জনসেবার জন্য প্রশাসন-এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে সাধারণ মানুষের সমস্যা সরাসরি শুনে সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছে রাজশাহী জেলা প্রশাসন। প্রতি বুধবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষের কথা শুনছেন জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। তাৎক্ষণিকভাবে সহযোগিতা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন গণশুনানিতে আসা সাধারণ মানুষ।
বুধবার সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে জমিজমা সংক্রান্ত জটিলতা, চিকিৎসা ব্যয়, চিকিৎসা ভাতা, শিক্ষাভাতা, ঘর মেরামতসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত ও সামাজিক সমস্যা নিয়ে উপস্থিত হন নাগরিকরা।
গণশুনানিতে জেলা প্রশাসক মনোযোগ দিয়ে মানুষের সমস্যার কথা শোনেন। যেসব বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে, সেসব ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
স্বামীর চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা চাইতে গণশুনানিতে আসেন শামীমা সুলতানা। তিনি বলেন, আমি ভাবতেই পারিনি এত সহজে ডিসি সাহেবের সঙ্গে দেখা করা যায়। তিনি আমার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং আমার স্বামীর চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিক সহযোগিতা করেছেন।
নিজের বসতঘরের সমস্যা নিয়ে আসেন মোঃ শাহজাহান আলী। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে ঘরের বিভিন্ন স্থান দিয়ে পানি পড়ছিল। বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করেও সমাধান না পেয়ে গণশুনানিতে বিষয়টি জানান। পরে তার ঘর মেরামতের জন্য সহযোগিতার ব্যবস্থা করা হয়।
এদিকে বই কেনার জন্য সহযোগিতা চাইতে আসে এক শিক্ষার্থী। নিজের সমস্যার কথা জেলা প্রশাসককে জানালে তাকে বই কেনার জন্য সহযোগিতা দেওয়া হয়। ওই শিক্ষার্থী বলে, আমি বইয়ের জন্য এসেছিলাম। ভাবতেই পারিনি স্যার আমার কথা শুনে সহযোগিতা করবেন।
গণশুনানিতে আসা মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জেলা প্রশাসকের কাছে সরাসরি নিজেদের সমস্যার কথা বলতে পারায় তারা স্বস্তি পাচ্ছেন। একই সঙ্গে দ্রুত সহযোগিতা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ায় প্রশাসনের প্রতি তাদের আস্থাও বাড়ছে।
জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের মূল দায়িত্ব হলো সাধারণ মানুষের সেবা নিশ্চিত করা। কোনো মানুষ সমস্যা নিয়ে প্রশাসনের কাছে এলে তার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং বিধি অনুযায়ী যতটা সম্ভব দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রশাসনের দায়িত্ব।
তিনি আরও বলেন, গণশুনানির মাধ্যমে মানুষ সরাসরি তাদের সমস্যার কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন। মানুষের ভোগান্তি কমিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে জনসেবা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
গণশুনানিতে আসা সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, প্রশাসনের এ উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং সরকারি সেবা পেতে তাদের হয়রানি ও ভোগান্তি আরও কমবে।
গণশুনানিতে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল হাইসহ জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বুধবার সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে জমিজমা সংক্রান্ত জটিলতা, চিকিৎসা ব্যয়, চিকিৎসা ভাতা, শিক্ষাভাতা, ঘর মেরামতসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত ও সামাজিক সমস্যা নিয়ে উপস্থিত হন নাগরিকরা।
গণশুনানিতে জেলা প্রশাসক মনোযোগ দিয়ে মানুষের সমস্যার কথা শোনেন। যেসব বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে, সেসব ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
স্বামীর চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা চাইতে গণশুনানিতে আসেন শামীমা সুলতানা। তিনি বলেন, আমি ভাবতেই পারিনি এত সহজে ডিসি সাহেবের সঙ্গে দেখা করা যায়। তিনি আমার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং আমার স্বামীর চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিক সহযোগিতা করেছেন।
নিজের বসতঘরের সমস্যা নিয়ে আসেন মোঃ শাহজাহান আলী। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে ঘরের বিভিন্ন স্থান দিয়ে পানি পড়ছিল। বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করেও সমাধান না পেয়ে গণশুনানিতে বিষয়টি জানান। পরে তার ঘর মেরামতের জন্য সহযোগিতার ব্যবস্থা করা হয়।
এদিকে বই কেনার জন্য সহযোগিতা চাইতে আসে এক শিক্ষার্থী। নিজের সমস্যার কথা জেলা প্রশাসককে জানালে তাকে বই কেনার জন্য সহযোগিতা দেওয়া হয়। ওই শিক্ষার্থী বলে, আমি বইয়ের জন্য এসেছিলাম। ভাবতেই পারিনি স্যার আমার কথা শুনে সহযোগিতা করবেন।
গণশুনানিতে আসা মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জেলা প্রশাসকের কাছে সরাসরি নিজেদের সমস্যার কথা বলতে পারায় তারা স্বস্তি পাচ্ছেন। একই সঙ্গে দ্রুত সহযোগিতা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ায় প্রশাসনের প্রতি তাদের আস্থাও বাড়ছে।
জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের মূল দায়িত্ব হলো সাধারণ মানুষের সেবা নিশ্চিত করা। কোনো মানুষ সমস্যা নিয়ে প্রশাসনের কাছে এলে তার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং বিধি অনুযায়ী যতটা সম্ভব দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রশাসনের দায়িত্ব।
তিনি আরও বলেন, গণশুনানির মাধ্যমে মানুষ সরাসরি তাদের সমস্যার কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন। মানুষের ভোগান্তি কমিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে জনসেবা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
গণশুনানিতে আসা সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, প্রশাসনের এ উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং সরকারি সেবা পেতে তাদের হয়রানি ও ভোগান্তি আরও কমবে।
গণশুনানিতে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল হাইসহ জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।