একজন শিক্ষক, যাঁর কাজ শিক্ষার্থীদের সততা ও নৈতিকতার পাঠ দেওয়া,সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধেই উঠেছে নথি জালিয়াতি করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ। ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পীরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের (EIIN-128858) সহকারী শিক্ষক (গণিত) মোহাঃ শাহজাহান কবীরের বিরুদ্ধে এমপিও জালিয়াতি, তথ্য গোপন এবং নিয়মবহির্ভূতভাবে টাইম স্কেল ও উচ্চতর গ্রেড গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। পীরগঞ্জ পাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক এবিম মহিউদ্দীন এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক দপ্তরগুলোতে সুনির্দিষ্ট নথিপত্রসহ একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন, যা এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। অভিযোগপত্র ও অনুসন্ধানী তথ্যে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক শাহজাহান কবীর এর আগে হরিপুর উপজেলার ভাতুরিয়া দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক (গণিত) পদে ১৯৯৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর যোগদান করেন এবং ১৯৯৯ সালের আগস্ট মাসের এমপিও শিটে ১১তম কোডে প্রথম এমপিওভুক্ত হন। ওই বছরই তিনি বি.এড কোর্স সম্পন্ন করে ২০০০ সালের ১ জুন থেকে বি.এড স্কেলের ১০ম কোডে বেতন-ভাতা নেওয়া শুরু করেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)-এর বিধি অনুযায়ী, বি.এড স্কেল প্রাপ্তির পর ৮ বছর সন্তোষজনক চাকরি পূর্ণ হলেই প্রথম টাইম স্কেল প্রাপ্য হয়—সেই হিসাবে তাঁর প্রথম টাইম স্কেল পাওয়ার কথা ছিল ২০০৮ সালে। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, সকল বিধি উপেক্ষা করে তিনি প্রথম এমপিও শিট ঘষামাজা করে বি.এড স্কেলের কোড পরিবর্তন করেন এবং ৮ বছর পূর্তি দেখিয়ে ২০০৫ সালের ডিসেম্বর মাসের এমপিও শিটে (০১/১১/২০০৫ তারিখ থেকে) অবৈধভাবে প্রথম টাইম স্কেল গ্রহণ করেন। ফলে নির্ধারিত সময়ের আগেই তিনি অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা পেয়ে আসছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে সরকারি কোষাগার থেকে অতিরিক্ত অর্থ আত্মসাৎ করছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
শিক্ষা প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, নথি ঘষামাজা করে বা ভুয়া প্রত্যয়নপত্র ব্যবহার করে টাইম স্কেল বা উচ্চতর গ্রেড গ্রহণ করা কেবল প্রশাসনিক অনিয়মই নয়, বরং দণ্ডবিধির ৪৬৮ (জাল দলিল তৈরি) ও ৪২০ (প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাৎ) ধারায় শাস্তিযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ। এ কারণে আত্মসাৎকৃত অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত এবং দোষীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় শিক্ষক সমাজ ও বুদ্ধিজীবী মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো পবিত্র জায়গায় জালিয়াতির মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার ঘটনা শিক্ষাব্যবস্থার নৈতিক ভিত্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় শিক্ষাবিদেরা।
অভিযুক্ত শিক্ষক শাহাজাহান কবীর এর সাথে বিষয়টি সম্পর্কে মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে ভাতুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর জব্বার বলেন, শিক্ষক হিসেবে শাহজাহান কবীর মোটেও সুবিধার ছিলেন না। টাইম স্কেল জালিয়াতি ছাড়াও ধার-দেনা সংক্রান্ত বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তিনি জড়িত ছিলেন। এছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আচরণ নিয়েও একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এসব ঘটনার কারণে বিদ্যালয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সবাই তাঁর ব্যাপারে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছিলেন বলে তিনি জানান।
এ ব্যাপারে পীরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির (এডহক কমিটি) সভাপতি মোছা. শিরিন বানু মুঠোফনে জানান,আগামী কয়েদিনের মধ্যে ম্যানেজিং কমিটির মিটিং ডাকা হয়েছে, আমরা সবদিক যাচাই বাছাই করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবো।
পীরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আরিফুল্লাহ মুঠোফোনে জানান, তিনি বর্তমানে ছুটিতে ঢাকায় অবস্থান করছেন এবং এ ধরনের কোনো অভিযোগ এখনো তাঁর দৃষ্টিগোচর হয়নি।
ঠাকুরগাঁও জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি) মো. গোলাম ফেরদৌস বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠনপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হব।
ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক রফিকুল হক মুঠোফোনে জানান, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং তিনি ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা)-কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)-এর বিধি অনুযায়ী, বি.এড স্কেল প্রাপ্তির পর ৮ বছর সন্তোষজনক চাকরি পূর্ণ হলেই প্রথম টাইম স্কেল প্রাপ্য হয়—সেই হিসাবে তাঁর প্রথম টাইম স্কেল পাওয়ার কথা ছিল ২০০৮ সালে। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, সকল বিধি উপেক্ষা করে তিনি প্রথম এমপিও শিট ঘষামাজা করে বি.এড স্কেলের কোড পরিবর্তন করেন এবং ৮ বছর পূর্তি দেখিয়ে ২০০৫ সালের ডিসেম্বর মাসের এমপিও শিটে (০১/১১/২০০৫ তারিখ থেকে) অবৈধভাবে প্রথম টাইম স্কেল গ্রহণ করেন। ফলে নির্ধারিত সময়ের আগেই তিনি অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা পেয়ে আসছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে সরকারি কোষাগার থেকে অতিরিক্ত অর্থ আত্মসাৎ করছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
শিক্ষা প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, নথি ঘষামাজা করে বা ভুয়া প্রত্যয়নপত্র ব্যবহার করে টাইম স্কেল বা উচ্চতর গ্রেড গ্রহণ করা কেবল প্রশাসনিক অনিয়মই নয়, বরং দণ্ডবিধির ৪৬৮ (জাল দলিল তৈরি) ও ৪২০ (প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাৎ) ধারায় শাস্তিযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ। এ কারণে আত্মসাৎকৃত অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত এবং দোষীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় শিক্ষক সমাজ ও বুদ্ধিজীবী মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো পবিত্র জায়গায় জালিয়াতির মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার ঘটনা শিক্ষাব্যবস্থার নৈতিক ভিত্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় শিক্ষাবিদেরা।
অভিযুক্ত শিক্ষক শাহাজাহান কবীর এর সাথে বিষয়টি সম্পর্কে মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে ভাতুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর জব্বার বলেন, শিক্ষক হিসেবে শাহজাহান কবীর মোটেও সুবিধার ছিলেন না। টাইম স্কেল জালিয়াতি ছাড়াও ধার-দেনা সংক্রান্ত বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তিনি জড়িত ছিলেন। এছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আচরণ নিয়েও একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এসব ঘটনার কারণে বিদ্যালয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সবাই তাঁর ব্যাপারে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছিলেন বলে তিনি জানান।
এ ব্যাপারে পীরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির (এডহক কমিটি) সভাপতি মোছা. শিরিন বানু মুঠোফনে জানান,আগামী কয়েদিনের মধ্যে ম্যানেজিং কমিটির মিটিং ডাকা হয়েছে, আমরা সবদিক যাচাই বাছাই করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবো।
পীরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আরিফুল্লাহ মুঠোফোনে জানান, তিনি বর্তমানে ছুটিতে ঢাকায় অবস্থান করছেন এবং এ ধরনের কোনো অভিযোগ এখনো তাঁর দৃষ্টিগোচর হয়নি।
ঠাকুরগাঁও জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি) মো. গোলাম ফেরদৌস বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠনপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হব।
ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক রফিকুল হক মুঠোফোনে জানান, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং তিনি ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা)-কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।