রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় সরকারি রাস্তার পাশের ১৪টি মেহগনি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত এক মাসে উপজেলার জিউপাড়া ইউনিয়নে দুই দফায় এসব গাছ কাটা হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। প্রকাশ্যে গাছ কাটার ঘটনা ঘটলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একের পর এক সরকারি রাস্তার পাশের গাছ কাটার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সর্বশেষ গত ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার জিউপাড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ধোপাপাড়া বাজার এলাকায় মোহনপুরগামী সরকারি রাস্তার পাশে থাকা চারটি পুরোনো ও বড় আকারের মেহগনি গাছ কেটে নেওয়া হয়। স্থানীয় ইউনুস হাজির মিলের বিপরীত পাশে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এসআরজি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বাক্কার মাস্টারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তবে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার একই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বারুর মোড় এলাকায় পাকা রাস্তার পাশে থাকা আরও ১০টি মেহগনি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। স্থানীয় প্রভাবশালী মনসুর রহমানের ছেলে ও কাঠ ব্যবসায়ী মতিউর রহমান গাছগুলো কেটে নিয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে পুঠিয়া উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “আমাদের লাগানো গাছ ছাড়া রাস্তার অন্য গাছ কেউ কেটে নিলে সে ক্ষেত্রে আমরা ব্যবস্থা নিতে পারি না।
অন্যদিকে, পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. লিয়াকৎ সালমান বলেন, “সেখানে গ্রাম পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। গাছগুলো সরকারি রাস্তার জায়গায় হয়ে থাকলে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সর্বশেষ গত ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার জিউপাড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ধোপাপাড়া বাজার এলাকায় মোহনপুরগামী সরকারি রাস্তার পাশে থাকা চারটি পুরোনো ও বড় আকারের মেহগনি গাছ কেটে নেওয়া হয়। স্থানীয় ইউনুস হাজির মিলের বিপরীত পাশে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এসআরজি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বাক্কার মাস্টারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তবে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার একই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বারুর মোড় এলাকায় পাকা রাস্তার পাশে থাকা আরও ১০টি মেহগনি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। স্থানীয় প্রভাবশালী মনসুর রহমানের ছেলে ও কাঠ ব্যবসায়ী মতিউর রহমান গাছগুলো কেটে নিয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে পুঠিয়া উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “আমাদের লাগানো গাছ ছাড়া রাস্তার অন্য গাছ কেউ কেটে নিলে সে ক্ষেত্রে আমরা ব্যবস্থা নিতে পারি না।
অন্যদিকে, পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. লিয়াকৎ সালমান বলেন, “সেখানে গ্রাম পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। গাছগুলো সরকারি রাস্তার জায়গায় হয়ে থাকলে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।