সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায় ১০০ টাকার লোভ দেখিয়ে চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে বাতেন (৫২) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
বুধবার সকালে উপজেলার ক্ষিদ্রমাটিয়া দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিকেলে ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে বেলকুচি থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত বাতেন উপজেলার ক্ষিদ্রমাটিয়া দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত মনিরুল ইসলামের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও থানা পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী কিশোরী স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। বুধবার সকালে বাড়ির পাশের একটি দোকানে কিছু কেনাকাটা করতে যায়। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথে অভিযুক্ত বাতেন তাকে ১০০ টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে পাশের একটি ঘাসক্ষেতে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে কিশোরীর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
বেলকুচি থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহুরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার পর ভুক্তভোগীর বাবা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে এবং সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ জানায়, মামলার তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্তকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
বুধবার সকালে উপজেলার ক্ষিদ্রমাটিয়া দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিকেলে ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে বেলকুচি থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত বাতেন উপজেলার ক্ষিদ্রমাটিয়া দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত মনিরুল ইসলামের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও থানা পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী কিশোরী স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। বুধবার সকালে বাড়ির পাশের একটি দোকানে কিছু কেনাকাটা করতে যায়। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথে অভিযুক্ত বাতেন তাকে ১০০ টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে পাশের একটি ঘাসক্ষেতে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে কিশোরীর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
বেলকুচি থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহুরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার পর ভুক্তভোগীর বাবা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে এবং সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ জানায়, মামলার তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্তকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।