বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ক্ষুদ্র, মাইক্রো, কুটির ও মাঝারি শিল্পের (এমএসএমই) অবদান ৬০ শতাংশের বেশি করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, এমপি। তিনি বলেছেন, এ খাতের প্রসার ঘটলে অর্থনীতিতে মানুষের অংশগ্রহণ বাড়বে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং আয় বৈষম্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে বগুড়া বিসিক জেলা কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে শিল্পমালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা এবং উদ্যোক্তাদের মধ্যে ঋণের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের জিডিপিতে ক্ষুদ্র, মাঝারি ও কুটির শিল্পের অবদান প্রায় ৩৬ শতাংশ। এই হার ৬০ শতাংশ অতিক্রম করলে দেশের অর্থনীতির প্রাণপ্রবাহ আরও গতিশীল হবে এবং বৃহত্তর জনগোষ্ঠী সরাসরি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।
তিনি বলেন, সরকারের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হলো ক্ষুদ্র, মাইক্রো, কুটির ও মাঝারি শিল্পের উদ্যোক্তার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে মানুষের অংশগ্রহণ যত বাড়বে, উন্নয়নের সুফল তত বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে।
লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং ও চামড়াশিল্পের উন্নয়নে দক্ষ জনবল গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে শিল্পমন্ত্রী জানান, এ দুই খাতের জন্য আধুনিক প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রটির অবকাঠামো নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে এবং শিগগিরই প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হবে।
তিনি আরও জানান, প্রশিক্ষণকেন্দ্র পরিচালনায় আন্তর্জাতিক মানের কোনো প্রতিষ্ঠানের সহায়তা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ইতালি, জার্মানি বা ইউরোপের অন্য কোনো দেশের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে। সেখানে ডিজাইন উন্নয়ন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার এবং নতুন অপারেটরদের দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
বগুড়ার লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে শিল্পমন্ত্রী বলেন, বগুড়ার পাশাপাশি সৈয়দপুরও এ খাতের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ শিল্পকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। রেলওয়ে জংশন ও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সৈয়দপুর শিল্প উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। ওই অঞ্চলের উদ্যোক্তা ও আগ্রহী ব্যক্তিদেরও প্রশিক্ষণের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
দেশের শিল্প কাঠামো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মতো অর্থনীতিতে শ্রমঘন শিল্পের গুরুত্ব অনেক বেশি। হাইটেক ও অধিক পুঁজিনির্ভর শিল্পে বিনিয়োগ বেশি হলেও কর্মসংস্থানের সুযোগ তুলনামূলক কম। অন্যদিকে শ্রমঘন শিল্প অধিক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে।
ব্যবসায়িক ঋণের উচ্চ সুদের হার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে শিল্পমন্ত্রী বলেন, ১৩ থেকে ১৪ শতাংশ সুদে স্বল্প পুঁজির ব্যবসা পরিচালনা করা কঠিন। এ বাস্তবতা বিবেচনায় সরকার শিল্প খাতের অর্থায়নের ব্যয় কমাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার বিষয়ে তিনি বলেন, শিল্পের জন্য নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। তবে অতীতের জটিলতা একদিনে দূর করা সম্ভব নয়। এজন্য বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা এবং তার কার্যকর বাস্তবায়ন প্রয়োজন।
উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে তিনি কম জ্বালানি-নির্ভর শিল্পপ্রকল্প গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার প্রয়োজনীয় লজিস্টিক ও নীতিগত সহায়তা প্রদান করবে।
অনুষ্ঠানে বিসিকের চেয়ারম্যান বেনজির আহমেদ স্বাগত বক্তব্য দেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. রেজাউল করিম বাদশা, বগুড়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, বগুড়া-৭ আসনের সংসদ সদস্য মোরশেদ মিল্টন এবং নারী উদ্যোক্তা শামসুন নাহার স্বর্ণা।
অনুষ্ঠানের শেষে শিল্পমন্ত্রী স্থানীয় উদ্যোক্তাদের মধ্যে ঋণের চেক বিতরণ করেন।
শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে বগুড়া বিসিক জেলা কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে শিল্পমালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা এবং উদ্যোক্তাদের মধ্যে ঋণের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের জিডিপিতে ক্ষুদ্র, মাঝারি ও কুটির শিল্পের অবদান প্রায় ৩৬ শতাংশ। এই হার ৬০ শতাংশ অতিক্রম করলে দেশের অর্থনীতির প্রাণপ্রবাহ আরও গতিশীল হবে এবং বৃহত্তর জনগোষ্ঠী সরাসরি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।
তিনি বলেন, সরকারের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হলো ক্ষুদ্র, মাইক্রো, কুটির ও মাঝারি শিল্পের উদ্যোক্তার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে মানুষের অংশগ্রহণ যত বাড়বে, উন্নয়নের সুফল তত বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে।
লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং ও চামড়াশিল্পের উন্নয়নে দক্ষ জনবল গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে শিল্পমন্ত্রী জানান, এ দুই খাতের জন্য আধুনিক প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রটির অবকাঠামো নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে এবং শিগগিরই প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হবে।
তিনি আরও জানান, প্রশিক্ষণকেন্দ্র পরিচালনায় আন্তর্জাতিক মানের কোনো প্রতিষ্ঠানের সহায়তা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ইতালি, জার্মানি বা ইউরোপের অন্য কোনো দেশের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে। সেখানে ডিজাইন উন্নয়ন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার এবং নতুন অপারেটরদের দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
বগুড়ার লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে শিল্পমন্ত্রী বলেন, বগুড়ার পাশাপাশি সৈয়দপুরও এ খাতের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ শিল্পকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। রেলওয়ে জংশন ও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সৈয়দপুর শিল্প উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। ওই অঞ্চলের উদ্যোক্তা ও আগ্রহী ব্যক্তিদেরও প্রশিক্ষণের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
দেশের শিল্প কাঠামো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মতো অর্থনীতিতে শ্রমঘন শিল্পের গুরুত্ব অনেক বেশি। হাইটেক ও অধিক পুঁজিনির্ভর শিল্পে বিনিয়োগ বেশি হলেও কর্মসংস্থানের সুযোগ তুলনামূলক কম। অন্যদিকে শ্রমঘন শিল্প অধিক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে।
ব্যবসায়িক ঋণের উচ্চ সুদের হার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে শিল্পমন্ত্রী বলেন, ১৩ থেকে ১৪ শতাংশ সুদে স্বল্প পুঁজির ব্যবসা পরিচালনা করা কঠিন। এ বাস্তবতা বিবেচনায় সরকার শিল্প খাতের অর্থায়নের ব্যয় কমাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার বিষয়ে তিনি বলেন, শিল্পের জন্য নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। তবে অতীতের জটিলতা একদিনে দূর করা সম্ভব নয়। এজন্য বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা এবং তার কার্যকর বাস্তবায়ন প্রয়োজন।
উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে তিনি কম জ্বালানি-নির্ভর শিল্পপ্রকল্প গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার প্রয়োজনীয় লজিস্টিক ও নীতিগত সহায়তা প্রদান করবে।
অনুষ্ঠানে বিসিকের চেয়ারম্যান বেনজির আহমেদ স্বাগত বক্তব্য দেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. রেজাউল করিম বাদশা, বগুড়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, বগুড়া-৭ আসনের সংসদ সদস্য মোরশেদ মিল্টন এবং নারী উদ্যোক্তা শামসুন নাহার স্বর্ণা।
অনুষ্ঠানের শেষে শিল্পমন্ত্রী স্থানীয় উদ্যোক্তাদের মধ্যে ঋণের চেক বিতরণ করেন।