রাজশাহীর তানোরের পাঁচন্দর ইউনিয়নের (ইউপি) মোহাম্মদপুর বাজারে নতুন সার ডিলার নিয়োগ দেওয়ায় স্থানীয় কৃষকদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে।
জানা গেছে,সার ডিলার নিয়োগ নীতিমালা অনুসরণ, যাচাই-বাছাই ও চুল চেরা বিশ্লেষণ করে সম্প্রতি মেসার্স অহনা ট্রেডার্সকে নতুন বিসিআইসি সার ডিলার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মোসাঃ উম্মুল মোমেনিন খান। তাঁর স্বামী উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গোলাম মোর্তুজা। তাঁর মাধ্যমে সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার প্রাপ্তি সহজ হবে এবং দীর্ঘদিনের সার সংকট ও ভোগান্তি কমবে বলে আশা করছেন স্থানীয় কৃষকেরা।
জানা যায়, মেসার্স অহনা টেড্রার্স দীর্ঘদিন ধরে কৃষিকাজ ও কৃষিপণ্যের ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির রাজনীতি করার কারণে একাধিকবার মামলার আসামি হয়েছেন গোলাম মোর্তুজা।তিনি উপজেলা যুবদলের আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
স্থানীয় কৃষক নাজমুল হোসেন, সিরাজুল ইসলাম, তমির আলী ও ইউসুফ আলী জানান, আগে সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার কিনতে তাদের মুন্ডুমালাহাট ও কৃষ্ণপুরহাটসহ দূরবর্তী বিভিন্ন বাজারে যেতে হতো। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও অনেক সময় সার না পেয়ে খালি হাতে ফিরতে হতো। দূর থেকে সার পরিবহন করতে অতিরিক্ত ভাড়াও গুনতে হতো। এখন মোহাম্মদপুর বাজারে সার পাওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়ায় তাঁদের ভোগান্তি কমবে বলে আশা করছেন তারা। তারা অত্যন্ত ভালো মানুষ হওয়ায়, আমরা সরকারের নির্ধারিত মূল্যে সার কিনতে পারবো বলে আমাদের বিশ্বাস।
উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আখেরুজ্জামান হান্নান বলেন, মোহাম্মদপুর বাজারে মেসার্স অহনা টেড্রার্সকে সার ডিলার হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার খবর শুনে স্থানীয় মানুষ ও কৃষকেরা খুশি হয়েছেন। তারা অত্যন্ত নম্র ভদ্র ও ভালো মনের মানুষ, তারা দীর্ঘ সময় থেকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। আগে এলাকার কৃষকদের সার কিনতে দূরে যেতে হতো। এখন স্থানীয় বাজারে সার পাওয়া গেলে তাঁদের কষ্ট অনেকটাই কমবে। আমরা আশা করি, তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কৃষকদের কাছে ন্যায্যমূল্যে সার বিক্রি করবেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আকতার হোসেন বলেন, এলাকার কৃষকদের সার কিনতে দূরের বাজারে যেতে হতো। তাঁদের সার সংগ্রহের ব্যবস্থা করতে আমাকেও বিভিন্ন বাজারে যেতে হয়েছে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে মোহাম্মদপুর এলাকায় একটি সার ডিলারের প্রত্যাশা করছিলাম। নতুন ডিলার নিয়োগের মাধ্যমে সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। এখন এলাকার কৃষকেরা বাড়ির কাছের বাজার থেকেই সার কিনতে পারবেন বলে আশা করছি।
এ বিষয়ে উপজেলা যুবদলের আহবায়ক গোলাম মোর্তুজা বলেন, পাঁচন্দর ইউনিয়ন একটি বড় এলাকা। এর মধ্যে মোহাম্মদপুর কৃষিপণ্য উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
আমি দীর্ঘদিন ধরে কৃষিকাজ ও কৃষিপণ্যের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এ কারণে মোহাম্মদপুর বাজারে সার ডিলার হওয়ার জন্য আবেদন করেছিলাম। জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটি যাচাই-বাছাই করে ডিলার নিয়োগ দিয়েছে। আমি সরকারের নিয়মনীতি মেনে সুষম বণ্টন নিশ্চিত করে ন্যায্যমূল্যে সার বিক্রি করতে চাই। আমার কারণে যেন কারও আস্থার ক্ষতি না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখবো। ইনশাআল্লাহ আমার মাধ্যমে এলাকার কৃষকেরা উপকৃত হবেন।
জানা গেছে,সার ডিলার নিয়োগ নীতিমালা অনুসরণ, যাচাই-বাছাই ও চুল চেরা বিশ্লেষণ করে সম্প্রতি মেসার্স অহনা ট্রেডার্সকে নতুন বিসিআইসি সার ডিলার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মোসাঃ উম্মুল মোমেনিন খান। তাঁর স্বামী উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গোলাম মোর্তুজা। তাঁর মাধ্যমে সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার প্রাপ্তি সহজ হবে এবং দীর্ঘদিনের সার সংকট ও ভোগান্তি কমবে বলে আশা করছেন স্থানীয় কৃষকেরা।
জানা যায়, মেসার্স অহনা টেড্রার্স দীর্ঘদিন ধরে কৃষিকাজ ও কৃষিপণ্যের ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির রাজনীতি করার কারণে একাধিকবার মামলার আসামি হয়েছেন গোলাম মোর্তুজা।তিনি উপজেলা যুবদলের আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
স্থানীয় কৃষক নাজমুল হোসেন, সিরাজুল ইসলাম, তমির আলী ও ইউসুফ আলী জানান, আগে সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার কিনতে তাদের মুন্ডুমালাহাট ও কৃষ্ণপুরহাটসহ দূরবর্তী বিভিন্ন বাজারে যেতে হতো। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও অনেক সময় সার না পেয়ে খালি হাতে ফিরতে হতো। দূর থেকে সার পরিবহন করতে অতিরিক্ত ভাড়াও গুনতে হতো। এখন মোহাম্মদপুর বাজারে সার পাওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়ায় তাঁদের ভোগান্তি কমবে বলে আশা করছেন তারা। তারা অত্যন্ত ভালো মানুষ হওয়ায়, আমরা সরকারের নির্ধারিত মূল্যে সার কিনতে পারবো বলে আমাদের বিশ্বাস।
উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আখেরুজ্জামান হান্নান বলেন, মোহাম্মদপুর বাজারে মেসার্স অহনা টেড্রার্সকে সার ডিলার হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার খবর শুনে স্থানীয় মানুষ ও কৃষকেরা খুশি হয়েছেন। তারা অত্যন্ত নম্র ভদ্র ও ভালো মনের মানুষ, তারা দীর্ঘ সময় থেকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। আগে এলাকার কৃষকদের সার কিনতে দূরে যেতে হতো। এখন স্থানীয় বাজারে সার পাওয়া গেলে তাঁদের কষ্ট অনেকটাই কমবে। আমরা আশা করি, তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কৃষকদের কাছে ন্যায্যমূল্যে সার বিক্রি করবেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আকতার হোসেন বলেন, এলাকার কৃষকদের সার কিনতে দূরের বাজারে যেতে হতো। তাঁদের সার সংগ্রহের ব্যবস্থা করতে আমাকেও বিভিন্ন বাজারে যেতে হয়েছে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে মোহাম্মদপুর এলাকায় একটি সার ডিলারের প্রত্যাশা করছিলাম। নতুন ডিলার নিয়োগের মাধ্যমে সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। এখন এলাকার কৃষকেরা বাড়ির কাছের বাজার থেকেই সার কিনতে পারবেন বলে আশা করছি।
এ বিষয়ে উপজেলা যুবদলের আহবায়ক গোলাম মোর্তুজা বলেন, পাঁচন্দর ইউনিয়ন একটি বড় এলাকা। এর মধ্যে মোহাম্মদপুর কৃষিপণ্য উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
আমি দীর্ঘদিন ধরে কৃষিকাজ ও কৃষিপণ্যের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এ কারণে মোহাম্মদপুর বাজারে সার ডিলার হওয়ার জন্য আবেদন করেছিলাম। জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটি যাচাই-বাছাই করে ডিলার নিয়োগ দিয়েছে। আমি সরকারের নিয়মনীতি মেনে সুষম বণ্টন নিশ্চিত করে ন্যায্যমূল্যে সার বিক্রি করতে চাই। আমার কারণে যেন কারও আস্থার ক্ষতি না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখবো। ইনশাআল্লাহ আমার মাধ্যমে এলাকার কৃষকেরা উপকৃত হবেন।