চলনবিল ও আত্রাই নদীর স্বাভাবিক পানি প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং দেশীয় মৎস্য সম্পদ রক্ষার লক্ষ্যে নাটোরের সিংড়ায় অভিযান চালিয়ে তিনটি অবৈধ সৌঁতিজালের অবকাঠামো ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার কালিনগর ও বিলদহর ভাটোপাড়া এলাকায় নদী ও বিলে অভিযান চালিয়ে এই সৌঁতিজালগুলো অপসারণ করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল রিফাত নিজে উপস্থিত থেকে এই ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন।
অভিযানকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শাহাদত হোসেনসহ স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের একটি দল।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, একশ্রেণীর অসাধু মৎস্যজীবী আত্রাই নদী ও চলনবিলের বিভিন্ন স্থানে বাঁশের ফ্রেম ও পাতাল জাল দিয়ে অবৈধ সৌঁতিজাল বসিয়ে মাছ শিকার করে আসছিল। এতে যেমন পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল, তেমনই ডিমওয়ালা ও ছোট পোনা মাছ নিধন হওয়ায় দেশীয় মৎস্য সম্পদ হুমকির মুখে পড়েছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ সন্ধ্যায় কালিনগর ও বিলদহর ভাটোপাড়া এলাকায় সফল অভিযান পরিচালনা করে সৌঁতিজালের ভারী অবকাঠামো অপসারণ করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল রিফাত জানান, চলনবিলের প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও মৎস্য সম্পদ রক্ষায় অবৈধ সৌঁতিজাল ও পোপান জালের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। নদী ও বিলে পানির প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং মাছের অবাধ বিচরণ নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের এই কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার কালিনগর ও বিলদহর ভাটোপাড়া এলাকায় নদী ও বিলে অভিযান চালিয়ে এই সৌঁতিজালগুলো অপসারণ করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল রিফাত নিজে উপস্থিত থেকে এই ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন।
অভিযানকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শাহাদত হোসেনসহ স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের একটি দল।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, একশ্রেণীর অসাধু মৎস্যজীবী আত্রাই নদী ও চলনবিলের বিভিন্ন স্থানে বাঁশের ফ্রেম ও পাতাল জাল দিয়ে অবৈধ সৌঁতিজাল বসিয়ে মাছ শিকার করে আসছিল। এতে যেমন পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল, তেমনই ডিমওয়ালা ও ছোট পোনা মাছ নিধন হওয়ায় দেশীয় মৎস্য সম্পদ হুমকির মুখে পড়েছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ সন্ধ্যায় কালিনগর ও বিলদহর ভাটোপাড়া এলাকায় সফল অভিযান পরিচালনা করে সৌঁতিজালের ভারী অবকাঠামো অপসারণ করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল রিফাত জানান, চলনবিলের প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও মৎস্য সম্পদ রক্ষায় অবৈধ সৌঁতিজাল ও পোপান জালের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। নদী ও বিলে পানির প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং মাছের অবাধ বিচরণ নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের এই কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।