নওগাঁয় শিক্ষককে হানিট্র্যাপে ফেলে টাকা আদায়, নারীসহ গ্রেপ্তার ৪

আপলোড সময় : ১০-০৯-২০২৬ ০৫:৪৩:১৯ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১০-০৯-২০২৬ ০৫:৪৩:১৯ অপরাহ্ন
নওগাঁয় এক স্কুলশিক্ষককে বাসায় ডেকে নিয়ে মারধরের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় এবং জোর করে স্ট্যাম্প ও চেকে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগে কথিত হানিট্র্যাপ চক্রের এক নারী সদস্যসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ভুক্তভোগীর কাছ থেকে নেওয়া ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর এবং দুই লাখ টাকার একটি চেক উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে পুলিশ মিডিয়া সেলে পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। 

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন-নওগাঁ সদর উপজেলার কোমাইগাড়ি পূর্বপাড়ার মোছা. চামেলী আক্তার মিলি (৪৫), আত্রাই উপজেলার বেড়াহাসন এলাকার রাকিব হাসান (২৯), বদলগাছী উপজেলার নিহনপুর পূর্বপাড়ার সোহরাব হোসেন (২৬) এবং বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার ফুটানিগঞ্জ এলাকার নাঈম হোসেন (২৫)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জয়পুরহাটের আক্কেলপুর থানার এক স্কুলশিক্ষকের সঙ্গে পূর্বপরিচিত ছিলেন চামেলী আক্তার মিলি। প্রয়োজনের সময় তাদের মধ্যে মুঠোফোনে কথা হতো। গত ২৫ আগস্ট বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে মিলি ওই শিক্ষককে ফোন করে জরুরি কথা আছে জানিয়ে নওগাঁ শহরে তার বাসায় আসতে বলেন। জরুরি বিষয়ের কথা শুনে সরল বিশ্বাসে ওই শিক্ষক মিলির বাসায় যান। সেখানে যাওয়ার পর মিলিসহ আরও দুই-তিনজন ব্যক্তি তাকে আটক করেন। একপর্যায়ে মারধরের ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা নেওয়া হয়। পরে ৩০০ টাকার একটি সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর এবং দুই লাখ টাকার একটি চেক লিখে নেওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এদিকে এ ঘটনার পর ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ দিলে নওগাঁ সদর থানায় মামলা করা হয়। এরপর অভিযান শুরু করে পুলিশ। প্রায় এক সপ্তাহের অভিযানের পর চক্রটির চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। নওগাঁ সদর থানার অভিযানে গ্রেপ্তারের পর তাদের কাছ থেকে জোর করে স্বাক্ষর নেওয়া স্ট্যাম্প ও দুই লাখ টাকার চেক উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা আন্তঃউপজেলা ভিত্তিতে একটি প্রতারক চক্র হিসেবে কাজ করতেন। তারা সুযোগ বুঝে বিভিন্ন ব্যক্তিকে নানা ধরনের প্রলোভনে ফেলে একটি নির্দিষ্ট স্থানে ডেকে নিতেন। পরে ভয়ভীতি দেখানো, ছবি ধারণ কিংবা ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে তাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করতো। 

এসময় গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং চক্রটির সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন পুলিশ সুপার।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]