রাজশাহী শহরের সৌন্দর্যবর্ধন ও সবুজায়ন অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ছয়টি আপ-ডাউন ট্রেন লাইন, চার লেনের সড়ক এবং ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ডেন্টাল কলেজ হাসপাতালের কার্যক্রম দ্রুত শুরু হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু। বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে দক্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বুধবার রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে বৃহত্তর রাজশাহী সমিতি, ঢাকার উদ্যোগে রাজশাহী বিভাগের পদোন্নতিপ্রাপ্ত সচিবদের সংবর্ধনা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি মোঃ আবদুল মান্নান।
মিজানুর রহমান মিনু বলেন, রাজশাহী বিভাগের কর্মকর্তাদের সচিব পদে পদোন্নতি শুধু তাঁদের ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বৃহত্তর রাজশীবাসীর জন্যও গর্বের বিষয়। দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠা, প্রশাসনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সচিবদের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি পদোন্নতিপ্রাপ্ত সচিবদের সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলের উন্নয়ন ও জনকল্যাণে বিশেষ অবদান রাখার পরামর্শ দেন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সরকার কাজ করছে। ডিজিটাল ভূমিসেবা নিশ্চিত করা এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে প্রশাসনের সব স্তরে সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তাদের কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও প্রশাসনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৃহত্তর রাজশাহী দেশের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। পদোন্নতিপ্রাপ্ত সচিবরা নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দেশের স্বার্থ সংরক্ষণ ও এ অঞ্চলের উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ছয় সচিব হলেন রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের জন বিভাগের সচিব এ.জে.এম. সালাহউদ্দিন নাগরী, বিসিএস প্রশাসন একাডেমির রেক্টর ড. মোহাম্মদ আলতাফ-উল আলম, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আশরাফুল ইসলাম, দুর্নীতি দমন কমিশনের সচিব মোঃ সাইদুর রহমান খান, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আ.ন.ম. বজলুর রশীদ এবং স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব এ.কে.এম. বেনজামিন রিয়াজী। অনুষ্ঠান শেষে তাঁদের হাতে সম্মাননা ও সংবর্ধনা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
প্রকাশের আগে যাচাই: ছয়টি আপ-ডাউন ট্রেন লাইন, চার লেনের সড়ক ও ২৫০ শয্যার ডেন্টাল কলেজ হাসপাতাল প্রকল্পের অনুমোদন, অবস্থান এবং কাজ শুরুর সময়সীমা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তথ্য নিশ্চিত করলে প্রতিবেদনটি আরও নির্ভরযোগ্য হবে।
বুধবার রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে বৃহত্তর রাজশাহী সমিতি, ঢাকার উদ্যোগে রাজশাহী বিভাগের পদোন্নতিপ্রাপ্ত সচিবদের সংবর্ধনা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি মোঃ আবদুল মান্নান।
মিজানুর রহমান মিনু বলেন, রাজশাহী বিভাগের কর্মকর্তাদের সচিব পদে পদোন্নতি শুধু তাঁদের ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বৃহত্তর রাজশীবাসীর জন্যও গর্বের বিষয়। দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠা, প্রশাসনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সচিবদের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি পদোন্নতিপ্রাপ্ত সচিবদের সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলের উন্নয়ন ও জনকল্যাণে বিশেষ অবদান রাখার পরামর্শ দেন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সরকার কাজ করছে। ডিজিটাল ভূমিসেবা নিশ্চিত করা এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে প্রশাসনের সব স্তরে সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তাদের কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও প্রশাসনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৃহত্তর রাজশাহী দেশের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। পদোন্নতিপ্রাপ্ত সচিবরা নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দেশের স্বার্থ সংরক্ষণ ও এ অঞ্চলের উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ছয় সচিব হলেন রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের জন বিভাগের সচিব এ.জে.এম. সালাহউদ্দিন নাগরী, বিসিএস প্রশাসন একাডেমির রেক্টর ড. মোহাম্মদ আলতাফ-উল আলম, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আশরাফুল ইসলাম, দুর্নীতি দমন কমিশনের সচিব মোঃ সাইদুর রহমান খান, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আ.ন.ম. বজলুর রশীদ এবং স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব এ.কে.এম. বেনজামিন রিয়াজী। অনুষ্ঠান শেষে তাঁদের হাতে সম্মাননা ও সংবর্ধনা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
প্রকাশের আগে যাচাই: ছয়টি আপ-ডাউন ট্রেন লাইন, চার লেনের সড়ক ও ২৫০ শয্যার ডেন্টাল কলেজ হাসপাতাল প্রকল্পের অনুমোদন, অবস্থান এবং কাজ শুরুর সময়সীমা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তথ্য নিশ্চিত করলে প্রতিবেদনটি আরও নির্ভরযোগ্য হবে।