সাংবাদিক ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আবির হোসেনের ওপর হামলার ঘটনার ৯৬ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও চিহ্নিত আসামিদের গ্রেফতার না হওয়ায় রাজশাহীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে আসামিরা জামিনে বের হয়ে ভুক্তভোগী পরিবারকে হুমকি ও মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ তুলে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
সোমবার সকাল ১১টায় রাজশাহীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল, রাজশাহী মহানগর শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাঈদ আলী।
বক্তারা অভিযোগ করেন, গত ২ আগস্ট শাহমখদুম থানা এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ফটোসাংবাদিক ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আবির হোসেন, তাঁর পরিবার এবং দৈনিক গণকণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি ও রাজশাহী রিপোর্টার্স ইউনিটির দপ্তর সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেন সম্রাটের ওপর হামলা চালানো হয়। তবে ঘটনার চার দিন পেরিয়ে গেলেও চিহ্নিত প্রধান আসামিদের গ্রেফতার করা হয়নি। বরং তারা জামিনে বের হয়ে ভুক্তভোগীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হয়রানির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করা হয়।
মানববন্ধনে আবির হোসেনের মা আফরোজা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে হামলার বর্ণনা দিয়ে বলেন, তাঁর পরিবারের সদস্যরা গুরুতর আহত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে পরিবারের বিরুদ্ধে দায়ের করা কথিত মিথ্যা মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচারও দাবি করেন।
সমাবেশে মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শ্যামল, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক সুরুজ আলীসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা হামলার ঘটনায় দ্রুত তদন্ত, অভিযুক্তদের গ্রেফতার এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
এ ব্যপারে জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকারী কর্মকর্তা এসআই সুভাস জানায়, আসামীদের গ্রেফতারে নিয়মিত অভিযান চলছে। তবে অভিযুক্তরা পালিয়ে থাকায় তাদের গ্রেফতার করা সম্ভব হচ্ছে না।
শাহমখদুম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), মোঃ কবির হোসেন জানায়, অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। যতদ্রুত সম্ভব তাদের গ্রেফতার করা হবে।
এদিকে, একাধীক স্থানীয়রা বলেন, আসামী দিনে বাড়িতে ঘুমায়। এলাকায় প্রকাশ্যে চলাফেরা করছে। পুলিশ এলাকায় তেমন একটা আসে না। তাছাড়া সরকার দলীয় প্রভাবশালী নেতার কাছের লোক প্রধান আসামী হিরা এবং অন্যান্যরা হওয়ায় পুলিশ তাদের এড়িয়ে চলছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
সোমবার সকাল ১১টায় রাজশাহীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল, রাজশাহী মহানগর শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাঈদ আলী।
বক্তারা অভিযোগ করেন, গত ২ আগস্ট শাহমখদুম থানা এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ফটোসাংবাদিক ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আবির হোসেন, তাঁর পরিবার এবং দৈনিক গণকণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি ও রাজশাহী রিপোর্টার্স ইউনিটির দপ্তর সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেন সম্রাটের ওপর হামলা চালানো হয়। তবে ঘটনার চার দিন পেরিয়ে গেলেও চিহ্নিত প্রধান আসামিদের গ্রেফতার করা হয়নি। বরং তারা জামিনে বের হয়ে ভুক্তভোগীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হয়রানির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করা হয়।
মানববন্ধনে আবির হোসেনের মা আফরোজা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে হামলার বর্ণনা দিয়ে বলেন, তাঁর পরিবারের সদস্যরা গুরুতর আহত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে পরিবারের বিরুদ্ধে দায়ের করা কথিত মিথ্যা মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচারও দাবি করেন।
সমাবেশে মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শ্যামল, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক সুরুজ আলীসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা হামলার ঘটনায় দ্রুত তদন্ত, অভিযুক্তদের গ্রেফতার এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
এ ব্যপারে জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকারী কর্মকর্তা এসআই সুভাস জানায়, আসামীদের গ্রেফতারে নিয়মিত অভিযান চলছে। তবে অভিযুক্তরা পালিয়ে থাকায় তাদের গ্রেফতার করা সম্ভব হচ্ছে না।
শাহমখদুম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), মোঃ কবির হোসেন জানায়, অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। যতদ্রুত সম্ভব তাদের গ্রেফতার করা হবে।
এদিকে, একাধীক স্থানীয়রা বলেন, আসামী দিনে বাড়িতে ঘুমায়। এলাকায় প্রকাশ্যে চলাফেরা করছে। পুলিশ এলাকায় তেমন একটা আসে না। তাছাড়া সরকার দলীয় প্রভাবশালী নেতার কাছের লোক প্রধান আসামী হিরা এবং অন্যান্যরা হওয়ায় পুলিশ তাদের এড়িয়ে চলছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।