কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন এক নববিবাহিত যুবক। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ছিল তার বৌভাতের আয়োজন। তবে গভীর রাতে স্ট্যান্ড ফ্যান সরাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান আহমেদ আনাস বাপ্পি (২২)। এ ঘটনায় বিয়ের রাতেই বিধবা হয়েছেন তার নববধূ সাইরা খাতুন (১৮)।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে দৌলতপুর উপজেলার হোগলবাড়িয়া ইউনিয়নের গাছের দিয়াড় স্কুলপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আনাস ওই এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে। আর তার স্ত্রী সাইরা উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের বাহেরমাদি আলীনগর এলাকার সাইফুল ইসলামের মেয়ে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই মাস আগে আনাস ও সাইরার বিয়ে পড়ানো হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে নববধূ সাইরাকে আনাসের বাড়িতে তুলে আনা হয়। শুক্রবার দুপুরে তাদের বৌভাতের আয়োজন করা হয়েছিল।
বৌভাতকে কেন্দ্র করে বাড়িতে অতিথিদের খাবারের স্থান ও প্যান্ডেল তৈরির কাজ রাত পর্যন্ত চলছিল। আনাসও সেখানে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন কাজের তদারকি করছিলেন।
রাত আনুমানিক ২টার দিকে একটি স্ট্যান্ড ফ্যান সরাতে গিয়ে অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন আনাস। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আনাসের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তেই বিয়ের বাড়ির আনন্দ বিষাদে পরিণত হয়। কয়েক ঘণ্টা আগেও যে বাড়িতে ছিল বিয়ের আনন্দ আর অতিথিদের কোলাহল, রাত পেরোতেই সেখানে শুরু হয় স্বজনদের কান্না ও আহাজারি। স্বামীকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন নববধূ সাইরা।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মিলন হোসেন বলেন, স্ট্যান্ড ফ্যান থেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আনাসের মৃত্যু হয়েছে। প্রায় দুই মাস আগে তাদের বিয়ে পড়ানো হয়েছিল। বৃহস্পতিবার নববধূকে বাড়িতে আনা হয় এবং শুক্রবার বৌভাতের অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এর আগেই এমন মর্মান্তিক ঘটনায় সব আনন্দ মাটি হয়ে গেছে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি সার্বিকভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে দৌলতপুর উপজেলার হোগলবাড়িয়া ইউনিয়নের গাছের দিয়াড় স্কুলপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আনাস ওই এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে। আর তার স্ত্রী সাইরা উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের বাহেরমাদি আলীনগর এলাকার সাইফুল ইসলামের মেয়ে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই মাস আগে আনাস ও সাইরার বিয়ে পড়ানো হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে নববধূ সাইরাকে আনাসের বাড়িতে তুলে আনা হয়। শুক্রবার দুপুরে তাদের বৌভাতের আয়োজন করা হয়েছিল।
বৌভাতকে কেন্দ্র করে বাড়িতে অতিথিদের খাবারের স্থান ও প্যান্ডেল তৈরির কাজ রাত পর্যন্ত চলছিল। আনাসও সেখানে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন কাজের তদারকি করছিলেন।
রাত আনুমানিক ২টার দিকে একটি স্ট্যান্ড ফ্যান সরাতে গিয়ে অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন আনাস। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আনাসের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তেই বিয়ের বাড়ির আনন্দ বিষাদে পরিণত হয়। কয়েক ঘণ্টা আগেও যে বাড়িতে ছিল বিয়ের আনন্দ আর অতিথিদের কোলাহল, রাত পেরোতেই সেখানে শুরু হয় স্বজনদের কান্না ও আহাজারি। স্বামীকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন নববধূ সাইরা।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মিলন হোসেন বলেন, স্ট্যান্ড ফ্যান থেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আনাসের মৃত্যু হয়েছে। প্রায় দুই মাস আগে তাদের বিয়ে পড়ানো হয়েছিল। বৃহস্পতিবার নববধূকে বাড়িতে আনা হয় এবং শুক্রবার বৌভাতের অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এর আগেই এমন মর্মান্তিক ঘটনায় সব আনন্দ মাটি হয়ে গেছে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি সার্বিকভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।