধের মামলায় দণ্ডিতদের ছবি প্রদর্শনের বিষয়টি নিয়ে ক্যাম্পাসে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ ও বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন এতে তীব্র প্রতিবাদ জানায় এবং বিলবোর্ডটি দ্রুত অপসারণের দাবি তোলে।

প্রতিবাদের ধারাবাহিকতায় রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমানের কাছে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিলবোর্ডটি সরানোর দাবি জানান আন্দোলনকারীরা। দাবি আদায় না হওয়ায় বিকেলে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। রাত পৌনে ১১টা পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলে। পরে প্রশাসন ছবিগুলো মুছে ফেলার সিদ্ধান্ত জানালে শিক্ষার্থীরা অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেন।

পরবর্তীতে সংশোধিত বিলবোর্ডে সুখরঞ্জন বালী, বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ও মেজর (অব.) বজলুল হুদার ছবি বহাল রেখে বাকি দণ্ডিত যুদ্ধাপরাধীদের ছবিগুলো সরিয়ে ফেলা হয়।

ঘটনার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, “শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মারকে বিলবোর্ডটি সরিয়ে নেওয়ার জন্য বলা হয়েছিল। কিন্তু তিনি সম্মত না হওয়ায় পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিজস্ব উদ্যোগে বিতর্কিত ছবিগুলো মুছে দেওয়া হয়েছে।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]