রুপোলি পর্দায় বেশির ভাগ প্রেমের গল্প শেষ হয় বিয়েতে। নায়ক-নায়িকার চার হাত এক হওয়ার পরেই যেন ‘হ্যাপি এন্ডিং’। কিন্তু বাস্তব জীবন তো সিনেমার চিত্রনাট্য মেনে চলে না। বলিউডের প্রায় সকল তারকার জীবনেই বিয়ের প্রস্তাব এসেছে, সম্পর্কও তৈরি হয়েছে। তবু শেষপর্যন্ত তাঁরা বেছে নিয়েছেন অন্য পথ। কারও কাছে কেরিয়ার, কারও কাছে স্বাধীনতা, আবার কারও কাছে নিজের মতো করে বেঁচে থাকাই হয়ে উঠেছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
‘কহো না প্যায়ার হ্যায়’-এর সাফল্যের পর অমীষা পটেলের নাম রাতারাতি পৌঁছে গিয়েছিল ঘরে ঘরে। পর্দায় প্রেমের দৃশ্যে যতই সাবলীল হোন, বাস্তবজীবনে বিয়ের সিদ্ধান্তে তিনি বরাবরই নিজের শর্তে চলেছেন। এমন প্রস্তাবও এসেছে, যেখানে বিয়ের পর অভিনয় ছেড়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। অমীষার উত্তর ছিল স্পষ্ট— নিজের পেশা ছেড়ে দিয়ে বিয়ে নয়।
‘কহো না প্যায়ার হ্যায়’-এর সাফল্যের পর অমীষা পটেলের নাম রাতারাতি পৌঁছে গিয়েছিল ঘরে ঘরে। পর্দায় প্রেমের দৃশ্যে যতই সাবলীল হোন, বাস্তবজীবনে বিয়ের সিদ্ধান্তে তিনি বরাবরই নিজের শর্তে চলেছেন। এমন প্রস্তাবও এসেছে, যেখানে বিয়ের পর অভিনয় ছেড়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। অমীষার উত্তর ছিল স্পষ্ট— নিজের পেশা ছেড়ে দিয়ে বিয়ে নয়।
বয়স বাড়লেই যে বিয়ের প্রস্তাব আসা থেমে যায়, অমীষার জীবন তার উল্টো উদাহরণ। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, এখনও তাঁর কাছে বিয়ের প্রস্তাব আসে। এমনকি তাঁর চেয়ে বয়সে অনেক ছোট পুরুষও তাঁকে ‘ডেট’-এর প্রস্তাব দিয়েছেন। অর্থাৎ অমীষার ‘না’ বিয়ের বিরুদ্ধে নয়; বরং ভুল শর্তে, ভুল মানুষের সঙ্গে বিয়ের বিরুদ্ধে।
বয়স বাড়লেই যে বিয়ের প্রস্তাব আসা থেমে যায়, অমীষার জীবন তার উল্টো উদাহরণ। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, এখনও তাঁর কাছে বিয়ের প্রস্তাব আসে। এমনকি তাঁর চেয়ে বয়সে অনেক ছোট পুরুষও তাঁকে ‘ডেট’-এর প্রস্তাব দিয়েছেন। অর্থাৎ অমীষার ‘না’ বিয়ের বিরুদ্ধে নয়; বরং ভুল শর্তে, ভুল মানুষের সঙ্গে বিয়ের বিরুদ্ধে।
দুই কন্যাসন্তানের মা। এখনও বিয়ের পিঁড়িতে বসেননি সুস্মিতা সেন। কিন্তু পরিবার গড়তে তাঁর কোনও খামতি ছিল না। দুই কন্যাকে দত্তক নিয়ে নিজের মতো করে সংসার সাজিয়েছেন অভিনেত্রী। প্রেম এসেছে, সম্পর্ক এসেছে, ভেঙেও গিয়েছে। কিন্তু বিয়েকে জীবনের অপরিহার্য শর্ত বলে মেনে নেননি তিনি।
দুই কন্যাসন্তানের মা। এখনও বিয়ের পিঁড়িতে বসেননি সুস্মিতা সেন। কিন্তু পরিবার গড়তে তাঁর কোনও খামতি ছিল না। দুই কন্যাকে দত্তক নিয়ে নিজের মতো করে সংসার সাজিয়েছেন অভিনেত্রী। প্রেম এসেছে, সম্পর্ক এসেছে, ভেঙেও গিয়েছে। কিন্তু বিয়েকে জীবনের অপরিহার্য শর্ত বলে মেনে নেননি তিনি।
সুস্মিতার জীবনে একাধিক সম্পর্ক নিয়ে কম আলোচনা হয়নি। কখনও ক্রিকেটার, কখনও ব্যবসায়ী-শিল্পপতি— নানা সময়ে তাঁর নাম জড়িয়েছে বিভিন্ন পুরুষের সঙ্গে। কিন্তু কোনও সম্পর্কই শেষপর্যন্ত বিয়ের দিকে গড়ায়নি। তবু অভিনেত্রীকে কখনও নিজের জীবন নিয়ে অনুতপ্ত বলে মনে হয়নি। বরং নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে বরাবরই স্বচ্ছন্দ তিনি।
সুস্মিতার জীবনে একাধিক সম্পর্ক নিয়ে কম আলোচনা হয়নি। কখনও ক্রিকেটার, কখনও ব্যবসায়ী-শিল্পপতি— নানা সময়ে তাঁর নাম জড়িয়েছে বিভিন্ন পুরুষের সঙ্গে। কিন্তু কোনও সম্পর্কই শেষপর্যন্ত বিয়ের দিকে গড়ায়নি। তবু অভিনেত্রীকে কখনও নিজের জীবন নিয়ে অনুতপ্ত বলে মনে হয়নি। বরং নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে বরাবরই স্বচ্ছন্দ তিনি।
তাঁর অভিনয় নিয়ে যত কথা হয়েছে, ব্যক্তিজীবন নিয়ে ততটাই রহস্য। তব্বু বিয়ে করেননি। সম্পর্কের গুঞ্জন অবশ্য তাঁর পিছু ছাড়েনি। নাগার্জুনের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতার কথা বহু বছর ধরে আলোচনায়। কিন্তু সেই সম্পর্কও পরিণতি পায়নি। তব্বু অবশ্য কখনও নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে প্রকাশ্য আলোচনার বিষয় বানাতে চাননি।
তাঁর অভিনয় নিয়ে যত কথা হয়েছে, ব্যক্তিজীবন নিয়ে ততটাই রহস্য। তব্বু বিয়ে করেননি। সম্পর্কের গুঞ্জন অবশ্য তাঁর পিছু ছাড়েনি। নাগার্জুনের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতার কথা বহু বছর ধরে আলোচনায়। কিন্তু সেই সম্পর্কও পরিণতি পায়নি। তব্বু অবশ্য কখনও নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে প্রকাশ্য আলোচনার বিষয় বানাতে চাননি।
তব্বুর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বেশ কিছু মজার ঘটনাও রয়েছে। তাঁর ছবি দেখে ভক্তেরা প্রকাশ্যেই তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন। কেউ মজা করে, কেউ আবার বেশ গুরুগম্ভীর ভঙ্গিতে। কিন্তু তব্বুর ব্যক্তিজীবনে ‘সিঙ্গল’ পরিচয়টাই থেকে গিয়েছে। রুপোলি পর্দায় শত প্রেমের গল্পের নায়িকা হলেও বাস্তব জীবনে নিজের গল্পটা তিনি নিজের কাছেই রেখেছেন।
তব্বুর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বেশ কিছু মজার ঘটনাও রয়েছে। তাঁর ছবি দেখে ভক্তেরা প্রকাশ্যেই তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন। কেউ মজা করে, কেউ আবার বেশ গুরুগম্ভীর ভঙ্গিতে। কিন্তু তব্বুর ব্যক্তিজীবনে ‘সিঙ্গল’ পরিচয়টাই থেকে গিয়েছে। রুপোলি পর্দায় শত প্রেমের গল্পের নায়িকা হলেও বাস্তব জীবনে নিজের গল্পটা তিনি নিজের কাছেই রেখেছেন।
ষাট-সত্তরের দশকে বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা আশা পারেখ। পর্দায় তাঁর সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন বহু নায়ক। বাস্তব জীবনেও এসেছিল প্রেম। পরিচালক নসীর হুসেনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল গভীর। কিন্তু নসীর বিবাহিত হওয়ায় তাঁর সংসার ভাঙার পথে হাঁটেননি আশা। প্রেমকে মেনে নিয়েছিলেন, কিন্তু বিয়েকে নয়।
ষাট-সত্তরের দশকে বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা আশা পারেখ। পর্দায় তাঁর সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন বহু নায়ক। বাস্তব জীবনেও এসেছিল প্রেম। পরিচালক নসীর হুসেনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল গভীর। কিন্তু নসীর বিবাহিত হওয়ায় তাঁর সংসার ভাঙার পথে হাঁটেননি আশা। প্রেমকে মেনে নিয়েছিলেন, কিন্তু বিয়েকে নয়।
শুধু প্রেমের সম্পর্ক নয়, বিয়ের কথাও উঠেছিল আশার জীবনে। এক আমেরিকা নিবাসী ভারতীয় অধ্যাপকের সঙ্গে তাঁর বিয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু শেষপর্যন্ত সেই সম্পর্কও টেকেনি। পরে সম্বন্ধ দেখার চেষ্টা হয়েছিল। তবে কোনওটিই চার হাত এক হওয়ার জায়গায় পৌঁছোয়নি। আশার নিজের কথায়, জীবনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁর কোনও আফসোস নেই।
শুধু প্রেমের সম্পর্ক নয়, বিয়ের কথাও উঠেছিল আশার জীবনে। এক আমেরিকা নিবাসী ভারতীয় অধ্যাপকের সঙ্গে তাঁর বিয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু শেষপর্যন্ত সেই সম্পর্কও টেকেনি। পরে সম্বন্ধ দেখার চেষ্টা হয়েছিল। তবে কোনওটিই চার হাত এক হওয়ার জায়গায় পৌঁছোয়নি। আশার নিজের কথায়, জীবনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁর কোনও আফসোস নেই।
অভিনেত্রী দিব্যা দত্ত যখন মাত্র ১৯ বছরের তরুণী, তখনই তাঁর বাড়িতে এসেছিল বিয়ের প্রস্তাব। পাত্র আমেরিকায় প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসক। পরিবারের চোখে প্রস্তাবটি যথেষ্ট ভাল। কিন্তু দিব্যার চোখে তখন অন্য স্বপ্ন— অভিনয়। এত অল্প বয়সে বিয়ে করে সেই স্বপ্নের উড়ান থামিয়ে দিতে চাননি তিনি।
অভিনেত্রী দিব্যা দত্ত যখন মাত্র ১৯ বছরের তরুণী, তখনই তাঁর বাড়িতে এসেছিল বিয়ের প্রস্তাব। পাত্র আমেরিকায় প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসক। পরিবারের চোখে প্রস্তাবটি যথেষ্ট ভাল। কিন্তু দিব্যার চোখে তখন অন্য স্বপ্ন— অভিনয়। এত অল্প বয়সে বিয়ে করে সেই স্বপ্নের উড়ান থামিয়ে দিতে চাননি তিনি।
দিব্যার আত্মজীবনীতে উঠে এসেছে সেই সময়ের কথা। পরিবারের তরফে বিয়ের কথা ভাবা হলেও শেষপর্যন্ত তাঁর মা-ই প্রস্তাবটি নাকচ করে দেন। মেয়ের অভিনয়ের স্বপ্নকে তিনি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। আর সেই সিদ্ধান্তই হয়তো দিব্যার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। পরবর্তী সময়ে অভিনয়ের জগতেই তৈরি করেন নিজের আলাদা পরিচয়।
দিব্যার আত্মজীবনীতে উঠে এসেছে সেই সময়ের কথা। পরিবারের তরফে বিয়ের কথা ভাবা হলেও শেষপর্যন্ত তাঁর মা-ই প্রস্তাবটি নাকচ করে দেন। মেয়ের অভিনয়ের স্বপ্নকে তিনি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। আর সেই সিদ্ধান্তই হয়তো দিব্যার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। পরবর্তী সময়ে অভিনয়ের জগতেই তৈরি করেন নিজের আলাদা পরিচয়।
বিয়ে, প্রেমের বিষয়ে সলমন খানকে বাদ দেওয়া কঠিন। তাঁর জীবনে প্রেম এসেছে একাধিক। বিয়ের প্রশ্নও তাই বার বার ফিরে এসেছে। প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে ভক্তদের কাছ থেকেও এসেছে সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব। সলমন অবশ্য হাসি-ঠাট্টায় সেই প্রশ্ন সামলেছেন। বিয়ে? সে উত্তর এখনও যেন তাঁর কাছেই রাখা।
বিয়ে, প্রেমের বিষয়ে সলমন খানকে বাদ দেওয়া কঠিন। তাঁর জীবনে প্রেম এসেছে একাধিক। বিয়ের প্রশ্নও তাই বার বার ফিরে এসেছে। প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে ভক্তদের কাছ থেকেও এসেছে সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব। সলমন অবশ্য হাসি-ঠাট্টায় সেই প্রশ্ন সামলেছেন। বিয়ে? সে উত্তর এখনও যেন তাঁর কাছেই রাখা।
একটি অনুষ্ঠানে এক তরুণী সলমনকে সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব দেন। সলমনও নিজের স্বভাবসিদ্ধ রসিকতায় উত্তর দেন। জানান, প্রস্তাবটি যদি আরও বছর কুড়ি আগে আসত, তা হলে হয়তো ভাবা যেত! কিন্তু এই মজার ঘটনার আড়ালেও থেকে যায় সেই একই প্রশ্ন— এত বছর পরেও কেন বিয়ে করলেন না সলমন? উত্তর কারও জানা নেই।
একটি অনুষ্ঠানে এক তরুণী সলমনকে সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব দেন। সলমনও নিজের স্বভাবসিদ্ধ রসিকতায় উত্তর দেন। জানান, প্রস্তাবটি যদি আরও বছর কুড়ি আগে আসত, তা হলে হয়তো ভাবা যেত! কিন্তু এই মজার ঘটনার আড়ালেও থেকে যায় সেই একই প্রশ্ন— এত বছর পরেও কেন বিয়ে করলেন না সলমন? উত্তর কারও জানা নেই।
এই তারকাদের গল্প এক ছাঁচে ফেলা যায় না। কারও কাছে কেরিয়ার পেয়েছে অগ্রাধিকার, কেউ নিজের স্বাধীনতা ছাড়তে চাননি। কেউ আবার এমন সম্পর্কের মধ্যে যেতে চাননি, যেখানে নিজের সিদ্ধান্তের মান থাকবে না। তাই বিয়ে হয়নি মানেই জীবন অসম্পূর্ণ— এমন ধারণা তাঁদের গল্পের সঙ্গে একেবারেই খাপ খায় না।
এই তারকাদের গল্প এক ছাঁচে ফেলা যায় না। কারও কাছে কেরিয়ার পেয়েছে অগ্রাধিকার, কেউ নিজের স্বাধীনতা ছাড়তে চাননি। কেউ আবার এমন সম্পর্কের মধ্যে যেতে চাননি, যেখানে নিজের সিদ্ধান্তের মান থাকবে না। তাই বিয়ে হয়নি মানেই জীবন অসম্পূর্ণ— এমন ধারণা তাঁদের গল্পের সঙ্গে একেবারেই খাপ খায় না।
রুপোলি পর্দায় প্রেমের গল্পের শেষটা যতই বাঁধা ছকে লেখা হোক, বাস্তবের জীবন তার চেয়ে অনেক বেশি জটিল। অমীষা, সুস্মিতা, তব্বু, আশা পারেখ বা দিব্যা দত্ত— প্রত্যেকের পথ আলাদা। কেউ বিয়েকে ‘না’ বলেছেন, কেউ সময়কে ‘না’ বলেছেন, কেউ পরিস্থিতিকে। কিন্তু শেষপর্যন্ত তাঁরা সকলেই একটি জায়গায় এক— নিজের জীবনের চিত্রনাট্যটা অন্য কারও হাতে তুলে দেননি।
রুপোলি পর্দায় প্রেমের গল্পের শেষটা যতই বাঁধা ছকে লেখা হোক, বাস্তবের জীবন তার চেয়ে অনেক বেশি জটিল। অমীষা, সুস্মিতা, তব্বু, আশা পারেখ বা দিব্যা দত্ত— প্রত্যেকের পথ আলাদা। কেউ বিয়েকে ‘না’ বলেছেন, কেউ সময়কে ‘না’ বলেছেন, কেউ পরিস্থিতিকে। কিন্তু শেষপর্যন্ত তাঁরা সকলেই একটি জায়গায় এক— নিজের জীবনের চিত্রনাট্যটা অন্য কারও হাতে তুলে দেননি।
‘কহো না প্যায়ার হ্যায়’-এর সাফল্যের পর অমীষা পটেলের নাম রাতারাতি পৌঁছে গিয়েছিল ঘরে ঘরে। পর্দায় প্রেমের দৃশ্যে যতই সাবলীল হোন, বাস্তবজীবনে বিয়ের সিদ্ধান্তে তিনি বরাবরই নিজের শর্তে চলেছেন। এমন প্রস্তাবও এসেছে, যেখানে বিয়ের পর অভিনয় ছেড়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। অমীষার উত্তর ছিল স্পষ্ট— নিজের পেশা ছেড়ে দিয়ে বিয়ে নয়।
‘কহো না প্যায়ার হ্যায়’-এর সাফল্যের পর অমীষা পটেলের নাম রাতারাতি পৌঁছে গিয়েছিল ঘরে ঘরে। পর্দায় প্রেমের দৃশ্যে যতই সাবলীল হোন, বাস্তবজীবনে বিয়ের সিদ্ধান্তে তিনি বরাবরই নিজের শর্তে চলেছেন। এমন প্রস্তাবও এসেছে, যেখানে বিয়ের পর অভিনয় ছেড়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। অমীষার উত্তর ছিল স্পষ্ট— নিজের পেশা ছেড়ে দিয়ে বিয়ে নয়।
বয়স বাড়লেই যে বিয়ের প্রস্তাব আসা থেমে যায়, অমীষার জীবন তার উল্টো উদাহরণ। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, এখনও তাঁর কাছে বিয়ের প্রস্তাব আসে। এমনকি তাঁর চেয়ে বয়সে অনেক ছোট পুরুষও তাঁকে ‘ডেট’-এর প্রস্তাব দিয়েছেন। অর্থাৎ অমীষার ‘না’ বিয়ের বিরুদ্ধে নয়; বরং ভুল শর্তে, ভুল মানুষের সঙ্গে বিয়ের বিরুদ্ধে।
বয়স বাড়লেই যে বিয়ের প্রস্তাব আসা থেমে যায়, অমীষার জীবন তার উল্টো উদাহরণ। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, এখনও তাঁর কাছে বিয়ের প্রস্তাব আসে। এমনকি তাঁর চেয়ে বয়সে অনেক ছোট পুরুষও তাঁকে ‘ডেট’-এর প্রস্তাব দিয়েছেন। অর্থাৎ অমীষার ‘না’ বিয়ের বিরুদ্ধে নয়; বরং ভুল শর্তে, ভুল মানুষের সঙ্গে বিয়ের বিরুদ্ধে।
দুই কন্যাসন্তানের মা। এখনও বিয়ের পিঁড়িতে বসেননি সুস্মিতা সেন। কিন্তু পরিবার গড়তে তাঁর কোনও খামতি ছিল না। দুই কন্যাকে দত্তক নিয়ে নিজের মতো করে সংসার সাজিয়েছেন অভিনেত্রী। প্রেম এসেছে, সম্পর্ক এসেছে, ভেঙেও গিয়েছে। কিন্তু বিয়েকে জীবনের অপরিহার্য শর্ত বলে মেনে নেননি তিনি।
দুই কন্যাসন্তানের মা। এখনও বিয়ের পিঁড়িতে বসেননি সুস্মিতা সেন। কিন্তু পরিবার গড়তে তাঁর কোনও খামতি ছিল না। দুই কন্যাকে দত্তক নিয়ে নিজের মতো করে সংসার সাজিয়েছেন অভিনেত্রী। প্রেম এসেছে, সম্পর্ক এসেছে, ভেঙেও গিয়েছে। কিন্তু বিয়েকে জীবনের অপরিহার্য শর্ত বলে মেনে নেননি তিনি।
সুস্মিতার জীবনে একাধিক সম্পর্ক নিয়ে কম আলোচনা হয়নি। কখনও ক্রিকেটার, কখনও ব্যবসায়ী-শিল্পপতি— নানা সময়ে তাঁর নাম জড়িয়েছে বিভিন্ন পুরুষের সঙ্গে। কিন্তু কোনও সম্পর্কই শেষপর্যন্ত বিয়ের দিকে গড়ায়নি। তবু অভিনেত্রীকে কখনও নিজের জীবন নিয়ে অনুতপ্ত বলে মনে হয়নি। বরং নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে বরাবরই স্বচ্ছন্দ তিনি।
সুস্মিতার জীবনে একাধিক সম্পর্ক নিয়ে কম আলোচনা হয়নি। কখনও ক্রিকেটার, কখনও ব্যবসায়ী-শিল্পপতি— নানা সময়ে তাঁর নাম জড়িয়েছে বিভিন্ন পুরুষের সঙ্গে। কিন্তু কোনও সম্পর্কই শেষপর্যন্ত বিয়ের দিকে গড়ায়নি। তবু অভিনেত্রীকে কখনও নিজের জীবন নিয়ে অনুতপ্ত বলে মনে হয়নি। বরং নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে বরাবরই স্বচ্ছন্দ তিনি।
তাঁর অভিনয় নিয়ে যত কথা হয়েছে, ব্যক্তিজীবন নিয়ে ততটাই রহস্য। তব্বু বিয়ে করেননি। সম্পর্কের গুঞ্জন অবশ্য তাঁর পিছু ছাড়েনি। নাগার্জুনের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতার কথা বহু বছর ধরে আলোচনায়। কিন্তু সেই সম্পর্কও পরিণতি পায়নি। তব্বু অবশ্য কখনও নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে প্রকাশ্য আলোচনার বিষয় বানাতে চাননি।
তাঁর অভিনয় নিয়ে যত কথা হয়েছে, ব্যক্তিজীবন নিয়ে ততটাই রহস্য। তব্বু বিয়ে করেননি। সম্পর্কের গুঞ্জন অবশ্য তাঁর পিছু ছাড়েনি। নাগার্জুনের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতার কথা বহু বছর ধরে আলোচনায়। কিন্তু সেই সম্পর্কও পরিণতি পায়নি। তব্বু অবশ্য কখনও নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে প্রকাশ্য আলোচনার বিষয় বানাতে চাননি।
তব্বুর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বেশ কিছু মজার ঘটনাও রয়েছে। তাঁর ছবি দেখে ভক্তেরা প্রকাশ্যেই তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন। কেউ মজা করে, কেউ আবার বেশ গুরুগম্ভীর ভঙ্গিতে। কিন্তু তব্বুর ব্যক্তিজীবনে ‘সিঙ্গল’ পরিচয়টাই থেকে গিয়েছে। রুপোলি পর্দায় শত প্রেমের গল্পের নায়িকা হলেও বাস্তব জীবনে নিজের গল্পটা তিনি নিজের কাছেই রেখেছেন।
তব্বুর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বেশ কিছু মজার ঘটনাও রয়েছে। তাঁর ছবি দেখে ভক্তেরা প্রকাশ্যেই তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন। কেউ মজা করে, কেউ আবার বেশ গুরুগম্ভীর ভঙ্গিতে। কিন্তু তব্বুর ব্যক্তিজীবনে ‘সিঙ্গল’ পরিচয়টাই থেকে গিয়েছে। রুপোলি পর্দায় শত প্রেমের গল্পের নায়িকা হলেও বাস্তব জীবনে নিজের গল্পটা তিনি নিজের কাছেই রেখেছেন।
ষাট-সত্তরের দশকে বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা আশা পারেখ। পর্দায় তাঁর সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন বহু নায়ক। বাস্তব জীবনেও এসেছিল প্রেম। পরিচালক নসীর হুসেনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল গভীর। কিন্তু নসীর বিবাহিত হওয়ায় তাঁর সংসার ভাঙার পথে হাঁটেননি আশা। প্রেমকে মেনে নিয়েছিলেন, কিন্তু বিয়েকে নয়।
ষাট-সত্তরের দশকে বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা আশা পারেখ। পর্দায় তাঁর সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন বহু নায়ক। বাস্তব জীবনেও এসেছিল প্রেম। পরিচালক নসীর হুসেনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল গভীর। কিন্তু নসীর বিবাহিত হওয়ায় তাঁর সংসার ভাঙার পথে হাঁটেননি আশা। প্রেমকে মেনে নিয়েছিলেন, কিন্তু বিয়েকে নয়।
শুধু প্রেমের সম্পর্ক নয়, বিয়ের কথাও উঠেছিল আশার জীবনে। এক আমেরিকা নিবাসী ভারতীয় অধ্যাপকের সঙ্গে তাঁর বিয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু শেষপর্যন্ত সেই সম্পর্কও টেকেনি। পরে সম্বন্ধ দেখার চেষ্টা হয়েছিল। তবে কোনওটিই চার হাত এক হওয়ার জায়গায় পৌঁছোয়নি। আশার নিজের কথায়, জীবনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁর কোনও আফসোস নেই।
শুধু প্রেমের সম্পর্ক নয়, বিয়ের কথাও উঠেছিল আশার জীবনে। এক আমেরিকা নিবাসী ভারতীয় অধ্যাপকের সঙ্গে তাঁর বিয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু শেষপর্যন্ত সেই সম্পর্কও টেকেনি। পরে সম্বন্ধ দেখার চেষ্টা হয়েছিল। তবে কোনওটিই চার হাত এক হওয়ার জায়গায় পৌঁছোয়নি। আশার নিজের কথায়, জীবনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁর কোনও আফসোস নেই।
অভিনেত্রী দিব্যা দত্ত যখন মাত্র ১৯ বছরের তরুণী, তখনই তাঁর বাড়িতে এসেছিল বিয়ের প্রস্তাব। পাত্র আমেরিকায় প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসক। পরিবারের চোখে প্রস্তাবটি যথেষ্ট ভাল। কিন্তু দিব্যার চোখে তখন অন্য স্বপ্ন— অভিনয়। এত অল্প বয়সে বিয়ে করে সেই স্বপ্নের উড়ান থামিয়ে দিতে চাননি তিনি।
অভিনেত্রী দিব্যা দত্ত যখন মাত্র ১৯ বছরের তরুণী, তখনই তাঁর বাড়িতে এসেছিল বিয়ের প্রস্তাব। পাত্র আমেরিকায় প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসক। পরিবারের চোখে প্রস্তাবটি যথেষ্ট ভাল। কিন্তু দিব্যার চোখে তখন অন্য স্বপ্ন— অভিনয়। এত অল্প বয়সে বিয়ে করে সেই স্বপ্নের উড়ান থামিয়ে দিতে চাননি তিনি।
দিব্যার আত্মজীবনীতে উঠে এসেছে সেই সময়ের কথা। পরিবারের তরফে বিয়ের কথা ভাবা হলেও শেষপর্যন্ত তাঁর মা-ই প্রস্তাবটি নাকচ করে দেন। মেয়ের অভিনয়ের স্বপ্নকে তিনি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। আর সেই সিদ্ধান্তই হয়তো দিব্যার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। পরবর্তী সময়ে অভিনয়ের জগতেই তৈরি করেন নিজের আলাদা পরিচয়।
দিব্যার আত্মজীবনীতে উঠে এসেছে সেই সময়ের কথা। পরিবারের তরফে বিয়ের কথা ভাবা হলেও শেষপর্যন্ত তাঁর মা-ই প্রস্তাবটি নাকচ করে দেন। মেয়ের অভিনয়ের স্বপ্নকে তিনি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। আর সেই সিদ্ধান্তই হয়তো দিব্যার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। পরবর্তী সময়ে অভিনয়ের জগতেই তৈরি করেন নিজের আলাদা পরিচয়।
বিয়ে, প্রেমের বিষয়ে সলমন খানকে বাদ দেওয়া কঠিন। তাঁর জীবনে প্রেম এসেছে একাধিক। বিয়ের প্রশ্নও তাই বার বার ফিরে এসেছে। প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে ভক্তদের কাছ থেকেও এসেছে সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব। সলমন অবশ্য হাসি-ঠাট্টায় সেই প্রশ্ন সামলেছেন। বিয়ে? সে উত্তর এখনও যেন তাঁর কাছেই রাখা।
বিয়ে, প্রেমের বিষয়ে সলমন খানকে বাদ দেওয়া কঠিন। তাঁর জীবনে প্রেম এসেছে একাধিক। বিয়ের প্রশ্নও তাই বার বার ফিরে এসেছে। প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে ভক্তদের কাছ থেকেও এসেছে সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব। সলমন অবশ্য হাসি-ঠাট্টায় সেই প্রশ্ন সামলেছেন। বিয়ে? সে উত্তর এখনও যেন তাঁর কাছেই রাখা।
একটি অনুষ্ঠানে এক তরুণী সলমনকে সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব দেন। সলমনও নিজের স্বভাবসিদ্ধ রসিকতায় উত্তর দেন। জানান, প্রস্তাবটি যদি আরও বছর কুড়ি আগে আসত, তা হলে হয়তো ভাবা যেত! কিন্তু এই মজার ঘটনার আড়ালেও থেকে যায় সেই একই প্রশ্ন— এত বছর পরেও কেন বিয়ে করলেন না সলমন? উত্তর কারও জানা নেই।
একটি অনুষ্ঠানে এক তরুণী সলমনকে সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব দেন। সলমনও নিজের স্বভাবসিদ্ধ রসিকতায় উত্তর দেন। জানান, প্রস্তাবটি যদি আরও বছর কুড়ি আগে আসত, তা হলে হয়তো ভাবা যেত! কিন্তু এই মজার ঘটনার আড়ালেও থেকে যায় সেই একই প্রশ্ন— এত বছর পরেও কেন বিয়ে করলেন না সলমন? উত্তর কারও জানা নেই।
এই তারকাদের গল্প এক ছাঁচে ফেলা যায় না। কারও কাছে কেরিয়ার পেয়েছে অগ্রাধিকার, কেউ নিজের স্বাধীনতা ছাড়তে চাননি। কেউ আবার এমন সম্পর্কের মধ্যে যেতে চাননি, যেখানে নিজের সিদ্ধান্তের মান থাকবে না। তাই বিয়ে হয়নি মানেই জীবন অসম্পূর্ণ— এমন ধারণা তাঁদের গল্পের সঙ্গে একেবারেই খাপ খায় না।
এই তারকাদের গল্প এক ছাঁচে ফেলা যায় না। কারও কাছে কেরিয়ার পেয়েছে অগ্রাধিকার, কেউ নিজের স্বাধীনতা ছাড়তে চাননি। কেউ আবার এমন সম্পর্কের মধ্যে যেতে চাননি, যেখানে নিজের সিদ্ধান্তের মান থাকবে না। তাই বিয়ে হয়নি মানেই জীবন অসম্পূর্ণ— এমন ধারণা তাঁদের গল্পের সঙ্গে একেবারেই খাপ খায় না।
রুপোলি পর্দায় প্রেমের গল্পের শেষটা যতই বাঁধা ছকে লেখা হোক, বাস্তবের জীবন তার চেয়ে অনেক বেশি জটিল। অমীষা, সুস্মিতা, তব্বু, আশা পারেখ বা দিব্যা দত্ত— প্রত্যেকের পথ আলাদা। কেউ বিয়েকে ‘না’ বলেছেন, কেউ সময়কে ‘না’ বলেছেন, কেউ পরিস্থিতিকে। কিন্তু শেষপর্যন্ত তাঁরা সকলেই একটি জায়গায় এক— নিজের জীবনের চিত্রনাট্যটা অন্য কারও হাতে তুলে দেননি।
রুপোলি পর্দায় প্রেমের গল্পের শেষটা যতই বাঁধা ছকে লেখা হোক, বাস্তবের জীবন তার চেয়ে অনেক বেশি জটিল। অমীষা, সুস্মিতা, তব্বু, আশা পারেখ বা দিব্যা দত্ত— প্রত্যেকের পথ আলাদা। কেউ বিয়েকে ‘না’ বলেছেন, কেউ সময়কে ‘না’ বলেছেন, কেউ পরিস্থিতিকে। কিন্তু শেষপর্যন্ত তাঁরা সকলেই একটি জায়গায় এক— নিজের জীবনের চিত্রনাট্যটা অন্য কারও হাতে তুলে দেননি।