নওগাঁর মান্দায় আত্রাই নদীর বুড়িদহ অভয়াশ্রমে কারেন্ট জাল দিয়ে অবৈধভাবে মাছ শিকারের অপরাধে সুকুমার নামে এক ব্যক্তিকে ১০ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট)। একই সাথে অভিযানকালে জব্দকৃত বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল ও বড়শি ঘটনাস্থলেই পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
গত বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে আত্রাই নদীর বুড়িদহ অভয়াশ্রমে এই বিশেষ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। সাজাপ্রাপ্ত সুকুমার উপজেলার ছোট বেলালদহ গ্রামের বাসিন্দা।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নদীর মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও অভয়াশ্রমে অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধে বুধবার রাতে মান্দা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাবিল নওরোজ বৈশাখ-এর নেতৃত্বে বুড়িদহ অভয়াশ্রমে অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে নদী থেকে অবৈধ কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরা অবস্থায় সুকুমারকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরবর্তীতে 'মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০' অনুযায়ী অপরাধ স্বীকার করায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাবিল নওরোজ বৈশাখ অভিযুক্ত সুকুমারকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
অভিযানকালে নদী থেকে ১০টি রিংজাল, প্রায় ৫,০০০ মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল এবং বিপুল পরিমাণ লাইন ফিশার বড়শি জব্দ করা হয়। জব্দকৃত এসব জাল ও মাছ ধরার সরঞ্জামাদি জনসম্মুখে আগুন দিয়ে ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়।
অভিযান পরিচালনাকালে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন মান্দা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা দীপংকর পাল।
মান্দা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাবিল নওরোজ বৈশাখ জানান, নদীর প্রাকৃতিক মৎস্য সম্পদ ও অভয়াশ্রমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
গত বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে আত্রাই নদীর বুড়িদহ অভয়াশ্রমে এই বিশেষ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। সাজাপ্রাপ্ত সুকুমার উপজেলার ছোট বেলালদহ গ্রামের বাসিন্দা।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নদীর মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও অভয়াশ্রমে অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধে বুধবার রাতে মান্দা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাবিল নওরোজ বৈশাখ-এর নেতৃত্বে বুড়িদহ অভয়াশ্রমে অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে নদী থেকে অবৈধ কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরা অবস্থায় সুকুমারকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরবর্তীতে 'মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০' অনুযায়ী অপরাধ স্বীকার করায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাবিল নওরোজ বৈশাখ অভিযুক্ত সুকুমারকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
অভিযানকালে নদী থেকে ১০টি রিংজাল, প্রায় ৫,০০০ মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল এবং বিপুল পরিমাণ লাইন ফিশার বড়শি জব্দ করা হয়। জব্দকৃত এসব জাল ও মাছ ধরার সরঞ্জামাদি জনসম্মুখে আগুন দিয়ে ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়।
অভিযান পরিচালনাকালে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন মান্দা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা দীপংকর পাল।
মান্দা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাবিল নওরোজ বৈশাখ জানান, নদীর প্রাকৃতিক মৎস্য সম্পদ ও অভয়াশ্রমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।