চড়া রোদে বেশিক্ষণ থাকলে ত্বকে কালচে ছোপ পড়ে যায়। সূর্যের অতিবেগনি রশ্মির কারণে দাগছোপ পড়ে শরীরের নানা জায়গাতেই। অনেক সময়ে ত্বকের রং বদলাতে শুরু করে। এই বদল যে মুখ বা শরীরের বিশেষ কোনও অংশ জুড়ে সমান ভাবে হয়, তা নয়। অনেকের আবার ছিটছিট দাগের মতো দেখা যায় ত্বকে। ত্বকের রং বদলে যাওয়ার পোশাকি নামই হল পিগমেন্টেশন। যখন এই কালচে দাগছোপ আরও গাঢ় হতে থাকে, তখন তাকে বলে ‘হাইপার পিগমেন্টেশন’। এর থেকে রেহাই পেতে হলে শুধু ক্রিম বা প্রসাধনীতে কাজ হবে না, ভিতর থেকে ত্বককে জেল্লাদার করে তুলতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন ডিটক্স পানীয়।
ত্বকের দাগছোপ দূর হবে কোন কোন পানীয়ে?
ডাবের জল ও চিয়াবীজের শরবত: ১ গ্লাস ডাবের জল, ১ চামচ ভেজানো চিয়াবীজ ও পুদিনাপাতা নিতে হবে। এ বার চিয়াবীজ পিষে নিয়ে তা ডাবের জলের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। উপরে পুদিনাপাতা ছড়িয়ে পান করুন। ডাবের জলে চিয়াবীজ ভিজিয়ে রেখে সেই পানীয়ও পান করতে পারেন।
বিট-বেদানার জুস: এক কাপ বিটের টুকরো, এক কাপ বেদানা, এক কাপ শসাকুচি ভাল করে ব্লেন্ড করে নিন। এ বার তাতে জল মিশিয়ে ছেঁকে নিয়ে পানীয়ে মেশান পুদিনাপাতা। এই পানীয় কাচের জারে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। তার পর এতে পাতিলেবুর রস মিশিয়ে পান করুন।
আনারস-পুদিনার রস: কাচের বড় একটি পাত্রে এক কাপ আনারসকুচি এবং এক মুঠো পুদিনাপাতা ভিজিয়ে দিন। এই ভাবে রেখে দিন অন্তত দু’-তিন ঘণ্টা। সারা দিন ধরেই এই পানীয় খাওয়া যায়। আনারসের মধ্যে ব্রোমেলিন নামক একটি উপাদান রয়েছে, যা হজম সংক্রান্ত সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। শরীরে জলের ঘাটতিও দূর করে। নিয়মিত এই পানীয় খেলে পেটও ভাল থাকবে এবং ত্বকের জেল্লাও ফিরবে।
কেশর-বাদাম শরবত: ত্বকের কালচে ছোপ দূর করবে এই পানীয়। ত্বক হবে নায়িকার মতো ঝলমলে। ৫-৬টি ভেজানো কাঠবাদাম, এক চিমটি কেশর, এক গ্লাস ঊষ্ণ দুধ বা নারকেলের দুধ নিতে হবে। বাদাম বেটে নিন। হালকা গরম দুধে কেশর মিশিয়ে রাখুন যাতে রং হয়। এ বার বাদামবাটা দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন।
ত্বকের দাগছোপ দূর হবে কোন কোন পানীয়ে?
ডাবের জল ও চিয়াবীজের শরবত: ১ গ্লাস ডাবের জল, ১ চামচ ভেজানো চিয়াবীজ ও পুদিনাপাতা নিতে হবে। এ বার চিয়াবীজ পিষে নিয়ে তা ডাবের জলের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। উপরে পুদিনাপাতা ছড়িয়ে পান করুন। ডাবের জলে চিয়াবীজ ভিজিয়ে রেখে সেই পানীয়ও পান করতে পারেন।
বিট-বেদানার জুস: এক কাপ বিটের টুকরো, এক কাপ বেদানা, এক কাপ শসাকুচি ভাল করে ব্লেন্ড করে নিন। এ বার তাতে জল মিশিয়ে ছেঁকে নিয়ে পানীয়ে মেশান পুদিনাপাতা। এই পানীয় কাচের জারে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। তার পর এতে পাতিলেবুর রস মিশিয়ে পান করুন।
আনারস-পুদিনার রস: কাচের বড় একটি পাত্রে এক কাপ আনারসকুচি এবং এক মুঠো পুদিনাপাতা ভিজিয়ে দিন। এই ভাবে রেখে দিন অন্তত দু’-তিন ঘণ্টা। সারা দিন ধরেই এই পানীয় খাওয়া যায়। আনারসের মধ্যে ব্রোমেলিন নামক একটি উপাদান রয়েছে, যা হজম সংক্রান্ত সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। শরীরে জলের ঘাটতিও দূর করে। নিয়মিত এই পানীয় খেলে পেটও ভাল থাকবে এবং ত্বকের জেল্লাও ফিরবে।
কেশর-বাদাম শরবত: ত্বকের কালচে ছোপ দূর করবে এই পানীয়। ত্বক হবে নায়িকার মতো ঝলমলে। ৫-৬টি ভেজানো কাঠবাদাম, এক চিমটি কেশর, এক গ্লাস ঊষ্ণ দুধ বা নারকেলের দুধ নিতে হবে। বাদাম বেটে নিন। হালকা গরম দুধে কেশর মিশিয়ে রাখুন যাতে রং হয়। এ বার বাদামবাটা দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন।