সাতক্ষীরায় বিয়ের আশ্বাসে দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্কের পর একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক, গর্ভধারণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ উঠেছে প্রবাসী প্রেমিক মনিরুল ইসলামের উপর। সেই সঙ্গে বিয়ের স্বীকৃতি ও ন্যায়বিচারের দাবিতে অভিযুক্তের বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নেন ওই তরুণী।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) কলারোয়া উপজেলায় এই ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগকারী নারী কলারোয়া উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা। অভিযুক্ত মনিরুল ইসলাম একই উপজেলার কেড়াগাছি গ্রামের বাসিন্দা।
ওই নারী বলেন, মনিরুল আমাকে বিয়ে করবে বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন। তার কথায় বিশ্বাস করেই আমি সম্পর্কে জড়িয়েছি। এখন তিনি আমাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন। তাই বাধ্য হয়ে তার বাড়িতে এসেছি।
তার ভাষ্য, ২০২৫ সালের ২৪ মে সাতক্ষীরার একটি ক্লিনিকে পরীক্ষা করালে তার গর্ভধারণের বিষয়টি সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত হন। বিষয়টি জানাজানি হলে সামাজিকভাবে দুর্নাম হবে—এমন কথা বলে মনিরুল তাকে বিয়ের কথা বলেন।
পরে একটি ক্লিনিকে নিয়ে তার গর্ভপাত করানো হয়। এরপর মনিরুল বিয়ের প্রতিশ্রুতি থেকে সরে যান এবং একপর্যায়ে মালয়েশিয়ায় চলে যান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালে ওই নারীর বিয়ে হয়েছিল। তাদের সংসারে একটি মেয়ে আছে। ওই নারীর দাবি, মনিরুলের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি জানার পর তার স্বামী তাকে তালাক দিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে মনিরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার মা সুফিয়া বেগম অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
এদিকে স্যোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে ওই নারীকে মনিরুলের বাড়ির সামনে বসে সম্পর্কের বিষয়ে কথা বলতে দেখা যায়। সেখানে তিনি দাবি করেন, মনিরুলের সঙ্গে সম্পর্কের কারণে তার আগের সংসার ভেঙে গেছে। মনিরুল মালয়েশিয়ায় থাকাকালে ফোনে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। পরে দেশে এসেও যোগাযোগ রাখেন।
শুক্রবার মনিরুলের বাড়িতে অবস্থানের একপর্যায়ে ওই নারী আত্মহত্যার হুমকি দেন। এতে সেখানে উপস্থিত লোকজনের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। পরে মনিরুলের পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের ডেকে আনা হয়। তারা মনিরুল দেশে ফিরলে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিলে ওই নারী সেখান থেকে চলে যান।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে মনিরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার মা সুফিয়া বেগম অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
তার ভাষ্য, ওই নারী তাদের বাড়িতে এসেছিলেন। কিন্তু তার ছেলে বিদেশে থাকে। ওই নারীর সঙ্গে তার ছেলের কোনো সম্পর্ক নেই।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, বিষয়টি নিয়ে থানায় কেউ জানায়নি এবং কোনো অভিযোগও পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) কলারোয়া উপজেলায় এই ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগকারী নারী কলারোয়া উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা। অভিযুক্ত মনিরুল ইসলাম একই উপজেলার কেড়াগাছি গ্রামের বাসিন্দা।
ওই নারী বলেন, মনিরুল আমাকে বিয়ে করবে বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন। তার কথায় বিশ্বাস করেই আমি সম্পর্কে জড়িয়েছি। এখন তিনি আমাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন। তাই বাধ্য হয়ে তার বাড়িতে এসেছি।
তার ভাষ্য, ২০২৫ সালের ২৪ মে সাতক্ষীরার একটি ক্লিনিকে পরীক্ষা করালে তার গর্ভধারণের বিষয়টি সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত হন। বিষয়টি জানাজানি হলে সামাজিকভাবে দুর্নাম হবে—এমন কথা বলে মনিরুল তাকে বিয়ের কথা বলেন।
পরে একটি ক্লিনিকে নিয়ে তার গর্ভপাত করানো হয়। এরপর মনিরুল বিয়ের প্রতিশ্রুতি থেকে সরে যান এবং একপর্যায়ে মালয়েশিয়ায় চলে যান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালে ওই নারীর বিয়ে হয়েছিল। তাদের সংসারে একটি মেয়ে আছে। ওই নারীর দাবি, মনিরুলের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি জানার পর তার স্বামী তাকে তালাক দিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে মনিরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার মা সুফিয়া বেগম অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
এদিকে স্যোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে ওই নারীকে মনিরুলের বাড়ির সামনে বসে সম্পর্কের বিষয়ে কথা বলতে দেখা যায়। সেখানে তিনি দাবি করেন, মনিরুলের সঙ্গে সম্পর্কের কারণে তার আগের সংসার ভেঙে গেছে। মনিরুল মালয়েশিয়ায় থাকাকালে ফোনে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। পরে দেশে এসেও যোগাযোগ রাখেন।
শুক্রবার মনিরুলের বাড়িতে অবস্থানের একপর্যায়ে ওই নারী আত্মহত্যার হুমকি দেন। এতে সেখানে উপস্থিত লোকজনের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। পরে মনিরুলের পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের ডেকে আনা হয়। তারা মনিরুল দেশে ফিরলে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিলে ওই নারী সেখান থেকে চলে যান।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে মনিরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার মা সুফিয়া বেগম অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
তার ভাষ্য, ওই নারী তাদের বাড়িতে এসেছিলেন। কিন্তু তার ছেলে বিদেশে থাকে। ওই নারীর সঙ্গে তার ছেলের কোনো সম্পর্ক নেই।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, বিষয়টি নিয়ে থানায় কেউ জানায়নি এবং কোনো অভিযোগও পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।