চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের প্রস্তুতির সময় দুটি ককটেল বিস্ফোরণে দুইজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনের হাতের একাংশ বিচ্ছিন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে। পরে ঘটনাস্থল থেকে ১১টি তাজা ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকালে সদর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের শেখটোলা পিয়নপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শেখটোলা ও কবিরাজপাড়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ নেতা ওদুদ মহরীল ও সাবেক ইউপি সদস্য জালাল মেম্বারের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার সকালে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ানোর প্রস্তুতি নেয়। এ সময় তাদের হাতে ককটেলসহ বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে দুই পক্ষের লোকজন ছত্রভঙ্গ হয়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় দুটি ককটেল বিস্ফোরিত হলে সুমেল ও আব্দুল হামিদ আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠান। আহতদের মধ্যে একজনের হাতের একাংশ বিচ্ছিন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১১টি তাজা ককটেল উদ্ধার করে পুলিশ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ রয়েছে। ছোট একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে তারা সংঘর্ষে জড়ানোর চেষ্টা করেছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ সেপ্টেম্বর সদর উপজেলার নারায়ণপুর সীমান্ত এলাকার একটি বাড়িতে একসঙ্গে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এর আগে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি চরবাগডাঙ্গায় ককটেল বিস্ফোরণে দুজন নিহত হন।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকালে সদর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের শেখটোলা পিয়নপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শেখটোলা ও কবিরাজপাড়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ নেতা ওদুদ মহরীল ও সাবেক ইউপি সদস্য জালাল মেম্বারের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার সকালে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ানোর প্রস্তুতি নেয়। এ সময় তাদের হাতে ককটেলসহ বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে দুই পক্ষের লোকজন ছত্রভঙ্গ হয়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় দুটি ককটেল বিস্ফোরিত হলে সুমেল ও আব্দুল হামিদ আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠান। আহতদের মধ্যে একজনের হাতের একাংশ বিচ্ছিন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১১টি তাজা ককটেল উদ্ধার করে পুলিশ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ রয়েছে। ছোট একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে তারা সংঘর্ষে জড়ানোর চেষ্টা করেছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ সেপ্টেম্বর সদর উপজেলার নারায়ণপুর সীমান্ত এলাকার একটি বাড়িতে একসঙ্গে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এর আগে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি চরবাগডাঙ্গায় ককটেল বিস্ফোরণে দুজন নিহত হন।