ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় তিন যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. আবুল বাশার মিঞা এ আদেশ দেন। এ সময় আসামিদের এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডও দেয়া হয়। সেই অর্থ আদায় করে ভুক্তভোগীর পরিবারকে দেয়ার জন্য জেলা কালেক্টরকে নির্দেশ দেন বিচারক।
রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্তরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের পুলিশ পাহারায় কারাগারে পাঠানো হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন: মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার বাবুখালী গ্রামের নাসির মোল্যা (২০), ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার লংকারচর গ্রামের সৈকত মণ্ডল (২০) এবং একই গ্রামের নাসির মোল্যা (৩০)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ওই ছাত্রীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র নাসির মোল্যার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে নাসির মোল্যা সরাসরি দেখা করতে চাযন ওই ছাত্রীর সঙ্গে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি রাত ৮টার দিকে নাসির মোল্যা ওই ছাত্রীর গ্রামে গিয়ে তার বাড়ির পাশে একটি বাগানে অপেক্ষা করতে থাকে। কিছু সময় পর ওই ছাত্রী সেখানে গিয়ে দেখতে পায় নাসির ও তার সঙ্গে আরও দুই যুবক রয়েছে।
ওই ছাত্রী সেখানে যাওয়া মাত্রই নাসিরসহ তিন যুবক ছাত্রীকে তুলে নিয়ে নৌকায় করে মধুমতি নদীর একটি চরে নিয়ে গিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। পরে ওই ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বাড়ির পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তিন যুবক। পরদিন ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী বোয়ালমারী থানায় মামলা দায়ের করে।
শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রতন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় তিন যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালতের বিচারক। একইসঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেয়া হয়। অর্থদণ্ড আদায় করে ভুক্তভোগীর পরিবারকে দেয়ার জন্য জেলা কালেক্টরকে নির্দেশ দেন আদালত।
তিনি বলেন, ‘এই রায়ে আমরা খুশি। এই রায়ের ফলে সমাজে এ ধরনের ঘটনা কমে আসবে বলে মনে করি।’
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. আবুল বাশার মিঞা এ আদেশ দেন। এ সময় আসামিদের এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডও দেয়া হয়। সেই অর্থ আদায় করে ভুক্তভোগীর পরিবারকে দেয়ার জন্য জেলা কালেক্টরকে নির্দেশ দেন বিচারক।
রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্তরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের পুলিশ পাহারায় কারাগারে পাঠানো হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন: মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার বাবুখালী গ্রামের নাসির মোল্যা (২০), ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার লংকারচর গ্রামের সৈকত মণ্ডল (২০) এবং একই গ্রামের নাসির মোল্যা (৩০)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ওই ছাত্রীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র নাসির মোল্যার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে নাসির মোল্যা সরাসরি দেখা করতে চাযন ওই ছাত্রীর সঙ্গে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি রাত ৮টার দিকে নাসির মোল্যা ওই ছাত্রীর গ্রামে গিয়ে তার বাড়ির পাশে একটি বাগানে অপেক্ষা করতে থাকে। কিছু সময় পর ওই ছাত্রী সেখানে গিয়ে দেখতে পায় নাসির ও তার সঙ্গে আরও দুই যুবক রয়েছে।
ওই ছাত্রী সেখানে যাওয়া মাত্রই নাসিরসহ তিন যুবক ছাত্রীকে তুলে নিয়ে নৌকায় করে মধুমতি নদীর একটি চরে নিয়ে গিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। পরে ওই ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বাড়ির পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তিন যুবক। পরদিন ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী বোয়ালমারী থানায় মামলা দায়ের করে।
শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রতন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় তিন যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালতের বিচারক। একইসঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেয়া হয়। অর্থদণ্ড আদায় করে ভুক্তভোগীর পরিবারকে দেয়ার জন্য জেলা কালেক্টরকে নির্দেশ দেন আদালত।
তিনি বলেন, ‘এই রায়ে আমরা খুশি। এই রায়ের ফলে সমাজে এ ধরনের ঘটনা কমে আসবে বলে মনে করি।’