রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার শলুয়া ইউনিয়নের চামটা গ্রামের বাসিন্দা মোঃ মুক্তার হোসেন ওরফে মুক্তা মেম্বারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবার, অস্ত্র, ও সহিংসতাসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ নতুন করে সামনে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন, বিপুল সম্পদের মালিক হলেও তার সম্পদের উৎস নিয়ে এখনো কার্যকর তদন্ত হয়নি। তারা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র ও বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মুক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে চারঘাট মডেল থানায় মাদক ও অস্ত্র-সংক্রান্তসহ মোট ১৩টি মামলা রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
এলাকাবাসীরা জানায়, অতীতে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ বিদেশি পিস্তল ও ইয়াবাসহ একাধিকবার তাকে গ্রেফতার করেছিল। তবে বর্তমানে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
তাদের দাবি, অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ দিয়ে চারঘাট এলাকায় কোটি কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ গড়ে তুলেছেন মুক্তা মেম্বার। এসব সম্পদের প্রকৃত উৎস অনুসন্ধান করে প্রয়োজন হলে তা জব্দের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চারঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, মোঃ মুক্তার হোসেন ওরফে মুক্তার বিরুদ্ধে চারঘাট থানায় মোট ১৩টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি অস্ত্র ও মাদক, দুটি মারামারি এবং ১০টি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলা। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কোনো অপরাধীকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
তবে মোঃ মুক্তার হোসেন ওরফে মুক্তা মেম্বারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।
স্থানীয় সূত্র ও বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মুক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে চারঘাট মডেল থানায় মাদক ও অস্ত্র-সংক্রান্তসহ মোট ১৩টি মামলা রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
এলাকাবাসীরা জানায়, অতীতে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ বিদেশি পিস্তল ও ইয়াবাসহ একাধিকবার তাকে গ্রেফতার করেছিল। তবে বর্তমানে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
তাদের দাবি, অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ দিয়ে চারঘাট এলাকায় কোটি কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ গড়ে তুলেছেন মুক্তা মেম্বার। এসব সম্পদের প্রকৃত উৎস অনুসন্ধান করে প্রয়োজন হলে তা জব্দের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চারঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, মোঃ মুক্তার হোসেন ওরফে মুক্তার বিরুদ্ধে চারঘাট থানায় মোট ১৩টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি অস্ত্র ও মাদক, দুটি মারামারি এবং ১০টি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলা। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কোনো অপরাধীকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
তবে মোঃ মুক্তার হোসেন ওরফে মুক্তা মেম্বারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।