রাজশাহী মহানগরীতে পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুই মাদক কারবকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই রাতে মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওয়ারেন্টভুক্ত, মাদক ও অন্যান্য মামলায় আরও ১৬ জনকে গ্রেফতার করেছে মহানগরীর বিভিন্ন থানা পুলিশ।
বুধবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর), মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানায়, মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাত সোয়া ৯টার দিকে নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানা পুলিশ হাড়ুপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে চার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট-সহ হড়গ্রাম পীরসাহেবপাড়া গ্রামের মোঃ আবু সাঈদের ছেলে মোঃ মাসুদ রানাকে (৩০) গ্রেফতার করে।
এদিন দিনগত রাত পৌনে ৩টার দিকে চন্দ্রিমা থানার হাজরাপুকুর ডাবতলা (নিউকলোনী) এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩৯০ গ্রাম গাঁজা ও মাদক বিক্রির নগদ ১১ হাজার ২০০ টাকা সহ মৃত আব্দুল খালেক শেখের স্ত্রী শেফালী বেগমকে (৬৪) গ্রেফতার করা হয়।
শেফালী বেগম একজন পেশাদার মাদক কারবারী। তার বিরুদ্ধে চন্দ্রিমা থানায় আগে আরও ছয়টি মাদক মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তাকে ২০২০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালের ২০ এপ্রিল, ৩০ জুন ও ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ সালের ২৮ এপ্রিল এবং ২০ নভেম্বর গ্রেফতার করা হয়েছিল।
এ ব্যাপারে শেফালী বেগমের বিরুদ্ধে চন্দ্রিমা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
এদিকে বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পৃথক অভিযানে বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে মোট ১৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে ওয়ারেন্টভুক্ত ছয়জন, মাদক মামলায় পাঁচজন এবং অন্যান্য মামলায় পাঁচজন রয়েছেন।
এ ব্যপারে গ্রেফতারক...তদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যব¯’া গ্রহণ করা হয়েছে। বুধবার সকালে তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
বুধবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর), মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানায়, মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাত সোয়া ৯টার দিকে নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানা পুলিশ হাড়ুপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে চার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট-সহ হড়গ্রাম পীরসাহেবপাড়া গ্রামের মোঃ আবু সাঈদের ছেলে মোঃ মাসুদ রানাকে (৩০) গ্রেফতার করে।
এদিন দিনগত রাত পৌনে ৩টার দিকে চন্দ্রিমা থানার হাজরাপুকুর ডাবতলা (নিউকলোনী) এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩৯০ গ্রাম গাঁজা ও মাদক বিক্রির নগদ ১১ হাজার ২০০ টাকা সহ মৃত আব্দুল খালেক শেখের স্ত্রী শেফালী বেগমকে (৬৪) গ্রেফতার করা হয়।
শেফালী বেগম একজন পেশাদার মাদক কারবারী। তার বিরুদ্ধে চন্দ্রিমা থানায় আগে আরও ছয়টি মাদক মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তাকে ২০২০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালের ২০ এপ্রিল, ৩০ জুন ও ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ সালের ২৮ এপ্রিল এবং ২০ নভেম্বর গ্রেফতার করা হয়েছিল।
এ ব্যাপারে শেফালী বেগমের বিরুদ্ধে চন্দ্রিমা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
এদিকে বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পৃথক অভিযানে বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে মোট ১৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে ওয়ারেন্টভুক্ত ছয়জন, মাদক মামলায় পাঁচজন এবং অন্যান্য মামলায় পাঁচজন রয়েছেন।
এ ব্যপারে গ্রেফতারক...তদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যব¯’া গ্রহণ করা হয়েছে। বুধবার সকালে তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।