বয়স ৫৪। কিন্তু পর্দায় এখনও আগের মতোই প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয় বলিউড অভিনেত্রী তাবাসসুম ফাতিমা হাশমী, যিনি টাবু নামে অধিক পরিচিত। কীভাবে নিজেকে ফিট ও গ্ল্যামারাস রাখেন, সম্প্রতি সেই জীবনযাপনের কিছু বিষয় জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী।
তাবুর মতে, সুস্থ ও সুন্দর থাকার জন্য কোনো কঠিন নিয়ম বা কৃত্রিম পদ্ধতির প্রয়োজন নেই। বরং নিজের বয়স ও শরীরের প্রয়োজন বুঝে খাবার ও শরীরচর্চার মধ্যে ভারসাম্য রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
পরিমিত ও পুষ্টিকর খাবার
টাবু মনে করেন, খাবারের অভ্যাস ঠিক না থাকলে শুধু শরীরচর্চা করে সুস্থ থাকা কঠিন। তাই তিনি অস্বাস্থ্যকর ও জাঙ্ক খাবার এড়িয়ে চলেন। সাধারণ ও পুষ্টিকর খাবারই তার পছন্দ।
ভাত, রুটি বা অন্যান্য খাবার খেলেও পরিমাণের দিকে নজর রাখেন তিনি। নিজের হজমশক্তি ও শরীরের প্রয়োজন বুঝেই খাবার বেছে নেন। কঠোর কোনো খাদ্যতালিকাও অনুসরণ করেন না।
বয়স অনুযায়ী শরীরচর্চা
বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীরের স্বাভাবিক পরিবর্তনকে মেনে নেওয়ার পরামর্শ দেন টাবু। তার মতে, ২০ বছর বয়সে শরীর যেভাবে কাজ করে, ৪০ বা ৫০ বছর বয়সে সেভাবে কাজ করবে না। তাই বয়সের সঙ্গে মিল রেখে শরীরচর্চার ধরনও বদলানো প্রয়োজন।
টাবুর শরীরচর্চার মূল লক্ষ্য হলো শরীরকে অতিরিক্ত ক্লান্ত না করে সতেজ ও সক্রিয় রাখা।
নিয়মিত যোগব্যায়াম
টাবুর দৈনন্দিন জীবনে যোগব্যায়ামেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তার মতে, যোগব্যায়াম শরীরকে নমনীয় ও সুগঠিত রাখার পাশাপাশি মানসিক প্রশান্তি ও মনোযোগ বাড়াতেও সহায়ক।
তাই কঠোর শরীরচর্চার পরিবর্তে নিয়মিত যোগব্যায়ামের মাধ্যমে নিজেকে সুস্থ ও সক্রিয় রাখার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
টাবুর মতে সুস্থ ও আকর্ষণীয় থাকার মূলমন্ত্র হলো—নিজের শরীরকে বোঝা, পরিমিত ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, বয়স অনুযায়ী শরীরচর্চা করা এবং নিয়মিত যোগব্যায়াম করা। কঠোর নিয়মের চেয়ে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে ধারাবাহিকতাকেই বেশি গুরুত্ব দেন এই অভিনেত্রী।
তাবুর মতে, সুস্থ ও সুন্দর থাকার জন্য কোনো কঠিন নিয়ম বা কৃত্রিম পদ্ধতির প্রয়োজন নেই। বরং নিজের বয়স ও শরীরের প্রয়োজন বুঝে খাবার ও শরীরচর্চার মধ্যে ভারসাম্য রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
পরিমিত ও পুষ্টিকর খাবার
টাবু মনে করেন, খাবারের অভ্যাস ঠিক না থাকলে শুধু শরীরচর্চা করে সুস্থ থাকা কঠিন। তাই তিনি অস্বাস্থ্যকর ও জাঙ্ক খাবার এড়িয়ে চলেন। সাধারণ ও পুষ্টিকর খাবারই তার পছন্দ।
ভাত, রুটি বা অন্যান্য খাবার খেলেও পরিমাণের দিকে নজর রাখেন তিনি। নিজের হজমশক্তি ও শরীরের প্রয়োজন বুঝেই খাবার বেছে নেন। কঠোর কোনো খাদ্যতালিকাও অনুসরণ করেন না।
বয়স অনুযায়ী শরীরচর্চা
বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীরের স্বাভাবিক পরিবর্তনকে মেনে নেওয়ার পরামর্শ দেন টাবু। তার মতে, ২০ বছর বয়সে শরীর যেভাবে কাজ করে, ৪০ বা ৫০ বছর বয়সে সেভাবে কাজ করবে না। তাই বয়সের সঙ্গে মিল রেখে শরীরচর্চার ধরনও বদলানো প্রয়োজন।
টাবুর শরীরচর্চার মূল লক্ষ্য হলো শরীরকে অতিরিক্ত ক্লান্ত না করে সতেজ ও সক্রিয় রাখা।
নিয়মিত যোগব্যায়াম
টাবুর দৈনন্দিন জীবনে যোগব্যায়ামেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তার মতে, যোগব্যায়াম শরীরকে নমনীয় ও সুগঠিত রাখার পাশাপাশি মানসিক প্রশান্তি ও মনোযোগ বাড়াতেও সহায়ক।
তাই কঠোর শরীরচর্চার পরিবর্তে নিয়মিত যোগব্যায়ামের মাধ্যমে নিজেকে সুস্থ ও সক্রিয় রাখার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
টাবুর মতে সুস্থ ও আকর্ষণীয় থাকার মূলমন্ত্র হলো—নিজের শরীরকে বোঝা, পরিমিত ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, বয়স অনুযায়ী শরীরচর্চা করা এবং নিয়মিত যোগব্যায়াম করা। কঠোর নিয়মের চেয়ে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে ধারাবাহিকতাকেই বেশি গুরুত্ব দেন এই অভিনেত্রী।