পটুয়াখালীর মহিপুরে ‘ডিবি পুলিশ’ পরিচয়ে মেহেদী হাসান ফারুক নামে এক ছাত্রদল নেতাকে তুলে নিয়ে মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা, সদস্য সচিব ফাহিম, রাশেদসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত ফারুক বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে মহিপুর বাজার থেকে সাদা পোশাকে কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে ফারুককে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যান। এ সময় তাদের হাতে ওয়াকিটকি ছিল বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন। পরে তাকে কলাপাড়ার একটি হোটেলের পূর্ব পাশে নির্জন এলাকায় নিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, একটি বিয়েতে সাক্ষী হওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে ফারুককে তুলে নিয়ে মারধর করা হয়েছে।
মহিপুর মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রবিউল বলেন, ১৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি জানতে পারেন, ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তার সহযোদ্ধা ফারুককে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর রাত ১টার দিকে কলাপাড়ার রুবান হোটেলের পাশ থেকে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে কলাপাড়া ৫০ শয্যা হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
অভিযোগের বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ফাহিম বলেন, মারধরের বিষয়টি আমি জানি। তবে ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।
অভিযুক্ত মাসুদ রানাও ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে ওয়াকিটকি হাতে এক ব্যক্তির সঙ্গে তাকে দেখা গেছে বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন।
‘ডিবি পরিচয়ে’ ছাত্রদল নেতাকে তুলে নিয়ে ফিল্মি স্টাইলে নির্যাতন
কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি তুষার বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে আমি অবগত নই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আজ বিষয়টি দেখেছি। ১৭ সেপ্টেম্বর আমি পারিবারিক কাজে চট্টগ্রামে ছিলাম। তবে ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, এ ঘটনায় আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনার সত্যতা অনুসন্ধানে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। পুলিশি তদন্তে ঘটনার প্রকৃত কারণ, জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় এবং ডিবি পরিচয় ব্যবহারের বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে মহিপুর বাজার থেকে সাদা পোশাকে কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে ফারুককে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যান। এ সময় তাদের হাতে ওয়াকিটকি ছিল বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন। পরে তাকে কলাপাড়ার একটি হোটেলের পূর্ব পাশে নির্জন এলাকায় নিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, একটি বিয়েতে সাক্ষী হওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে ফারুককে তুলে নিয়ে মারধর করা হয়েছে।
মহিপুর মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রবিউল বলেন, ১৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি জানতে পারেন, ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তার সহযোদ্ধা ফারুককে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর রাত ১টার দিকে কলাপাড়ার রুবান হোটেলের পাশ থেকে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে কলাপাড়া ৫০ শয্যা হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
অভিযোগের বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ফাহিম বলেন, মারধরের বিষয়টি আমি জানি। তবে ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।
অভিযুক্ত মাসুদ রানাও ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে ওয়াকিটকি হাতে এক ব্যক্তির সঙ্গে তাকে দেখা গেছে বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন।
‘ডিবি পরিচয়ে’ ছাত্রদল নেতাকে তুলে নিয়ে ফিল্মি স্টাইলে নির্যাতন
কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি তুষার বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে আমি অবগত নই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আজ বিষয়টি দেখেছি। ১৭ সেপ্টেম্বর আমি পারিবারিক কাজে চট্টগ্রামে ছিলাম। তবে ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, এ ঘটনায় আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনার সত্যতা অনুসন্ধানে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। পুলিশি তদন্তে ঘটনার প্রকৃত কারণ, জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় এবং ডিবি পরিচয় ব্যবহারের বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।