কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি করা ‘ডিপফেক’ বা বিকৃত ছবি-ভিডিওর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী মৃণাল ঠাকুর। নিজের অনুমতি ছাড়া তার অবয়ব ও পরিচয় ব্যবহার করে কোনো ধরনের ভুয়া কনটেন্ট তৈরি বা প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে এ বার্তা দেন মৃণাল। যদিও তিনি কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার উল্লেখ করেননি, তবে পোস্টটিকে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানান।
মৃণাল লেখেন, আমার অবয়ব ব্যবহার করে ডিপফেক কনটেন্ট তৈরি বা শেয়ার করা বেআইনি এবং সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। এই ঘোষণাকে অবিলম্বে এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আনুষ্ঠানিক নোটিশ হিসেবে বিবেচনা করুন। ভবিষ্যতে আমার পরিচয়ের কোনো ধরনের অপব্যবহার হলে সরাসরি আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ভারতে এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার এবং ডিপফেক কনটেন্ট নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকায় ইতোমধ্যে অনেক তারকাই আইনি সহায়তা নিয়েছেন। অনুমতি ছাড়া তাদের পরিচয় ও অবয়ব ব্যবহার ঠেকাতে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন অক্ষয় কুমার, বরুণ ধাওয়ান, অনিল কাপুর, শিল্পা শেঠি, প্রীতি জিনতা, কার্তিক আরিয়ান ও সুনীল শেঠিসহ বেশ কয়েকজন অভিনয়শিল্পী।
এর আগে ডিপফেক প্রযুক্তির শিকার হয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। সামাজিক মাধ্যমে ভুয়া ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে নারীদের হয়রানির ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেছিলেন, প্রযুক্তি উন্নয়নের হাতিয়ার হলেও এর অপব্যবহার সমাজের জন্য বড় হুমকি।
তিনি এ ধরনের অপরাধে কঠোর শাস্তিরও দাবি জানান। পরে রাশমিকার ডিপফেক ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে এ বার্তা দেন মৃণাল। যদিও তিনি কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার উল্লেখ করেননি, তবে পোস্টটিকে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানান।
মৃণাল লেখেন, আমার অবয়ব ব্যবহার করে ডিপফেক কনটেন্ট তৈরি বা শেয়ার করা বেআইনি এবং সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। এই ঘোষণাকে অবিলম্বে এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আনুষ্ঠানিক নোটিশ হিসেবে বিবেচনা করুন। ভবিষ্যতে আমার পরিচয়ের কোনো ধরনের অপব্যবহার হলে সরাসরি আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ভারতে এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার এবং ডিপফেক কনটেন্ট নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকায় ইতোমধ্যে অনেক তারকাই আইনি সহায়তা নিয়েছেন। অনুমতি ছাড়া তাদের পরিচয় ও অবয়ব ব্যবহার ঠেকাতে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন অক্ষয় কুমার, বরুণ ধাওয়ান, অনিল কাপুর, শিল্পা শেঠি, প্রীতি জিনতা, কার্তিক আরিয়ান ও সুনীল শেঠিসহ বেশ কয়েকজন অভিনয়শিল্পী।
এর আগে ডিপফেক প্রযুক্তির শিকার হয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। সামাজিক মাধ্যমে ভুয়া ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে নারীদের হয়রানির ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেছিলেন, প্রযুক্তি উন্নয়নের হাতিয়ার হলেও এর অপব্যবহার সমাজের জন্য বড় হুমকি।
তিনি এ ধরনের অপরাধে কঠোর শাস্তিরও দাবি জানান। পরে রাশমিকার ডিপফেক ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।