টিনের চালে ঝরে পানি ৩০ বছরেও পায়নি সরকারি বরাদ্দ রাণীশংকৈলের ভাংবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়

আপলোড সময় : ২২-০৮-২০২৬ ০৫:৫১:৩৮ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২২-০৮-২০২৬ ০৫:৫১:৩৮ অপরাহ্ন
প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ তিন দশক পার হলেও ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার বাচোর ইউনিয়নের ভাংবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ে পৌঁছায়নি সরকারি কোনো বরাদ্দ। ১৯৯৫ সালে স্থানীয় শিক্ষার আলো ছড়াতে স্থাপিত এই বিদ্যালয়টি আজও অবহেলিত। জরাজীর্ণ টিনের চাল আর প্রয়োজনীয় শ্রেণীকক্ষের অভাবে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিত্যদিনের পড়াশোনা এখন চরম দুর্ভোগে পরিণত হয়েছে।
 
​বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত মোট ২০৬ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। রয়েছে ১০ জন শিক্ষক ও ৫ জন কর্মচারী। তবে পর্যাপ্ত অবকাঠামো না থাকায় পাঠদান কার্যক্রম চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন শিক্ষকরা। অবকাঠামোগত সংকট ও অবকাঠামো চাহিদা বর্তমানে পাঠদান চালাতে জরুরি ভিত্তিতে পাঁচটি শ্রেণীকক্ষ ও একটি অফিস কক্ষসহ মোট ছয়টি রুমের প্রয়োজন।নতুন ভবন না থাকায় পুরোনো টিনের ঘরে ক্লাস নিতে হয় তাদের । একটু বৃষ্টি হলেই টিনের চাল দিয়ে পানি পড়ে শ্রেণি কক্ষো। 
 
​বিজ্ঞান বিভাগের ব্যবহারিক ক্লাসের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও কমন রুম রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে।সুনির্দিষ্ট কোনো প্রাকৃতির কাজ বা শৌচাগার (টয়লেট) না থাকায় শিক্ষার্থী, বিশেষ করে ছাত্রীদের চরম বিপাকে পড়তে হয়। নেই কোনো সাধারণ বিশ্রামাগার।
 
সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকা সত্ত্বে ও থেমে নেই পড়াশোনা। সম্প্রতি প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষায় এই বিদ্যালয় থেকে ৪৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে ২৫ জন সফলতার সাথে কৃতকার্য হয়েছে। প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও এই ফলাফল প্রমাণ করে যে উপযুক্ত পরিবেশ পেলে এখানকার শিক্ষার্থীরা আরও ভালো সাফল্য উপহার দিতে সক্ষম।
 
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় অভিভাবকদের দাবি, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে অতি দ্রুত একটি নতুন ভবন নির্মাণ, প্রাচীর ওয়াল আধুনিক ওয়াশরুম ব্যবস্থা এবং বিজ্ঞানাগার সচল করার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কার্যকর হস্তক্ষেপ জরুরি।
বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জাহিদুর ইসলাম ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে জানান,প্রতিষ্ঠার পর থেকে শিক্ষার্থীরা ধারাবাহিক ভালো ফলাফল উপহার দিয়ে আসছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো,আজ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি সরকারি কোনো সুযোগ-সুবিধা বা অর্থ বরাদ্দ পায়নি। একটি উপযুক্ত ভবনের অভাবের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানে নেই কোনো ভালো টয়লেট। অত্যন্ত জরাজীর্ণ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাধ্য হয়ে শিক্ষার্থীদের শৌচাগার ব্যবহার করতে হচ্ছে। এড়াও অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার জন্য  পার্শ্ববর্তী প্রাইমারি স্কুল থেকে বেঞ্চ নিয়ে এসে  শিক্ষার্থীদের বসার ব্যবস্থা করতে হচ্ছে।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]