চীনা নস্ট্রাডামুস’ নামে পরিচিত রাজনৈতিক বিশ্লেষক জিয়াং জুয়েকিন ২০২৭ সাল নিয়ে এক আশঙ্কাজনক পূর্বাভাস দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, ইরান যুদ্ধ আর যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরের তীব্র রাজনৈতিক কোন্দল মিলে সামনের দিনগুলোতে দেশটিতে ব্যাপক দাঙ্গা ও গৃহযুদ্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।
এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয় ও মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের মতো ঘটনার সঠিক পূর্বাভাস দিয়ে নজর কেড়েছিলেন তিনি।
জিয়াংয়ের মতে, চলমান ইরান সংঘাত শেষ পর্যন্ত এক রক্তক্ষয়ী স্থলযুদ্ধে রূপ নেবে। এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র এমনভাবে আটকে পড়বে যে সেখান থেকে বের হতে তাদের ১০ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত লেগে যেতে পারে। যুদ্ধের বিপুল সেনা চাহিদা মেটাতে যুক্তরাষ্ট্রে আবারও ১৮ বছর বয়সি তরুণদের বাধ্যতামূলক সেনাবাহিনীতে ভর্তি করা শুরু হতে পারে। একই সাথে দেশের বড় বড় শহরগুলোতে বিশৃঙ্খলা সামলাতে ভারী অস্ত্রসহ নামানো হতে পারে সেনা ও সীমান্ত পুলিশ।
তিনি আরও সতর্ক করেছেন যে, যুদ্ধের কারণে সমুদ্রের গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্বজুড়ে তেল, গ্যাস ও সারের দাম হু হু করে বাড়বে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজার ধসে পড়ার সাথে সাথে মার্কিন অর্থনীতিও মারাত্মক মন্দায় পড়বে।
সব মিলিয়ে ২০২৭ সালের মধ্যে জিনিসপত্রের আকাশছোঁয়া দাম এবং জোরপূর্বক সেনাবাহিনীতে নেওয়ার প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের শহরগুলোতে ছড়িয়ে পড়বে ব্যাপক দাঙ্গা ও গৃহযুদ্ধ।
সূত্র: ডেইলি মেইল।
এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয় ও মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের মতো ঘটনার সঠিক পূর্বাভাস দিয়ে নজর কেড়েছিলেন তিনি।
জিয়াংয়ের মতে, চলমান ইরান সংঘাত শেষ পর্যন্ত এক রক্তক্ষয়ী স্থলযুদ্ধে রূপ নেবে। এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র এমনভাবে আটকে পড়বে যে সেখান থেকে বের হতে তাদের ১০ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত লেগে যেতে পারে। যুদ্ধের বিপুল সেনা চাহিদা মেটাতে যুক্তরাষ্ট্রে আবারও ১৮ বছর বয়সি তরুণদের বাধ্যতামূলক সেনাবাহিনীতে ভর্তি করা শুরু হতে পারে। একই সাথে দেশের বড় বড় শহরগুলোতে বিশৃঙ্খলা সামলাতে ভারী অস্ত্রসহ নামানো হতে পারে সেনা ও সীমান্ত পুলিশ।
তিনি আরও সতর্ক করেছেন যে, যুদ্ধের কারণে সমুদ্রের গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্বজুড়ে তেল, গ্যাস ও সারের দাম হু হু করে বাড়বে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজার ধসে পড়ার সাথে সাথে মার্কিন অর্থনীতিও মারাত্মক মন্দায় পড়বে।
সব মিলিয়ে ২০২৭ সালের মধ্যে জিনিসপত্রের আকাশছোঁয়া দাম এবং জোরপূর্বক সেনাবাহিনীতে নেওয়ার প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের শহরগুলোতে ছড়িয়ে পড়বে ব্যাপক দাঙ্গা ও গৃহযুদ্ধ।
সূত্র: ডেইলি মেইল।