মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযান, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ, ভূমি অফিসে দালালচক্রের দৌরাত্ম্য কমানো এবং সাধারণ মানুষকে হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা দেওয়ার কারণে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুজিবুর রহমানের বদলি আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন সর্বস্তরের সচেতন মানুষ।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে পৌর শহরের শিবদিঘি যাত্রীছাউনি মোড়ে রাণীশংকৈল উপজেলা উন্নয়ন ফোরাম ও সর্বস্তরের সচেতন জনগণের আয়োজনে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একজন কর্মকর্তা যখন অন্যায়ের সঙ্গে আপস না করে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান, তখন তাঁর বদলি শুধু একজন কর্মকর্তার বদলি নয়,এটি একটি জনবান্ধব প্রশাসনিক উদ্যোগের ধারাবাহিকতা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি করে। মুজিবুর রহমান রাণীশংকৈলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে যোগদানের পর সততা, নিষ্ঠা ও সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। বক্তারা বলেন, রাণীশংকৈলকে মাদকমুক্ত করার প্রত্যয়ে মুজিবুর রহমান নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছেন।
মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে তাঁর কঠোর অবস্থান তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াল ছোবল থেকে রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সম্প্রতি তাঁর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা তৈরি হয়েছে। তাঁরা আরও বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান ছিল আপসহীন। নদী ও পরিবেশ রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযান পরিচালনা করে তিনি স্থানীয়ভাবে আলোচিত হয়েছেন। যেসব বালু উত্তোলনকারী প্রভাবশালী মহলের ছত্রচ্ছায়ায় দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশ ও নদীর ক্ষতি করে আসছিল, তাঁদের বিরুদ্ধেও তিনি প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়েছেন বলে বক্তারা উল্লেখ করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগের সুরে বলেন, মুজিবুর রহমানের মতো একজন সৎ ও নির্ভীক কর্মকর্তার আকস্মিক বদলির আদেশে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কোনো অদৃশ্য প্রভাব বা স্বার্থান্বেষী মহলের চাপের কারণে তাঁর বদলি হয়ে থাকলে তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। তবে বদলির পেছনে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর প্রভাব রয়েছে—এমন দাবির পক্ষে মানববন্ধনে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। বক্তারা বলেন, ভূমি অফিসে দালালচক্রের দৌরাত্ম্য কমিয়ে সাধারণ মানুষকে সরাসরি সেবা দেওয়ার পরিবেশ তৈরিতেও মুজিবুর রহমানের ভূমিকা প্রশংসনীয়। তাঁর সময়ে ভূমিসেবা নিতে আসা মানুষের হয়রানি ও ভোগান্তি কমেছে বলেও তাঁরা দাবি করেন।
মানববন্ধনে আরও বলা হয়, বর্তমানে রাণীশংকৈলে নিয়মিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কর্মরত না থাকায় প্রশাসনিক বিভিন্ন কার্যক্রমে অভিজ্ঞ কর্মকর্তা হিসেবে মুজিবুর রহমানের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ। সীমান্তবর্তী এই উপজেলায় মাদক নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ, ভূমিসেবা এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তাঁকে রাণীশংকৈলে বহাল রাখা প্রয়োজন। মানববন্ধনে বক্তারা স্পষ্টভাবে বলেন, “যে কর্মকর্তা সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করছেন, তাঁকে আমরা হারাতে চাই না।” তাঁরা মুজিবুর রহমানের বদলি আদেশ স্থগিত ও প্রত্যাহার করে তাঁকে রাণীশংকৈল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদে বহাল রাখার দাবি জানান। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন রাণীশংকৈল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ সরকার, জুলাই যোদ্ধা আল হাবীব, গণ অধিকার পরিষদ নেতা মামুনুর রশিদ মামুন, রাণীশংকৈল উপজেলা উন্নয়ন ফোরামের সদস্য নাজমুল হোসেন, রেজাউল করিম রাজা, শামসুদ্দিন ইসলাম সাগর, সিজান মাহমুদ, প্রভাষক মজিবুর রহমানসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। উল্লেখ্য, গত ২ সেপ্টেম্বর ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখার উপসচিব নুসরাত জাহান নিসু স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুজিবুর রহমানকে রাজশাহী বিভাগে বদলি করা হয়। এর পর থেকেই তাঁর বদলি আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে স্থানীয় মানুষের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। শনিবারের মানববন্ধনের মধ্য দিয়ে সেই দাবিই প্রকাশ্যে রূপ নেয়।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে পৌর শহরের শিবদিঘি যাত্রীছাউনি মোড়ে রাণীশংকৈল উপজেলা উন্নয়ন ফোরাম ও সর্বস্তরের সচেতন জনগণের আয়োজনে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একজন কর্মকর্তা যখন অন্যায়ের সঙ্গে আপস না করে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান, তখন তাঁর বদলি শুধু একজন কর্মকর্তার বদলি নয়,এটি একটি জনবান্ধব প্রশাসনিক উদ্যোগের ধারাবাহিকতা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি করে। মুজিবুর রহমান রাণীশংকৈলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে যোগদানের পর সততা, নিষ্ঠা ও সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। বক্তারা বলেন, রাণীশংকৈলকে মাদকমুক্ত করার প্রত্যয়ে মুজিবুর রহমান নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছেন।
মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে তাঁর কঠোর অবস্থান তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াল ছোবল থেকে রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সম্প্রতি তাঁর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা তৈরি হয়েছে। তাঁরা আরও বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান ছিল আপসহীন। নদী ও পরিবেশ রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযান পরিচালনা করে তিনি স্থানীয়ভাবে আলোচিত হয়েছেন। যেসব বালু উত্তোলনকারী প্রভাবশালী মহলের ছত্রচ্ছায়ায় দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশ ও নদীর ক্ষতি করে আসছিল, তাঁদের বিরুদ্ধেও তিনি প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়েছেন বলে বক্তারা উল্লেখ করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগের সুরে বলেন, মুজিবুর রহমানের মতো একজন সৎ ও নির্ভীক কর্মকর্তার আকস্মিক বদলির আদেশে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কোনো অদৃশ্য প্রভাব বা স্বার্থান্বেষী মহলের চাপের কারণে তাঁর বদলি হয়ে থাকলে তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। তবে বদলির পেছনে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর প্রভাব রয়েছে—এমন দাবির পক্ষে মানববন্ধনে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। বক্তারা বলেন, ভূমি অফিসে দালালচক্রের দৌরাত্ম্য কমিয়ে সাধারণ মানুষকে সরাসরি সেবা দেওয়ার পরিবেশ তৈরিতেও মুজিবুর রহমানের ভূমিকা প্রশংসনীয়। তাঁর সময়ে ভূমিসেবা নিতে আসা মানুষের হয়রানি ও ভোগান্তি কমেছে বলেও তাঁরা দাবি করেন।
মানববন্ধনে আরও বলা হয়, বর্তমানে রাণীশংকৈলে নিয়মিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কর্মরত না থাকায় প্রশাসনিক বিভিন্ন কার্যক্রমে অভিজ্ঞ কর্মকর্তা হিসেবে মুজিবুর রহমানের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ। সীমান্তবর্তী এই উপজেলায় মাদক নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ, ভূমিসেবা এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তাঁকে রাণীশংকৈলে বহাল রাখা প্রয়োজন। মানববন্ধনে বক্তারা স্পষ্টভাবে বলেন, “যে কর্মকর্তা সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করছেন, তাঁকে আমরা হারাতে চাই না।” তাঁরা মুজিবুর রহমানের বদলি আদেশ স্থগিত ও প্রত্যাহার করে তাঁকে রাণীশংকৈল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদে বহাল রাখার দাবি জানান। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন রাণীশংকৈল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ সরকার, জুলাই যোদ্ধা আল হাবীব, গণ অধিকার পরিষদ নেতা মামুনুর রশিদ মামুন, রাণীশংকৈল উপজেলা উন্নয়ন ফোরামের সদস্য নাজমুল হোসেন, রেজাউল করিম রাজা, শামসুদ্দিন ইসলাম সাগর, সিজান মাহমুদ, প্রভাষক মজিবুর রহমানসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। উল্লেখ্য, গত ২ সেপ্টেম্বর ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখার উপসচিব নুসরাত জাহান নিসু স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুজিবুর রহমানকে রাজশাহী বিভাগে বদলি করা হয়। এর পর থেকেই তাঁর বদলি আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে স্থানীয় মানুষের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। শনিবারের মানববন্ধনের মধ্য দিয়ে সেই দাবিই প্রকাশ্যে রূপ নেয়।