বিতর্কের খেসারত দিতে হয়েছিল বাবাকেও! ছয় বছর পরে কোন তথ্য প্রকাশ্যে আনলেন রিয়া?

আপলোড সময় : ১৮-০৮-২০২৬ ০১:০০:৫৫ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৮-০৮-২০২৬ ০১:০০:৫৫ অপরাহ্ন
একটা মৃত্যু। তার পর তদন্ত, অভিযোগ, গ্রেফতার—আর তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে এক অভিনেত্রী। ২০২০ সালে সুশান্ত সিংহ রাজপুতের মৃত্যুর পর রিয়া চক্রবর্তীর জীবন যে ভাবে বদলে গিয়েছিল, তার রেশ বহু দিন থেকেছে। কিন্তু সেই Iঘটনার অভিঘাত শুধু রিয়ার মধ্যেই আটকে ছিল না, ছড়িয়ে পড়েছিল তাঁর পরিবারের উপরেও—এ বার সেই কথাই প্রকাশ্যে আনলেন অভিনেত্রী।

ফরাহ খানের সঙ্গে কথোপকথনে রিয়া জানালেন, তাঁর বাবা ইন্দ্রজিৎ চক্রবর্তীও সেই সময় পেশাগত ভাবে সমস্যার মুখে পড়েছিলেন। অবসরপ্রাপ্ত সেনা আধিকারিক ইন্দ্রজিৎ চিকিৎসা ক্ষেত্রেও কাজ করেছেন। রিয়ার দাবি, একটি নামী হাসপাতালে ‘মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট’-এর পদে কাজের সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেখানে তাঁর পরিচয় জানাজানি হওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে যায়। রিয়ার বক্তব্য, মেয়ের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কারণেই ওই চাকরি আর করা সম্ভব হয়নি।

অভিনেত্রীর কথায়, সেই সময় তাঁদের পরিবারের কাছে যেন প্রতিটি দিনই ছিল নতুন পরীক্ষার। রিয়ার নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের পাশাপাশি ভাই শৌভিক চক্রবর্তীকেও মাদক-সংক্রান্ত মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল। তদন্তের সেই পর্বে পরিবারের উপর যে সামাজিক চাপ তৈরি হয়েছিল, তা নিয়েও একাধিক বার নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন রিয়া।

সময়ের সঙ্গে অবশ্য মামলার ছবিতে বদল এসেছে। সুশান্তের মৃত্যুর তদন্তে দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর ২০২৫ সালের মার্চে সিবিআই ক্লোজ়ার রিপোর্ট জমা দেয়। সেই রিপোর্টে রিয়া-সহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সুশান্তকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা, বেআইনি ভাবে আটকে রাখা বা তাঁর সম্পত্তি অপব্যবহারের মতো অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ মেলেনি বলে জানানো হয়। তবে সুশান্তের পরিবার সেই সিদ্ধান্ত মেনে নেয়নি এবং রিপোর্টকে চ্যালেঞ্জ করার কথা জানিয়েছিল।

রিয়ার কাছে কিন্তু তদন্তের সেই সিদ্ধান্তের থেকেও বড় হয়ে থেকেছে গত কয়েক বছরের অভিজ্ঞতা। জেল-জীবন, তাঁকে ঘিরে ঘনিয়ে ওঠা জনমত এবং সামাজিক দূরত্ব—সব মিলিয়ে মানসিক স্বাস্থ্যের উপর তার প্রভাব পড়েছিল বলেও তিনি জানিয়েছেন। সেই অন্ধকার সময়ের পরে ধীরে ধীরে কাজের জগতে ফিরেছেন অভিনেত্রী।

এখন তাঁকে দেখা যাচ্ছে ‘দ্য ট্রেটর্স’-এর দ্বিতীয় সিজ়নে। পাশাপাশি, নিজের জীবনের নতুন পর্ব নিয়েও কথা বলছেন তিনি। এক সময় তাঁর নামের সঙ্গে জুড়ে গিয়েছিল তদন্ত, বিতর্ক আর অভিযোগ। আবার মূলস্রোতে ফেরার চেষ্টা করছেন অভিনেত্রী।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]