রাজশাহীর পুঠিয়ায় একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের তিনটি দোকান ও গোডাউনে অভিযান চালিয়ে সরকারি বরাদ্দের বাইরে অননুমোদিতভাবে মজুত করা ৩৩০ বস্তা সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ।জব্দ করা সারের মধ্যে রয়েছে ২৭৬ বস্তা ডিএপি, ৪৮ বস্তা টিএসপি ও ৩ বস্তা ইউরিয়া।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকৈ
উপজেলার শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের কার্তিকপাড়া বাজারে মেসার্স নিশি কীটনাশক বিপনিতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিয়াকত সালমান।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কার্তিকপাড়া বাজারের ব্যবসায়ী সাইদুল রহমানের তিনটি দোকান ও গোডাউনে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় বিপুল পরিমাণ ডিএপি, টিএসপি ও ইউরিয়া সার পাওয়া যায়। প্রশাসনের দাবি, এসব সার অননুমোদিতভাবে এবং সরকারি বরাদ্দের বাইরে মজুত করা হয়েছিল।
অভিযানে ইউএনও লিয়াকত সালমানের সঙ্গে ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা স্মৃতি রানী সরকার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিবু দাস সুমিত, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা কাজী ইফফাত তামান্না, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. ইসরাফিল হকসহ কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা। অভিযানে পুঠিয়া থানার সাধনপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও সদস্যরা, গোয়েন্দা পুলিশের সদস্য, গ্রাম পুলিশ এবং আনসার বাহিনীর সদস্যরা সহযোগিতা করেন।
জব্দ করা সার নিরাপদে সংরক্ষণের জন্য কৃষি বিভাগের এক উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার জিম্মায় রাখা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বিধি অনুযায়ী জব্দ করা এসব সার স্থানীয় কৃষকদের কাছে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হবে। বিক্রয়লব্ধ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।
অভিযান শেষে ইউএনও লিয়াকত সালমান বলেন, অত্র উপজেলায় কৃষকদের জন্য বরাদ্দ করা সারের সুষ্ঠু বিতরণ নিশ্চিত করতে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট ও অনিয়ম ঠেকাতে তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকৈ
উপজেলার শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের কার্তিকপাড়া বাজারে মেসার্স নিশি কীটনাশক বিপনিতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিয়াকত সালমান।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কার্তিকপাড়া বাজারের ব্যবসায়ী সাইদুল রহমানের তিনটি দোকান ও গোডাউনে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় বিপুল পরিমাণ ডিএপি, টিএসপি ও ইউরিয়া সার পাওয়া যায়। প্রশাসনের দাবি, এসব সার অননুমোদিতভাবে এবং সরকারি বরাদ্দের বাইরে মজুত করা হয়েছিল।
অভিযানে ইউএনও লিয়াকত সালমানের সঙ্গে ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা স্মৃতি রানী সরকার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিবু দাস সুমিত, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা কাজী ইফফাত তামান্না, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. ইসরাফিল হকসহ কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা। অভিযানে পুঠিয়া থানার সাধনপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও সদস্যরা, গোয়েন্দা পুলিশের সদস্য, গ্রাম পুলিশ এবং আনসার বাহিনীর সদস্যরা সহযোগিতা করেন।
জব্দ করা সার নিরাপদে সংরক্ষণের জন্য কৃষি বিভাগের এক উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার জিম্মায় রাখা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বিধি অনুযায়ী জব্দ করা এসব সার স্থানীয় কৃষকদের কাছে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হবে। বিক্রয়লব্ধ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।
অভিযান শেষে ইউএনও লিয়াকত সালমান বলেন, অত্র উপজেলায় কৃষকদের জন্য বরাদ্দ করা সারের সুষ্ঠু বিতরণ নিশ্চিত করতে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট ও অনিয়ম ঠেকাতে তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।