খাবারে অক্সালেট! ভাবছেন সেটা কোন জিনিস? কিডনিতে পাথর হওয়ার প্রবণতা থাকলে বা কারও একবার কিডনিতে স্টোন হলে চিকিৎসকেরা কম অক্সালেটের খাবার খেতে বলেন।
অক্সালেট হল একটি প্রাকৃতিক যৌগ, যা উদ্ভিজ্জ খাবারে পাওয়া যায়। অক্সালেট মানেই তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। অক্সালেট সমৃদ্ধ অধিকাংশ খাবার— যেমন পালংশাক, বিট, লালশাক ও বেরি জাতীয় ফলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফ্ল্যাভোনয়েড থাকে। এগুলি শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস ও প্রদাহ থেকে রক্ষা করে এবং ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে।
বিট, পালংশাক বা ডার্ক চকলেটের মতো অক্সালেটযুক্ত খাবারে প্রচুর নাইট্রেট ও ম্যাগনেশিয়াম থাকে। নাইট্রেট রক্তনালি প্রসারিত করে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে, যা হৃদ্রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।
অক্সালেটযুক্ত খাবার খাওয়ায় এমনিতে কোনও বাধা নেই। বরং তা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল। কিন্তু মুশকিল হল, অক্সালেট ক্যালশিয়ামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ক্যালশিয়াম অক্সালেটে পরিণত হয়। যা শক্ত হয়ে পাথরের মতো হয়। চিকিৎসকেরা বলছেন, কেউ জল একেবারেই কম খেলে, অক্সালেট এবং ক্যালশিয়াম জমাট বেঁধে কিডনিতে থেকে যাওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। তবে অক্সালেটযুক্ত খাবার ক্ষতিকর না হলেও, ব্যক্তিবিশেষের জন্য এই ধরনের খাবারের মাত্রা কমিয়ে ফেলা উচিত।
কাদের জন্য অক্সালেটযুক্ত খাবার ক্ষতিকর
· প্রস্রাবে অতিরিক্ত মাত্রায় অক্সালেট নির্গত হলে (প্রস্রাব পরীক্ষায় বোঝা যায়)
· কিডনিতে পাথর হয়েছে এমন কারও
· অন্ত্র বা পরিপাকনালিতে কোনও সমস্যা থাকলে বা ক্রোনস ডিজ়িজ়ের মতো সমস্যায়
কোন কোন খাবারে উচ্চ মাত্রায় অক্সালেট মেলে
পালংশাক, বিট, কাঠবাদাম, চিনেবাদাম, সয়াবিন এবং সয়াদানা থেকে তৈরি খাবার, কড়াইশুঁটি।
শরীরে অক্সালেটের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার কার্যকরী উপায়
খাবারের ভারসাম্য বজায় রাখা: ডায়েটে কেবল উচ্চ অক্সালেটযুক্ত খাবার না রেখে, অন্যান্য পুষ্টিকর ফলমূল ও শাকসব্জি মিশিয়ে সুষম খাবার গ্রহণ করুন।
পর্যাপ্ত জল পান: শরীর থেকে অতিরিক্ত অক্সালেট প্রস্রাবের মাধ্যমে বার করে দেওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায় হল, সারাদিনে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খাওয়া।
নুন (সোডিয়াম) ও চিনি নিয়ন্ত্রণ: অতিরিক্ত লবণ ও চিনি খেলে তা প্রস্রাবে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, যা পরবর্তী কালে অক্সালেটের সঙ্গে মিলে কিডনিতে পাথর তৈরির ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।
ভিটামিন সি: শরীরে অতিরিক্ত ভিটামিন সি ভেঙে অক্সালিক অ্যাসিড বা অক্সালেটে পরিণত হয়। তাই প্রয়োজনের অতিরিক্ত ভিটামিন সি বা সাপ্লিমেন্ট না খাওয়াই ভাল।
সব্জি সেদ্ধ করে রান্না করা: উচ্চ অক্সালেটযুক্ত শাকসব্জি ভাপিয়ে বা সেদ্ধ করে জল ফেলে রান্না করলে সেগুলোর অক্সালেটের পরিমাণ অনেকটাই কমে যায়।
অক্সালেট হল একটি প্রাকৃতিক যৌগ, যা উদ্ভিজ্জ খাবারে পাওয়া যায়। অক্সালেট মানেই তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। অক্সালেট সমৃদ্ধ অধিকাংশ খাবার— যেমন পালংশাক, বিট, লালশাক ও বেরি জাতীয় ফলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফ্ল্যাভোনয়েড থাকে। এগুলি শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস ও প্রদাহ থেকে রক্ষা করে এবং ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে।
বিট, পালংশাক বা ডার্ক চকলেটের মতো অক্সালেটযুক্ত খাবারে প্রচুর নাইট্রেট ও ম্যাগনেশিয়াম থাকে। নাইট্রেট রক্তনালি প্রসারিত করে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে, যা হৃদ্রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।
অক্সালেটযুক্ত খাবার খাওয়ায় এমনিতে কোনও বাধা নেই। বরং তা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল। কিন্তু মুশকিল হল, অক্সালেট ক্যালশিয়ামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ক্যালশিয়াম অক্সালেটে পরিণত হয়। যা শক্ত হয়ে পাথরের মতো হয়। চিকিৎসকেরা বলছেন, কেউ জল একেবারেই কম খেলে, অক্সালেট এবং ক্যালশিয়াম জমাট বেঁধে কিডনিতে থেকে যাওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। তবে অক্সালেটযুক্ত খাবার ক্ষতিকর না হলেও, ব্যক্তিবিশেষের জন্য এই ধরনের খাবারের মাত্রা কমিয়ে ফেলা উচিত।
কাদের জন্য অক্সালেটযুক্ত খাবার ক্ষতিকর
· প্রস্রাবে অতিরিক্ত মাত্রায় অক্সালেট নির্গত হলে (প্রস্রাব পরীক্ষায় বোঝা যায়)
· কিডনিতে পাথর হয়েছে এমন কারও
· অন্ত্র বা পরিপাকনালিতে কোনও সমস্যা থাকলে বা ক্রোনস ডিজ়িজ়ের মতো সমস্যায়
কোন কোন খাবারে উচ্চ মাত্রায় অক্সালেট মেলে
পালংশাক, বিট, কাঠবাদাম, চিনেবাদাম, সয়াবিন এবং সয়াদানা থেকে তৈরি খাবার, কড়াইশুঁটি।
শরীরে অক্সালেটের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার কার্যকরী উপায়
খাবারের ভারসাম্য বজায় রাখা: ডায়েটে কেবল উচ্চ অক্সালেটযুক্ত খাবার না রেখে, অন্যান্য পুষ্টিকর ফলমূল ও শাকসব্জি মিশিয়ে সুষম খাবার গ্রহণ করুন।
পর্যাপ্ত জল পান: শরীর থেকে অতিরিক্ত অক্সালেট প্রস্রাবের মাধ্যমে বার করে দেওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায় হল, সারাদিনে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খাওয়া।
নুন (সোডিয়াম) ও চিনি নিয়ন্ত্রণ: অতিরিক্ত লবণ ও চিনি খেলে তা প্রস্রাবে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, যা পরবর্তী কালে অক্সালেটের সঙ্গে মিলে কিডনিতে পাথর তৈরির ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।
ভিটামিন সি: শরীরে অতিরিক্ত ভিটামিন সি ভেঙে অক্সালিক অ্যাসিড বা অক্সালেটে পরিণত হয়। তাই প্রয়োজনের অতিরিক্ত ভিটামিন সি বা সাপ্লিমেন্ট না খাওয়াই ভাল।
সব্জি সেদ্ধ করে রান্না করা: উচ্চ অক্সালেটযুক্ত শাকসব্জি ভাপিয়ে বা সেদ্ধ করে জল ফেলে রান্না করলে সেগুলোর অক্সালেটের পরিমাণ অনেকটাই কমে যায়।