বরেন্দ্র অঞ্চলের সেচব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ)। সংস্থাটির আওতাধীন প্রায় ১৫ হাজার গভীর নলকূপ পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুৎচালিত পাম্পে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এতে সেচের বিদ্যুৎ ও পরিচালন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি হবে বলে জানিয়েছেন বিএমডিএর চেয়ারম্যান (সচিব পদমর্যাদা) কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিএমডিএর প্রধান কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ পরিকল্পনার কথা জানান। সভায় সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
হাসান জাফির তুহিন বলেন, সরকার পরিবেশবান্ধব সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে গুরুত্ব দিচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বরেন্দ্র অঞ্চলের গভীর নলকূপগুলো ধাপে ধাপে সৌরচালিত করা হবে। এতে বিএমডিএর বিদ্যুৎ ও পরিচালন ব্যয় কমবে। পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সুযোগ তৈরি হবে। কৃষকের সেচ ব্যয় কমার পাশাপাশি সময়মতো সেচ নিশ্চিত করাও সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চলের ১৬টি জেলায় চাহিদা ও অগ্রাধিকার বিবেচনায় ছোট ছোট প্রকল্প নেওয়া হবে। পানির অভাবে যাতে কোনো জমি অনাবাদি না থাকে, সে অনুযায়ী মাঠপর্যায়ের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে। নদীকেন্দ্রিক উন্নয়ন ও মেগা প্রকল্পের কাজও এগিয়ে নেওয়া হবে।
সভায় নির্বাহী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম খান আসন্ন সেচ মৌসুম শুরুর আগেই বন্ধ থাকা সব গভীর নলকূপ দ্রুত মেরামত করে সচল করার তাগিদ দেন। পানি ও জ্বালানির অপচয় রোধে কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ে তদারকি বাড়ানোরও আহ্বান জানান।
সভায় বিএমডিএর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ড. মোঃ আবুল কাসেম, সচিব মেহেদী হাসান, বিভিন্ন সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও নির্বাহী প্রকৌশলীরা উপস্থিত ছিলেন।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিএমডিএর প্রধান কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ পরিকল্পনার কথা জানান। সভায় সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
হাসান জাফির তুহিন বলেন, সরকার পরিবেশবান্ধব সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে গুরুত্ব দিচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বরেন্দ্র অঞ্চলের গভীর নলকূপগুলো ধাপে ধাপে সৌরচালিত করা হবে। এতে বিএমডিএর বিদ্যুৎ ও পরিচালন ব্যয় কমবে। পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সুযোগ তৈরি হবে। কৃষকের সেচ ব্যয় কমার পাশাপাশি সময়মতো সেচ নিশ্চিত করাও সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চলের ১৬টি জেলায় চাহিদা ও অগ্রাধিকার বিবেচনায় ছোট ছোট প্রকল্প নেওয়া হবে। পানির অভাবে যাতে কোনো জমি অনাবাদি না থাকে, সে অনুযায়ী মাঠপর্যায়ের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে। নদীকেন্দ্রিক উন্নয়ন ও মেগা প্রকল্পের কাজও এগিয়ে নেওয়া হবে।
সভায় নির্বাহী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম খান আসন্ন সেচ মৌসুম শুরুর আগেই বন্ধ থাকা সব গভীর নলকূপ দ্রুত মেরামত করে সচল করার তাগিদ দেন। পানি ও জ্বালানির অপচয় রোধে কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ে তদারকি বাড়ানোরও আহ্বান জানান।
সভায় বিএমডিএর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ড. মোঃ আবুল কাসেম, সচিব মেহেদী হাসান, বিভিন্ন সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও নির্বাহী প্রকৌশলীরা উপস্থিত ছিলেন।