বলিউডের তথাকথিত গড্ডলিকা প্রবাহে গা ভাসানোর মানসিকতা নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী কারীনা কাপূর খান। তাঁর মতে, কোনও নির্দিষ্ট একটি ধরনের ছবি সফল হলেই সেই একই ধাঁচ অনুসরণ করতে শুরু করেন বহু নির্মাতা। নতুন কিছু তৈরি করার বদলে সব ছবির এক ‘ফর্মুলা’ নকল করার এই প্রবণতাই বলিউডের অন্যতম সমস্যা বলে মনে করেন করীনা। অভিনেত্রীর মতে, এখনকার দর্শক অনেক বেশি সচেতন এবং তাঁরা বেছে ছবি দেখেন। তাই পরিচিত ঘরানা বা অনুমানযোগ্য গল্পের বাইরে নতুন কিছু দেখতে চান তাঁরা।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কারীনা কথা বলেছেন নির্মাতা ও দর্শকের বদলে যাওয়া সম্পর্ক নিয়ে। শীঘ্রই মেঘনা গুলজারের তদন্তমূলক ছবি ‘দায়রা’-এ দেখা যাবে তাঁকে। কারীনার কথায়, কোনও ছবি সফল হওয়ার পর সেই ছবির সাফল্যের আসল কারণ বোঝার চেষ্টা না করে একই ধরনের ছবি তৈরি করতে শুরু করে দেয় ইন্ডাস্ট্রি। উদাহরণ হিসাবে সন্দীপ রেড্ডী বাঙ্গা ও রণবীর কাপূরের ‘অ্যানিম্যাল’-এর কথা তুলে ধরেন কারীনা। তাঁর বক্তব্য, ছবিটি সফল হওয়ার পর থেকেই হিংসাত্মক গল্প নিয়ে ছবি তৈরির প্রবণতা বেড়ে গিয়েছে।
কারীনা বলেন, “আমাদের দর্শক অনেক বেশি বুদ্ধিমান, যা আমরা ধারণাও করতে পারি না হয়তো। তাঁরা ঠিক বুঝতে পারেন যে, কোন ছবি ভাল এবং কোন ছবি তাঁরা দেখতে চান। এখন আর শুধু তরুণ-তরুণীর প্রেমের গল্পে তাঁরা আটকে নেই। এই সব বিষয় এখন খুব পুরনো হয়ে গিয়েছে। কিন্তু, ‘এখন হিংসার ছবি চলছে, ‘অ্যানিম্যাল’ হিট করেছে। চলো সবাই হিংসার ছবি বানাই’— এই মানসিকতা ইন্ডাস্ট্রির। আমরা আসলে গড্ডলিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে চলি, আর কী বলব!”
এর পাশাপাশি কারীনা সেই সব নির্মাতার কথাও বলেছেন, যাঁরা গতানুগতিক পথে না হেঁটে ভিন্ন ধরনের ছবি তৈরি করতে চান এবং দর্শককে ভাবতে বাধ্য করেন। তাঁর কথায়, “এমন অনেক নির্মাতা রয়েছেন, যাঁরা অন্য রকম কিছু তৈরি করতে চান, দর্শককে ভাবতে বাধ্য করেন এবং তাঁদের নিজস্ব অনুরাগীও রয়েছে। আমার মনে হয়, এখন বিষয়টা বদলাচ্ছে। দর্শক এখন প্রচার-ঝলক দেখেই বলবেন, ‘আমরা এই ছবিটা দেখতে চাই।’”
কারীনার মতে, দর্শক এখন অনেক বেশি প্রশ্ন করেন এবং বেছে ছবি দেখেন। ফলে শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট ঘরানার ছবি তৈরি করলেই যে তা বক্সঅফিসে সফল হবে, এমনটা ধরে নেওয়া আর ঠিক নয়। তাঁর মতে, “তরুণ দর্শক এখন অনেক বেশি চিন্তাভাবনা করেন, তাঁরা প্রশ্ন করতে জানেন। এখন আর নির্মাতারা শুধু এই ভেবে ছবি বানাতে পারেন না যে, ‘এটা কমেডি, তাই মানুষ নিশ্চয়ই দেখবেন!’ সব ছবি ২০০ কোটি বা ৫০০ কোটি টাকা আয় করবে না। আমার মনে হয়, পরিবর্তনটা আসছে এবং দর্শকই আমাদের সেই পরিবর্তন আনতে সাহায্য করছেন।”
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘অ্যানিম্যাল’ বাণিজ্যিক ভাবে সাফল্য পেয়েছিল। ছবিতে রণবীর অভিনীত চরিত্রের সঙ্গে তার বাবা, অনিল কপূর অভিনীত চরিত্রটির জটিল সম্পর্ককে কেন্দ্র করে এগিয়েছে গল্প। তীব্র হিংসা এবং বিতর্ক সত্ত্বেও এই ছবি বিশ্বব্যাপী ৯০০ কোটিরও বেশি টাকা আয় করেছিল। ছবিটির দ্বিতীয় পর্ব তৈরি হচ্ছে।
অন্য দিকে, কারীনাকে এ বার একেবারে অন্য ঘরানার ছবিতে দেখা যাবে। মেঘনা পরিচালিত ‘দায়রা’ ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রয়েছেন পৃথ্বীরাজ সুকুমারনও। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে ছবিটির।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কারীনা কথা বলেছেন নির্মাতা ও দর্শকের বদলে যাওয়া সম্পর্ক নিয়ে। শীঘ্রই মেঘনা গুলজারের তদন্তমূলক ছবি ‘দায়রা’-এ দেখা যাবে তাঁকে। কারীনার কথায়, কোনও ছবি সফল হওয়ার পর সেই ছবির সাফল্যের আসল কারণ বোঝার চেষ্টা না করে একই ধরনের ছবি তৈরি করতে শুরু করে দেয় ইন্ডাস্ট্রি। উদাহরণ হিসাবে সন্দীপ রেড্ডী বাঙ্গা ও রণবীর কাপূরের ‘অ্যানিম্যাল’-এর কথা তুলে ধরেন কারীনা। তাঁর বক্তব্য, ছবিটি সফল হওয়ার পর থেকেই হিংসাত্মক গল্প নিয়ে ছবি তৈরির প্রবণতা বেড়ে গিয়েছে।
কারীনা বলেন, “আমাদের দর্শক অনেক বেশি বুদ্ধিমান, যা আমরা ধারণাও করতে পারি না হয়তো। তাঁরা ঠিক বুঝতে পারেন যে, কোন ছবি ভাল এবং কোন ছবি তাঁরা দেখতে চান। এখন আর শুধু তরুণ-তরুণীর প্রেমের গল্পে তাঁরা আটকে নেই। এই সব বিষয় এখন খুব পুরনো হয়ে গিয়েছে। কিন্তু, ‘এখন হিংসার ছবি চলছে, ‘অ্যানিম্যাল’ হিট করেছে। চলো সবাই হিংসার ছবি বানাই’— এই মানসিকতা ইন্ডাস্ট্রির। আমরা আসলে গড্ডলিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে চলি, আর কী বলব!”
এর পাশাপাশি কারীনা সেই সব নির্মাতার কথাও বলেছেন, যাঁরা গতানুগতিক পথে না হেঁটে ভিন্ন ধরনের ছবি তৈরি করতে চান এবং দর্শককে ভাবতে বাধ্য করেন। তাঁর কথায়, “এমন অনেক নির্মাতা রয়েছেন, যাঁরা অন্য রকম কিছু তৈরি করতে চান, দর্শককে ভাবতে বাধ্য করেন এবং তাঁদের নিজস্ব অনুরাগীও রয়েছে। আমার মনে হয়, এখন বিষয়টা বদলাচ্ছে। দর্শক এখন প্রচার-ঝলক দেখেই বলবেন, ‘আমরা এই ছবিটা দেখতে চাই।’”
কারীনার মতে, দর্শক এখন অনেক বেশি প্রশ্ন করেন এবং বেছে ছবি দেখেন। ফলে শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট ঘরানার ছবি তৈরি করলেই যে তা বক্সঅফিসে সফল হবে, এমনটা ধরে নেওয়া আর ঠিক নয়। তাঁর মতে, “তরুণ দর্শক এখন অনেক বেশি চিন্তাভাবনা করেন, তাঁরা প্রশ্ন করতে জানেন। এখন আর নির্মাতারা শুধু এই ভেবে ছবি বানাতে পারেন না যে, ‘এটা কমেডি, তাই মানুষ নিশ্চয়ই দেখবেন!’ সব ছবি ২০০ কোটি বা ৫০০ কোটি টাকা আয় করবে না। আমার মনে হয়, পরিবর্তনটা আসছে এবং দর্শকই আমাদের সেই পরিবর্তন আনতে সাহায্য করছেন।”
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘অ্যানিম্যাল’ বাণিজ্যিক ভাবে সাফল্য পেয়েছিল। ছবিতে রণবীর অভিনীত চরিত্রের সঙ্গে তার বাবা, অনিল কপূর অভিনীত চরিত্রটির জটিল সম্পর্ককে কেন্দ্র করে এগিয়েছে গল্প। তীব্র হিংসা এবং বিতর্ক সত্ত্বেও এই ছবি বিশ্বব্যাপী ৯০০ কোটিরও বেশি টাকা আয় করেছিল। ছবিটির দ্বিতীয় পর্ব তৈরি হচ্ছে।
অন্য দিকে, কারীনাকে এ বার একেবারে অন্য ঘরানার ছবিতে দেখা যাবে। মেঘনা পরিচালিত ‘দায়রা’ ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রয়েছেন পৃথ্বীরাজ সুকুমারনও। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে ছবিটির।