লালপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন পরিচ্ছন্ন কর্মী দিয়েই চলছে পরিস্কারের কাজ

আপলোড সময় : ০৪-০৮-২০২৬ ১০:৩১:২৭ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৪-০৮-২০২৬ ১০:৩১:২৭ অপরাহ্ন
নাটোরের লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন কতৃপক্ষ। চতুর্থ শ্রেণির ২৭টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন মাত্র দুজন। এর মধ্যে পাঁচটি পরিচ্ছন্নতাকর্মীর পদ থাকলেও বর্তমানে মাত্র একজন কর্মী দিয়ে চলছে হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ। ফলে বিপুলসংখ্যক রোগীর চাপ সামলাতে গিয়ে চরম জনবল সংকটে পড়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন গড়ে ৮০ থেকে ১০০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি থাকেন। এছাড়া বহির্বিভাগে (আউটডোর) চিকিৎসা নিতে আসেন প্রায় ৫০০ থেকে ৭০০ রোগী। রোগী ও স্বজনদের ব্যাপক উপস্থিতির কারণে হাসপাতালের ওয়ার্ড, বারান্দা, করিডোর, টয়লেটসহ বিভিন্ন স্থান নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা একজন কর্মীর পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

জনবল সংকটের কারণে হাসপাতালের দৈনন্দিন কার্যক্রমেও এর প্রভাব পড়ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। বিশেষ করে মাত্র একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী দিয়ে এত বিপুলসংখ্যক রোগী ও স্বজনের ব্যবহৃত পুরো হাসপাতাল পরিষ্কার রাখা কঠিন হয়ে পড়ায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

রোগীদের সুস্থ পরিবেশে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী না থাকায় কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

এদিকে দ্রুত শূন্য পদে জনবল নিয়োগ ও প্রয়োজনীয় সংখ্যক পরিচ্ছন্নতাকর্মী পদায়নের দাবি জানিয়েছেন রোগী ও স্বজনরা। তাদের মতে, বিপুলসংখ্যক রোগীর চাপ বিবেচনায় নিয়ে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জনবল সংকট দ্রুত নিরসন করা জরুরি।

মোহরকয়া গ্রামের রফিকুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে সুইপার না থাকলে বাথরুম পরিষ্কার করবেন কে, আবার ঝাড়ুদার নাই তাহলে কে করবেন এসব কাজ।

নবীনগর গ্রামের রিতা খাতুন বলেন, আমরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসি, আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানেও রাখতে পারিনি, শূন্য পদে লোক না আসলে পরিস্কার রাখা সম্ভব নয়।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মুনজুর রহমান বলেন, জনবল সংকটের কারণে একটু সমস্যা হচ্ছে, ১ জন পরিচ্ছন্ন বয়স্ক মহিলা কর্মী রয়েছে, তবুও আমরা সকলে মিলে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এজন্য রোগী ও সঙ্গে আসা স্বজনদের সহযোগিতা কামনা করি।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]