গুরুদাসপুরে সরকারি জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণ ও ভাড়া আদায়

আপলোড সময় : ১৩-০৯-২০২৬ ০৫:১৩:৩৯ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৩-০৯-২০২৬ ০৫:১৩:৩৯ অপরাহ্ন
নাটোরের গুরুদাসপুরে পুরুলিয়া হাটের সরকারি জায়গা অবৈধভাবে দখল করে তিনটি দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। হাটের ব্যবসায়ীদের কাছে সিকিউরিটি নিয়ে ঘর ভাড়াও তুলছেন কতিপয় প্রভাশালীরা। 

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের পুরুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয় সড়কের পশ্চিমপাশে মির্জামাহমুদ নদীর পাড় ও হাটের সরকারি জায়গা রয়েছে। আইন অমান্য করে সেখানে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণের জন্য ইট, বালি ও খোয়া এনে স্তুপ করে রেখেছেন প্রভাবশালী নজরুল ইসলাম রঞ্জু, কালাম ফকির ও বেল্লাল খাঁ। এছাড়া দুই যুগ ধরে সরকারি ওই জায়গা দখল করে আছেন স্থানীয় মোন্তাজ, আজাদ, চাঁদ মোহাম্মদ, সবুজ, দলীয় ক্লাব, বাবলু, আবু সোনার, জয়নাল সরকার, নজরুল সরকারসহ অনেকে। 

হাট বাজার স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা আইন ২০২৩ এর বিধিমালা ২০২৫ এ বলা আছে, হাট ও বাজারের সরকারি খাস জমিতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোন ধরনের স্থায়ী বা অস্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করা বা নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কোন স্থাপনা নির্মাণ হলে তা সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হবে। অনুমতি ছাড়া স্থাপনা নির্মানের জন্য অনধিক এক বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড অথবা অনধিক ৫ লাখ টাকা অর্থদন্ড, কিংবা উভয় দন্ডের বিধান রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, হাট দখলকারীরা এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় প্রায় ৫০টি আধাপাকা দোকান ঘর তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এছাড়া পূর্বে দখলকৃতরা মোটা অংকের সিকিউরিটি নিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছে দোকান বরাদ্দ দিয়েছেন। প্রতিমাসে ভাড়াও আদায় করছেন।

এতে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন প্রকৃত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। তারা বলেন, নিয়ম-নীতি মেনে অবকাঠামো নির্মাণ হলে সরকার মোটা অংকের রাজস্ব পাবে। টোল দিয়েই সেখানে ব্যবসা করবেন তারা।

ঘর নির্মাণকারী বেল্লাল খাঁ জানান, প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা থাকায় দোকান নির্মাণ বন্ধ রেখেছি। নির্মাণসামগ্রীও সরানো হয়েছে। বাবলু ও আবু সোনার জানান, তারা ঘর সরিয়ে জায়গা খালি করার কোন নোটিশ বা সরকারী নির্দেশনা পাননি। সবাই সরিয়ে নিলে তারাও সরিয়ে নেবেন।

এ প্রসঙ্গে ইউপি চেয়ারম্যান মো. আইয়ুব আলী বলেন- ‘পুরুলিয়া হাটের জায়গা জোরপূর্বক দখল করা হচ্ছে। সরকারি জায়গা উদ্ধারে প্রশাসনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’

এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) আসাদুল ইসলাম বলেন, নতুন একটি স্থাপনা ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। এসময় দু’জনকে নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে নিতে বলা হয়। অন্যদের স্থাপনা সরিয়ে নিতে নোটিশ প্রদান করা হচ্ছে।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]