নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার বিভিন্ন খাল-বিলে নিষিদ্ধ ‘চায়না দুয়ারী’ বা রিং জাল দিয়ে নির্বিচারে মাছ শিকার বন্ধে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা মৎস্য অফিস। অভিযানে প্রায় ২৫ থেকে ৩০টি চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) উপজেলার সদর ইউনিয়নের ফতেজঙ্গপুর ও আবাদপুর বিলের বিভিন্ন মাঠ ও খালে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য অফিস, থানা পুলিশ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সোমবার (১৭ আগস্ট) সরেজমিনে ওই এলাকার বিভিন্ন ছোট খালে চায়না দুয়ারী জাল দিয়ে অবাধে মাছ ধরার দৃশ্য দেখা যায়। স্থানীয়দের ব্যবহৃত এসব জালে দেশীয় প্রজাতির ছোট-বড় সব ধরনের মাছ আটকা পড়ছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে মাছের প্রজনন বৃদ্ধি পাওয়ায় এ ধরনের জালের ব্যবহার বেড়ে যায় বলে স্থানীয়রা জানান।
জেলেদের অভিযোগ, চায়না দুয়ারী জালে খালের প্রায় সব ধরনের মাছ ছেঁকে ওঠে। ফলে একদিকে যেমন দেশীয় মাছের প্রজনন ও বংশবিস্তার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে ভবিষ্যতে স্থানীয় জলাশয়গুলো মাছশূন্য হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বদলগাছী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শিল্পী রায় বলেন, মৎস্য অধিদপ্তরের আইনে চায়না দুয়ারী জাল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ ধরনের জাল জলজ জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। জালের ব্যবহার বন্ধে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, এই জালের ব্যবহার শূন্যের কোটায় নিয়ে যেতে মৎস্য অধিদপ্তর কাজ করে যাচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইশরাত জাহান ছনি বলেন, চায়না দুয়ারী জাল বন্ধে একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। নিষিদ্ধ এ জালের ব্যবহার বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইশরাত জাহান ছনি, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শিল্পী রায়, মৎস্য অফিসের কর্মকর্তারা, থানা পুলিশের সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মীরা।
বুধবার (১৯ আগস্ট) উপজেলার সদর ইউনিয়নের ফতেজঙ্গপুর ও আবাদপুর বিলের বিভিন্ন মাঠ ও খালে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য অফিস, থানা পুলিশ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সোমবার (১৭ আগস্ট) সরেজমিনে ওই এলাকার বিভিন্ন ছোট খালে চায়না দুয়ারী জাল দিয়ে অবাধে মাছ ধরার দৃশ্য দেখা যায়। স্থানীয়দের ব্যবহৃত এসব জালে দেশীয় প্রজাতির ছোট-বড় সব ধরনের মাছ আটকা পড়ছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে মাছের প্রজনন বৃদ্ধি পাওয়ায় এ ধরনের জালের ব্যবহার বেড়ে যায় বলে স্থানীয়রা জানান।
জেলেদের অভিযোগ, চায়না দুয়ারী জালে খালের প্রায় সব ধরনের মাছ ছেঁকে ওঠে। ফলে একদিকে যেমন দেশীয় মাছের প্রজনন ও বংশবিস্তার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে ভবিষ্যতে স্থানীয় জলাশয়গুলো মাছশূন্য হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বদলগাছী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শিল্পী রায় বলেন, মৎস্য অধিদপ্তরের আইনে চায়না দুয়ারী জাল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ ধরনের জাল জলজ জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। জালের ব্যবহার বন্ধে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, এই জালের ব্যবহার শূন্যের কোটায় নিয়ে যেতে মৎস্য অধিদপ্তর কাজ করে যাচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইশরাত জাহান ছনি বলেন, চায়না দুয়ারী জাল বন্ধে একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। নিষিদ্ধ এ জালের ব্যবহার বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইশরাত জাহান ছনি, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শিল্পী রায়, মৎস্য অফিসের কর্মকর্তারা, থানা পুলিশের সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মীরা।