গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের ধনুয়া গ্রামে এক ৮ বছরের মেয়েশিশুকে হত্যার ভয় দেখিয়ে বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে।
জানা গেছে, শিশুটির পরিবার আর্থিক অসচ্ছলতার সুযোগে পাশের এলাকার এক পরিবার শিশুটিকে বিয়ে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। অর্থ-সম্পদের প্রলোভনে পড়ে শিশুটির মা-বাবাও এতে রাজি হন। পরে কাজী ডেকে এক যুবকের সঙ্গে শিশুটির বিয়ে দেওয়া হয়।
শিশুটির ভাষ্য, বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে নানা ধরনের ভয়ভীতিসহ বিষ খাইয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। তাকে বলা হয়- ছেলের পরিবার অনেক টাকা-পয়সার মালিক। সেখানে গেলে তার জীবন সুখের হবে।
সে জানায়, শুক্রবার (১৪ আগস্ট) তাকে স্বামীর বাড়িতে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। বিষয়টি বুঝতে পেরে রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে বাড়ি থেকে পালিয়ে প্রতিবেশী নানার বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেয় সে।
প্রতিবেশী মামা শরিফুল ইসলাম বলেন, শিশুটি এসে যখন সব ঘটনা খুলে বলল, তখন আমরা হতবাক হয়ে যাই। এরপর স্থানীয় কয়েকজনকে নিয়ে তার মা-বাবার বাড়িতে যাই। কিন্তু আমাদের আসার খবর পেয়ে তারা পালিয়ে যান। পরে বিষয়টি পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়।
গাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. মাহাবুব আলম গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও গ্রাম পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। তবে তার আগেই শিশুটির মা-বাবা অভিযুক্ত যুবককে নিয়ে পালিয়ে যান। শিশুটিকে আপাতত প্রতিবেশী নানার বাড়িতে নিরাপদে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদ ভূঁইয়া গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটিকে নিরাপদে রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাল্যবিয়ের সঙ্গে জড়িত কাজীকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শিশুটির মা-বাবাকেও খুঁজে বের করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জানা গেছে, শিশুটির পরিবার আর্থিক অসচ্ছলতার সুযোগে পাশের এলাকার এক পরিবার শিশুটিকে বিয়ে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। অর্থ-সম্পদের প্রলোভনে পড়ে শিশুটির মা-বাবাও এতে রাজি হন। পরে কাজী ডেকে এক যুবকের সঙ্গে শিশুটির বিয়ে দেওয়া হয়।
শিশুটির ভাষ্য, বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে নানা ধরনের ভয়ভীতিসহ বিষ খাইয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। তাকে বলা হয়- ছেলের পরিবার অনেক টাকা-পয়সার মালিক। সেখানে গেলে তার জীবন সুখের হবে।
সে জানায়, শুক্রবার (১৪ আগস্ট) তাকে স্বামীর বাড়িতে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। বিষয়টি বুঝতে পেরে রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে বাড়ি থেকে পালিয়ে প্রতিবেশী নানার বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেয় সে।
প্রতিবেশী মামা শরিফুল ইসলাম বলেন, শিশুটি এসে যখন সব ঘটনা খুলে বলল, তখন আমরা হতবাক হয়ে যাই। এরপর স্থানীয় কয়েকজনকে নিয়ে তার মা-বাবার বাড়িতে যাই। কিন্তু আমাদের আসার খবর পেয়ে তারা পালিয়ে যান। পরে বিষয়টি পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়।
গাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. মাহাবুব আলম গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও গ্রাম পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। তবে তার আগেই শিশুটির মা-বাবা অভিযুক্ত যুবককে নিয়ে পালিয়ে যান। শিশুটিকে আপাতত প্রতিবেশী নানার বাড়িতে নিরাপদে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদ ভূঁইয়া গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটিকে নিরাপদে রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাল্যবিয়ের সঙ্গে জড়িত কাজীকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শিশুটির মা-বাবাকেও খুঁজে বের করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।