উৎসবের আবহ আর আনন্দের সুর এক নিমেষে ফিকে হয়ে নেমে এল গভীর শোক ও থমথমে নীরবতা। পূর্ব বর্ধমানের কালনা থানার অন্তর্গত কালনা ২ নম্বর ব্লকের অকালপৌষের গোড়েপাড়া এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার হল এক দম্পতির নিথর দেহ।
চৌকির উপর পড়ে ছিল স্ত্রীর মৃতদেহ, আর পাশেই ঘরের আড়া থেকে গামছার ফাঁসে ঝুলছিলেন স্বামী।
শুক্রবার সকালে মর্মান্তিক এই ঘটনার খবর জানাজানি হতেই গোটা এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ সূত্রের খবর, মৃত দম্পতির নাম সুরজিৎ রানা ও পিয়া মালিক। প্রায় ১৫ দিন আগে বাউরিপাড়ার শক্তিনগর থেকে পরিবারসহ গোড়েপাড়ায় শ্বশুরবাড়িতে এসে থাকতে শুরু করেন তাঁরা। স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবারের কথা অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সুরজিৎ তাঁর শ্যালকের সঙ্গে একটি পুজোমণ্ডপে বাজনা বাজাতে গিয়েছিলেন। দুপুরের দিকে কাজ সেরে তিনি বাড়ি ফেরেন। এরপর রাতের দিকে দুজনে একসঙ্গেই খাওয়াদাওয়া সারেন।
তবে শুক্রবার সকালে তাঁদের ঘর থেকে দীর্ঘদিন কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে সন্দেহ হয় পরিবারের সদস্যদের। দরজা ঠেলে ভিতরে ঢুকতেই চোখ ছানাবড়া হয়ে যায় তাঁদের। দেখা যায়, চৌকির ওপর পিয়ার নিথর দেহ পড়ে রয়েছে এবং সিলিংয়ের আড়ায় সুরজিতের দেহ ঝুলছে।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কালনা থানার পুলিশ। মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে কালনা মহকুমা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
এটি আত্মহত্যা নাকি স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে খুনের পর স্বামী গলায় ফাঁস দিয়েছেন, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। পিয়ার পরিবারের কিছু সদস্যের প্রাথমিক অনুমান, পারিবারিক কোনো কলহের জেরেই প্রথমে স্ত্রীকে হত্যা করে পরে নিজে আত্মঘাতী হয়ে থাকতে পারেন সুরজিৎ।
তবে পুলিশের দাবি, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে সব দিক খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্ট হাতে পেলেই রহস্যের জট খুলবে।
চৌকির উপর পড়ে ছিল স্ত্রীর মৃতদেহ, আর পাশেই ঘরের আড়া থেকে গামছার ফাঁসে ঝুলছিলেন স্বামী।
শুক্রবার সকালে মর্মান্তিক এই ঘটনার খবর জানাজানি হতেই গোটা এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ সূত্রের খবর, মৃত দম্পতির নাম সুরজিৎ রানা ও পিয়া মালিক। প্রায় ১৫ দিন আগে বাউরিপাড়ার শক্তিনগর থেকে পরিবারসহ গোড়েপাড়ায় শ্বশুরবাড়িতে এসে থাকতে শুরু করেন তাঁরা। স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবারের কথা অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সুরজিৎ তাঁর শ্যালকের সঙ্গে একটি পুজোমণ্ডপে বাজনা বাজাতে গিয়েছিলেন। দুপুরের দিকে কাজ সেরে তিনি বাড়ি ফেরেন। এরপর রাতের দিকে দুজনে একসঙ্গেই খাওয়াদাওয়া সারেন।
তবে শুক্রবার সকালে তাঁদের ঘর থেকে দীর্ঘদিন কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে সন্দেহ হয় পরিবারের সদস্যদের। দরজা ঠেলে ভিতরে ঢুকতেই চোখ ছানাবড়া হয়ে যায় তাঁদের। দেখা যায়, চৌকির ওপর পিয়ার নিথর দেহ পড়ে রয়েছে এবং সিলিংয়ের আড়ায় সুরজিতের দেহ ঝুলছে।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কালনা থানার পুলিশ। মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে কালনা মহকুমা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
এটি আত্মহত্যা নাকি স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে খুনের পর স্বামী গলায় ফাঁস দিয়েছেন, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। পিয়ার পরিবারের কিছু সদস্যের প্রাথমিক অনুমান, পারিবারিক কোনো কলহের জেরেই প্রথমে স্ত্রীকে হত্যা করে পরে নিজে আত্মঘাতী হয়ে থাকতে পারেন সুরজিৎ।
তবে পুলিশের দাবি, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে সব দিক খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্ট হাতে পেলেই রহস্যের জট খুলবে।