সাতক্ষীরার তালায় কলেজছাত্রীকে উত্ত্যক্ত ও কুপ্রস্তাব দেওয়ার প্রতিবাদ করায় বাবাকে মারধরের ঘটনার কয়েক দিন পর নীলা খাতুন নামে এক কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়ে থাকতে পারে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের ধুলান্ডা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে নীলার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কলেজে যাতায়াতের পথে নীলাকে কুপ্রস্তাব ও উত্ত্যক্ত করছিলেন প্রতিবেশী রকি শেখ, শোয়েব মালী ও ইমন শেখ। বিষয়টি নিয়ে নীলার বাবা লিটন শেখ অভিযুক্তদের অভিভাবকদের একাধিকবার সতর্ক করেন।
পরিবারের দাবি, গত ১ অক্টোবর অভিযুক্তরা লিটন শেখের বাড়িতে গিয়ে নীলাকে হুমকি দেন এবং এলাকায় অপপ্রচার চালান। এর প্রতিবাদ করলে প্রতিবেশী আকলিমা খাতুনের সঙ্গে নীলার বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরদিন ২ অক্টোবর কর্মস্থলে যাওয়ার পথে লিটন শেখকে ধরে একটি বাড়ির উঠানে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে মারধর করা হয়। এ সময় বাবাকে বাঁচাতে গেলে নীলা ও তার মা দেলোয়ারা বেগমকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।
এ ঘটনায় আমজেদ শেখ, রকি, শোয়েব, ইমন, ইমরান ও আকলিমার বিরুদ্ধে তালা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন আহত লিটন শেখ।
পরিবারের অভিযোগ, লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও পুলিশ তাৎক্ষণিক কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেয়নি। এ ছাড়া অভিযুক্তরা হুমকি অব্যাহত রেখেছিল। এর তিন দিন পর নীলার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নীলার মামা সাদ্দাম হোসেনের দাবি, মরদেহ উদ্ধারের সময় নীলার পা মাটিতে স্পর্শ করা অবস্থায় ছিল এবং গলায় ফাঁসের স্বাভাবিক কোনো দাগ দেখা যায়নি। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও পাওয়া যায়নি। ফোনটি বর্তমানে রিং হলেও কেউ ধরছে না বলে জানান তিনি। পরিবারের ধারণা, নীলাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
সাদ্দাম হোসেন আরও অভিযোগ করেন, পুলিশ সময়মতো ব্যবস্থা নিলে নীলার এমন পরিণতি হতো না।
তবে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তালা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আক্তারুল ইসলাম। তিনি জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর থেকেই পুলিশ বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর নিচ্ছিল। সোমবার রাতেই আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে একটি মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন মানবাধিকারকর্মী মাধব চন্দ্র দত্ত। তিনি বলেন, নিরাপত্তা চেয়ে থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা এবং এ ঘটনায় পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট কারও দায়িত্বে অবহেলা ছিল কি না, তা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বের করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা জরুরি।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের ধুলান্ডা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে নীলার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কলেজে যাতায়াতের পথে নীলাকে কুপ্রস্তাব ও উত্ত্যক্ত করছিলেন প্রতিবেশী রকি শেখ, শোয়েব মালী ও ইমন শেখ। বিষয়টি নিয়ে নীলার বাবা লিটন শেখ অভিযুক্তদের অভিভাবকদের একাধিকবার সতর্ক করেন।
পরিবারের দাবি, গত ১ অক্টোবর অভিযুক্তরা লিটন শেখের বাড়িতে গিয়ে নীলাকে হুমকি দেন এবং এলাকায় অপপ্রচার চালান। এর প্রতিবাদ করলে প্রতিবেশী আকলিমা খাতুনের সঙ্গে নীলার বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরদিন ২ অক্টোবর কর্মস্থলে যাওয়ার পথে লিটন শেখকে ধরে একটি বাড়ির উঠানে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে মারধর করা হয়। এ সময় বাবাকে বাঁচাতে গেলে নীলা ও তার মা দেলোয়ারা বেগমকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।
এ ঘটনায় আমজেদ শেখ, রকি, শোয়েব, ইমন, ইমরান ও আকলিমার বিরুদ্ধে তালা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন আহত লিটন শেখ।
পরিবারের অভিযোগ, লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও পুলিশ তাৎক্ষণিক কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেয়নি। এ ছাড়া অভিযুক্তরা হুমকি অব্যাহত রেখেছিল। এর তিন দিন পর নীলার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নীলার মামা সাদ্দাম হোসেনের দাবি, মরদেহ উদ্ধারের সময় নীলার পা মাটিতে স্পর্শ করা অবস্থায় ছিল এবং গলায় ফাঁসের স্বাভাবিক কোনো দাগ দেখা যায়নি। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও পাওয়া যায়নি। ফোনটি বর্তমানে রিং হলেও কেউ ধরছে না বলে জানান তিনি। পরিবারের ধারণা, নীলাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
সাদ্দাম হোসেন আরও অভিযোগ করেন, পুলিশ সময়মতো ব্যবস্থা নিলে নীলার এমন পরিণতি হতো না।
তবে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তালা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আক্তারুল ইসলাম। তিনি জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর থেকেই পুলিশ বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর নিচ্ছিল। সোমবার রাতেই আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে একটি মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন মানবাধিকারকর্মী মাধব চন্দ্র দত্ত। তিনি বলেন, নিরাপত্তা চেয়ে থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা এবং এ ঘটনায় পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট কারও দায়িত্বে অবহেলা ছিল কি না, তা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বের করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা জরুরি।