রাজশাহী জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা(ডিসিফুড) এহসানুল হক জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ মিলার ও কৃষকদের হৃদয়ে পৃথক জায়গা করে নিয়েছেন। তিনি তার উদ্ভাবনী প্রচেষ্টা ও কর্ম দক্ষতা দিয়ে খাদ্য বিভাগের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। তিনি যোগদানের পর নিয়মিত উপজেলা সরকারি খাদ্য গুদাম পরিদর্শন,কোনো কোনো ক্ষেত্রে মিল-চাতাল পরিদর্শন ও কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময়সহ নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।
জানা গেছে,অধিকাংশক্ষেত্রে খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে জনগণের অভিযোগই কেবল শোনা যায় নিত্যদিন। তবে তাদের মাঝেও ব্যতিক্রমও পাওয়া যায়। যারা নিজের ওপর অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে জনগণের আস্থারস্থল হয়ে ওঠে, নিজের আন্তরিক সেবা দ্বারা হয়রানি থেকে মুক্তি দেন মানুষকে, নিজের সরকারি দপ্তরকে করে তোলেন জনবান্ধব, তেমনই একজন কর্মকর্তা ডিসিফুড এহসানুল হক। তিনি দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকে কৃষকদের সেবায় স্বচ্ছ ও দুর্নীতি মুক্ত সেবার মাধ্যমে জনকল্যাণে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌছে দিয়ে এখানে সবার কাছে জনবান্ধব কর্মকর্তা হয়ে উঠেছেন।তিনি তার মেধা ও কর্ম দক্ষতা দিয়ে কাজ করে ইতিমধ্যে জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন।
তিনি খাদ্য বিভাগ থেকে নানা অনিয়ম-দূর্নীতি প্রতিরোধ করতে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। এহসানুল হক ডিসিফুড হিসেবে যোগদানের পর খাদ্য বিভাগের দৃশ্যপট পাল্টে গেছে গতিশীল হয়েছে কাজ,দূর হয়েছে হয়রানি ও ভোগান্তি।
এদিকে তিনি দায়িত্বভার গ্রহণের অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি রাজশাহী জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়(ডিসিফুড),উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয় (টিসিএফ) উপজেলা সরকারি খাদ্য গুদাম, সিএসডি এবং এলএসডিসহ সমগ্র খাদ্য প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আস্থা, শ্রদ্ধা ও আন্তরিকতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।
তাঁর সৌহাদ্যপূর্ণ আচরণ, সহজপ্রাপ্যতা, সহমর্মিতা এবং মনোযোগের সহিত সবার কথা শোনার মানসিকতা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে ইতোমধ্যেই স্বস্তি, আত্মবিশ্বাস ও কর্মস্পৃহা ফিরিয়ে এনেছে। খাদ্য বিভাগের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ খাদ্য পরিদর্শক সমিতি এবং বাংলাদেশ খাদ্য কর্মকর্তা সমিতির সদস্যরা, যারা মাঠপর্যায়ে সরকারের খাদ্যনীতি বাস্তবায়ন, নিরাপদ খাদ্য মজুদ গঠন, ধান-চাল-গম সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিতরণ কার্যক্রমে নিরলস ভূমিকা পালন করে চলেছেন, তাঁরাও নতুন এই প্রশাসনিক পরিবেশকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন। তাঁদের প্রত্যাশা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহযোগিতার মধ্য দিয়ে রাজশাহী জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক প্রশাসন আরও গতিশীল হয়ে উঠবে। সাম্প্রতিক অতীতের অভিজ্ঞতা খাদ্য প্রশাসনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হয়ে রয়েছে। প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা, মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে সমন্বয়, জবাবদিহিতা, নৈতিকতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানা প্রশ্ন, সমালোচনা ও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছিল। এসব ঘটনার প্রভাব প্রশাসনের কর্মপরিবেশেও প্রতিফলিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট অনেকের অভিমত। একটি প্রতিষ্ঠানের সুনাম টিকিয়ে রাখতে প্রশাসনিক সততা, নৈতিক মানদন্ড- এবং পারস্পরিক বিশ্বাসের কোনো বিকল্প নেই-এই উপলব্ধিই আজ আরও সুস্পষ্ট। এই বাস্তবতায় এহসানুল হকের প্রশাসনিক পরিচালনায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে নতুন উদ্যম সৃষ্টি হয়েছে।
স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, ন্যায্যতা, মানবিকতা এবং বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে রাজশাহীর পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হবে-এমন প্রত্যাশা দিন দিন আরও দৃঢ় হচ্ছে। খাদ্য প্রশাসনে একটি সুস্থ, সুশৃঙ্খল ও কর্মমুখী রাজশাহীর খাদ্য প্রশাসনের সামনে এখন একটি নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মিলিত প্রয়াস, কৃষকবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গি এবং জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে একটি দক্ষ, স্বচ্ছ,আস্থাভাজন ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসনিক সংস্কৃতি গড়ে উঠুক-এটাই সংশ্লিষ্ট সকলের প্রত্যাশা।
জানা গেছে,অধিকাংশক্ষেত্রে খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে জনগণের অভিযোগই কেবল শোনা যায় নিত্যদিন। তবে তাদের মাঝেও ব্যতিক্রমও পাওয়া যায়। যারা নিজের ওপর অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে জনগণের আস্থারস্থল হয়ে ওঠে, নিজের আন্তরিক সেবা দ্বারা হয়রানি থেকে মুক্তি দেন মানুষকে, নিজের সরকারি দপ্তরকে করে তোলেন জনবান্ধব, তেমনই একজন কর্মকর্তা ডিসিফুড এহসানুল হক। তিনি দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকে কৃষকদের সেবায় স্বচ্ছ ও দুর্নীতি মুক্ত সেবার মাধ্যমে জনকল্যাণে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌছে দিয়ে এখানে সবার কাছে জনবান্ধব কর্মকর্তা হয়ে উঠেছেন।তিনি তার মেধা ও কর্ম দক্ষতা দিয়ে কাজ করে ইতিমধ্যে জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন।
তিনি খাদ্য বিভাগ থেকে নানা অনিয়ম-দূর্নীতি প্রতিরোধ করতে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। এহসানুল হক ডিসিফুড হিসেবে যোগদানের পর খাদ্য বিভাগের দৃশ্যপট পাল্টে গেছে গতিশীল হয়েছে কাজ,দূর হয়েছে হয়রানি ও ভোগান্তি।
এদিকে তিনি দায়িত্বভার গ্রহণের অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি রাজশাহী জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়(ডিসিফুড),উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয় (টিসিএফ) উপজেলা সরকারি খাদ্য গুদাম, সিএসডি এবং এলএসডিসহ সমগ্র খাদ্য প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আস্থা, শ্রদ্ধা ও আন্তরিকতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।
তাঁর সৌহাদ্যপূর্ণ আচরণ, সহজপ্রাপ্যতা, সহমর্মিতা এবং মনোযোগের সহিত সবার কথা শোনার মানসিকতা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে ইতোমধ্যেই স্বস্তি, আত্মবিশ্বাস ও কর্মস্পৃহা ফিরিয়ে এনেছে। খাদ্য বিভাগের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ খাদ্য পরিদর্শক সমিতি এবং বাংলাদেশ খাদ্য কর্মকর্তা সমিতির সদস্যরা, যারা মাঠপর্যায়ে সরকারের খাদ্যনীতি বাস্তবায়ন, নিরাপদ খাদ্য মজুদ গঠন, ধান-চাল-গম সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিতরণ কার্যক্রমে নিরলস ভূমিকা পালন করে চলেছেন, তাঁরাও নতুন এই প্রশাসনিক পরিবেশকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন। তাঁদের প্রত্যাশা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহযোগিতার মধ্য দিয়ে রাজশাহী জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক প্রশাসন আরও গতিশীল হয়ে উঠবে। সাম্প্রতিক অতীতের অভিজ্ঞতা খাদ্য প্রশাসনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হয়ে রয়েছে। প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা, মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে সমন্বয়, জবাবদিহিতা, নৈতিকতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানা প্রশ্ন, সমালোচনা ও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছিল। এসব ঘটনার প্রভাব প্রশাসনের কর্মপরিবেশেও প্রতিফলিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট অনেকের অভিমত। একটি প্রতিষ্ঠানের সুনাম টিকিয়ে রাখতে প্রশাসনিক সততা, নৈতিক মানদন্ড- এবং পারস্পরিক বিশ্বাসের কোনো বিকল্প নেই-এই উপলব্ধিই আজ আরও সুস্পষ্ট। এই বাস্তবতায় এহসানুল হকের প্রশাসনিক পরিচালনায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে নতুন উদ্যম সৃষ্টি হয়েছে।
স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, ন্যায্যতা, মানবিকতা এবং বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে রাজশাহীর পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হবে-এমন প্রত্যাশা দিন দিন আরও দৃঢ় হচ্ছে। খাদ্য প্রশাসনে একটি সুস্থ, সুশৃঙ্খল ও কর্মমুখী রাজশাহীর খাদ্য প্রশাসনের সামনে এখন একটি নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মিলিত প্রয়াস, কৃষকবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গি এবং জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে একটি দক্ষ, স্বচ্ছ,আস্থাভাজন ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসনিক সংস্কৃতি গড়ে উঠুক-এটাই সংশ্লিষ্ট সকলের প্রত্যাশা।