ময়মনসিংহের ভালুকায় পারিবারিক কলহ ও পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে নিজের গলা কেটেছেন এক বৃদ্ধ।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কুল্লাবর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা টের পেয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সুজাউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ভালুকার কুল্লাবর গ্রাম থেকে স্বামী ও স্ত্রীকে গুরুতর আহত অবস্থায় ভর্তি করা হয়। বর্তমানে দু’জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
Pause
Mute
Remaining Time -17:46
Close PlayerUnibots.com
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার কুল্লাবর গ্রামের মৃত আইনুল্লাহর ছেলে জসিম উদ্দিনের (৬৫) সঙ্গে তার স্ত্রী পারুল বেগমের (৫০) পারিবারিক বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। জসিম উদ্দিনের সন্দেহ ছিল, তার আপন বড় ভাইয়ের ছেলের সঙ্গে তার স্ত্রী পারুল বেগমের অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। এসব নিয়ে তাদের মাঝে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার দুপুরে বসতঘরের ভেতর কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে জসিম উদ্দিন ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীর গলায় আঘাত করে মারাত্মকভাবে জখম করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি নিজে একই ধারালো অস্ত্র দিয়ে নিজের গলায় পোঁচ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে দু’জনকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম বলেন, দুপুরের দিকে এমন একটি ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর স্বামী-স্ত্রী দুজনই ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এ ঘটনায় থানায় কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।ময়মনসিংহের ভালুকায় পারিবারিক কলহ ও পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে নিজের গলা কেটেছেন এক বৃদ্ধ।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কুল্লাবর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা টের পেয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সুজাউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ভালুকার কুল্লাবর গ্রাম থেকে স্বামী ও স্ত্রীকে গুরুতর আহত অবস্থায় ভর্তি করা হয়। বর্তমানে দু’জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার কুল্লাবর গ্রামের মৃত আইনুল্লাহর ছেলে জসিম উদ্দিনের (৬৫) সঙ্গে তার স্ত্রী পারুল বেগমের (৫০) পারিবারিক বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। জসিম উদ্দিনের সন্দেহ ছিল, তার আপন বড় ভাইয়ের ছেলের সঙ্গে তার স্ত্রী পারুল বেগমের অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। এসব নিয়ে তাদের মাঝে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার দুপুরে বসতঘরের ভেতর কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে জসিম উদ্দিন ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীর গলায় আঘাত করে মারাত্মকভাবে জখম করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি নিজে একই ধারালো অস্ত্র দিয়ে নিজের গলায় পোঁচ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে দু’জনকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম বলেন, দুপুরের দিকে এমন একটি ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর স্বামী-স্ত্রী দুজনই ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এ ঘটনায় থানায় কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কুল্লাবর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা টের পেয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সুজাউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ভালুকার কুল্লাবর গ্রাম থেকে স্বামী ও স্ত্রীকে গুরুতর আহত অবস্থায় ভর্তি করা হয়। বর্তমানে দু’জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
Pause
Mute
Remaining Time -17:46
Close PlayerUnibots.com
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার কুল্লাবর গ্রামের মৃত আইনুল্লাহর ছেলে জসিম উদ্দিনের (৬৫) সঙ্গে তার স্ত্রী পারুল বেগমের (৫০) পারিবারিক বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। জসিম উদ্দিনের সন্দেহ ছিল, তার আপন বড় ভাইয়ের ছেলের সঙ্গে তার স্ত্রী পারুল বেগমের অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। এসব নিয়ে তাদের মাঝে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার দুপুরে বসতঘরের ভেতর কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে জসিম উদ্দিন ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীর গলায় আঘাত করে মারাত্মকভাবে জখম করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি নিজে একই ধারালো অস্ত্র দিয়ে নিজের গলায় পোঁচ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে দু’জনকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম বলেন, দুপুরের দিকে এমন একটি ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর স্বামী-স্ত্রী দুজনই ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এ ঘটনায় থানায় কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।ময়মনসিংহের ভালুকায় পারিবারিক কলহ ও পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে নিজের গলা কেটেছেন এক বৃদ্ধ।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কুল্লাবর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা টের পেয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সুজাউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ভালুকার কুল্লাবর গ্রাম থেকে স্বামী ও স্ত্রীকে গুরুতর আহত অবস্থায় ভর্তি করা হয়। বর্তমানে দু’জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার কুল্লাবর গ্রামের মৃত আইনুল্লাহর ছেলে জসিম উদ্দিনের (৬৫) সঙ্গে তার স্ত্রী পারুল বেগমের (৫০) পারিবারিক বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। জসিম উদ্দিনের সন্দেহ ছিল, তার আপন বড় ভাইয়ের ছেলের সঙ্গে তার স্ত্রী পারুল বেগমের অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। এসব নিয়ে তাদের মাঝে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার দুপুরে বসতঘরের ভেতর কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে জসিম উদ্দিন ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীর গলায় আঘাত করে মারাত্মকভাবে জখম করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি নিজে একই ধারালো অস্ত্র দিয়ে নিজের গলায় পোঁচ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে দু’জনকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম বলেন, দুপুরের দিকে এমন একটি ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর স্বামী-স্ত্রী দুজনই ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এ ঘটনায় থানায় কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।