ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় নারকেল পাড়াকে কেন্দ্র করে দিদারুল আলম (১৫) নামের এক কিশোরকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
তাকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে মাহিদ মিয়া (২২) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে।
ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে মারা যায় দিদারুল।
ঘটনাটি ঘটেছে কসবা উপজেলার ২ নম্বর মেহারী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চৌবেপুর উত্তরপাড়া এলাকায়। নিহত দিদারুল ওই এলাকার আল আমিনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী ইউনুছ মিয়ার স্ত্রী রুনা আক্তার নারকেল পাড়ার জন্য দিদারুলকে ডেকে নিয়ে যান। এ সময় ইউনুছ মিয়ার ভাতিজা মাহিদ মিয়া নারিকেল পাড়তে বাধা দেন। এ নিয়ে রুনা আক্তারের সঙ্গে মাহিদের কথা-কাটাকাটি হয়।
এ সময় মাহিদ দিদারুলকে নারকেল পাড়ার কারণ জানতে চান। দিদারুল জানান, তার চাচি রুনা আক্তারই তাকে নারকেল পাড়ার জন্য ডেকে এনেছেন। একপর্যায়ে মাহিদ তাকে নারকেল পাড়লে মেরে ফেলার হুমকি দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। জবাবে দিদারুল তাকে মারতে নিষেধ করেন।
পরে দিদারুল বাড়ির উদ্দেশে রওনা হলে মাহিদ তাকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তার চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
২১ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দিদারুলকে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার স্পেশালাইজড মেডিকেল কেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় একজনের বক্তব্য অনুযায়ী, দিদারুল ১০০ থেকে ১৫০ টাকার বিনিময়ে নারকেল পেড়ে দিতে সেখানে গিয়েছিল। তবে এই টাকার বিনিময়ে কাজ করার বিষয়টি পুলিশি বিবরণে উল্লেখ নেই।
এ বিষয়ে কসবা থানায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তাকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে মাহিদ মিয়া (২২) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে।
ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে মারা যায় দিদারুল।
ঘটনাটি ঘটেছে কসবা উপজেলার ২ নম্বর মেহারী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চৌবেপুর উত্তরপাড়া এলাকায়। নিহত দিদারুল ওই এলাকার আল আমিনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী ইউনুছ মিয়ার স্ত্রী রুনা আক্তার নারকেল পাড়ার জন্য দিদারুলকে ডেকে নিয়ে যান। এ সময় ইউনুছ মিয়ার ভাতিজা মাহিদ মিয়া নারিকেল পাড়তে বাধা দেন। এ নিয়ে রুনা আক্তারের সঙ্গে মাহিদের কথা-কাটাকাটি হয়।
এ সময় মাহিদ দিদারুলকে নারকেল পাড়ার কারণ জানতে চান। দিদারুল জানান, তার চাচি রুনা আক্তারই তাকে নারকেল পাড়ার জন্য ডেকে এনেছেন। একপর্যায়ে মাহিদ তাকে নারকেল পাড়লে মেরে ফেলার হুমকি দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। জবাবে দিদারুল তাকে মারতে নিষেধ করেন।
পরে দিদারুল বাড়ির উদ্দেশে রওনা হলে মাহিদ তাকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তার চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
২১ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দিদারুলকে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার স্পেশালাইজড মেডিকেল কেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় একজনের বক্তব্য অনুযায়ী, দিদারুল ১০০ থেকে ১৫০ টাকার বিনিময়ে নারকেল পেড়ে দিতে সেখানে গিয়েছিল। তবে এই টাকার বিনিময়ে কাজ করার বিষয়টি পুলিশি বিবরণে উল্লেখ নেই।
এ বিষয়ে কসবা থানায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।