যে বয়সে অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলাধুলা করে ছুটে বেড়ানোর কথা, সেই সাত বছর বয়সেই পায়ে রশি বেঁধে রাখতে হতো মো. জিসানকে। জন্মগত মানসিক সমস্যার কারণে তাকে সবসময় নজরদারিতে রাখতে হতো। দারিদ্র্য ও চিকিৎসার অভাবে অসহায় মা বাধ্য হয়ে শিশুটিকে রশি দিয়ে বেঁধে রাখতেন। সেই জিসানই জীবন রক্ষা করা লাইফ বয়া নিয়ে পুকুরে খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে মারা গেছে।
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের আবাসনে মা মেঘলা আক্তারের সঙ্গে থাকত জিসান। তার মা ।
বুধবার (১৯ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে পান্তাপল্লী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, জন্মের পর থেকেই জিসানের আচরণ ছিল কিছুটা অস্বাভাবিক। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সে আরও চঞ্চল ও অনিয়ন্ত্রিত হয়ে ওঠে। প্রায়ই কাউকে কিছু না বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেত। দূরে কোথাও গিয়ে ঘুমিয়ে পড়লে পরে নিজে থেকে বাড়ি ফিরতে পারত না। এ কারণে পরিবারের সদস্যদের সবসময় তাকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকতে হতো।
জিসানের মা মেঘলা আক্তার বলেন, ওকে ছেড়ে দিলে কোথায় চলে যায় কোনো ঠিক থাকে না। আমি গরিব মানুষ, সারাক্ষণ ওর পেছনে থাকা সম্ভব হয় না। স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর কাজ করে সংসার চালাই। তাই বাধ্য হয়েই পায়ে রশি দিয়ে রাখতাম, যেন চোখের সামনে থাকে।
পরিবারের ভাষ্য, জিসানের বাবা অনেক আগেই তাদের ছেড়ে চলে গেছেন। বর্তমানে মায়ের সামান্য আয়ে কোনো রকমে সংসার চলে। উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হলেও অর্থের অভাবে তা করাতে পারেননি তারা।
এদিকে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) কারিতাসের পক্ষ থেকে চরমোন্তাজ এলাকায় জেলেদের জীবন রক্ষায় লাইফ বয়া বিতরণ করা হয়। ঘটনার দিন সকালে জিসানের মা গলাচিপায় চিকিৎসকের কাছে গেলে তাকে খাবার খাওয়ানোর পর খেলতে দেওয়া হয়। এ সময় জিসান ওই লাইফ বয়া নিয়ে খেলতে খেলতে বাড়ির পাশের পুকুরে যায়। একপর্যায়ে তার হাত থেকে লাইফ বয়া ছুটে গেলে সে পানিতে ডুবে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজতে গিয়ে পানিতে লাইফ বয়াটি ভাসতে দেখেন। এরপর পানিতে তল্লাশি চালিয়ে জিসানকে উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
জিসানের নানি বলেন, ভালো চিকিৎসা করাতে পারলে হয়ত জিসান স্বাভাবিক হতে পারত। কিন্তু আমাদের সেই সামর্থ্য নেই। সরকার বা সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এলে শিশুটার জীবন বদলে যেতে পারত।
চরমোন্তাজ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. বেল্লাল হোসেন বলেন, আমরা ঘটনাটি জানতে পেরেছি। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের আবাসনে মা মেঘলা আক্তারের সঙ্গে থাকত জিসান। তার মা ।
বুধবার (১৯ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে পান্তাপল্লী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, জন্মের পর থেকেই জিসানের আচরণ ছিল কিছুটা অস্বাভাবিক। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সে আরও চঞ্চল ও অনিয়ন্ত্রিত হয়ে ওঠে। প্রায়ই কাউকে কিছু না বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেত। দূরে কোথাও গিয়ে ঘুমিয়ে পড়লে পরে নিজে থেকে বাড়ি ফিরতে পারত না। এ কারণে পরিবারের সদস্যদের সবসময় তাকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকতে হতো।
জিসানের মা মেঘলা আক্তার বলেন, ওকে ছেড়ে দিলে কোথায় চলে যায় কোনো ঠিক থাকে না। আমি গরিব মানুষ, সারাক্ষণ ওর পেছনে থাকা সম্ভব হয় না। স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর কাজ করে সংসার চালাই। তাই বাধ্য হয়েই পায়ে রশি দিয়ে রাখতাম, যেন চোখের সামনে থাকে।
পরিবারের ভাষ্য, জিসানের বাবা অনেক আগেই তাদের ছেড়ে চলে গেছেন। বর্তমানে মায়ের সামান্য আয়ে কোনো রকমে সংসার চলে। উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হলেও অর্থের অভাবে তা করাতে পারেননি তারা।
এদিকে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) কারিতাসের পক্ষ থেকে চরমোন্তাজ এলাকায় জেলেদের জীবন রক্ষায় লাইফ বয়া বিতরণ করা হয়। ঘটনার দিন সকালে জিসানের মা গলাচিপায় চিকিৎসকের কাছে গেলে তাকে খাবার খাওয়ানোর পর খেলতে দেওয়া হয়। এ সময় জিসান ওই লাইফ বয়া নিয়ে খেলতে খেলতে বাড়ির পাশের পুকুরে যায়। একপর্যায়ে তার হাত থেকে লাইফ বয়া ছুটে গেলে সে পানিতে ডুবে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজতে গিয়ে পানিতে লাইফ বয়াটি ভাসতে দেখেন। এরপর পানিতে তল্লাশি চালিয়ে জিসানকে উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
জিসানের নানি বলেন, ভালো চিকিৎসা করাতে পারলে হয়ত জিসান স্বাভাবিক হতে পারত। কিন্তু আমাদের সেই সামর্থ্য নেই। সরকার বা সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এলে শিশুটার জীবন বদলে যেতে পারত।
চরমোন্তাজ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. বেল্লাল হোসেন বলেন, আমরা ঘটনাটি জানতে পেরেছি। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।