রাজশাহীতে আগামী ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে ‘রাজশাহী বিভাগীয় বইমেলা ২০২৬। জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের আয়োজনে এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এ বইমেলা অনুষ্ঠিত হবে। রাজশাহী কালেক্টরেট মাঠে ৯ দিনব্যাপী এ মেলা চলবে আগামী ৬ নভেম্বর পর্যন্ত। মেলাটি বাস্তবায়নে রয়েছে রাজশাহী বিভাগীয় প্রশাসন।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, বইমেলা প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। তবে সরকারি ছুটির দিনে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দর্শনার্থীরা মেলা পরিদর্শন করতে পারবেন।
বইমেলাকে সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে গত ১৩ অক্টোবর রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে একটি প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে মেলার প্রচার-প্রচারণা ও উপস্থিতি উপকমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বইপ্রেমী, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবকসহ সর্বস্তরের পাঠককে বইমেলায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
আয়োজকেরা আশা করছেন, এ বইমেলা জ্ঞানচর্চা ও পাঠাভ্যাস বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের প্রকাশনা শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। মেলায় বিভিন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের বই প্রদর্শন ও বিক্রির ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি প্রতিদিন আয়োজন করা হবে আলোচনা অনুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে রাজশাহীর স্থানীয় শিল্পীদের পাশাপাশি বিভাগের আট জেলার শিল্পীরাও অংশ নেবেন। তাঁদের পরিবেশনায় মেলায় সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
বইয়ের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ানো, নতুন প্রজন্মকে বই পড়ায় উৎসাহিত করা এবং লেখক-পাঠক ও প্রকাশকদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে এবারের বিভাগীয় বইমেলা প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা আয়োজকদের।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, বইমেলা প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। তবে সরকারি ছুটির দিনে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দর্শনার্থীরা মেলা পরিদর্শন করতে পারবেন।
বইমেলাকে সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে গত ১৩ অক্টোবর রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে একটি প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে মেলার প্রচার-প্রচারণা ও উপস্থিতি উপকমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বইপ্রেমী, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবকসহ সর্বস্তরের পাঠককে বইমেলায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
আয়োজকেরা আশা করছেন, এ বইমেলা জ্ঞানচর্চা ও পাঠাভ্যাস বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের প্রকাশনা শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। মেলায় বিভিন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের বই প্রদর্শন ও বিক্রির ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি প্রতিদিন আয়োজন করা হবে আলোচনা অনুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে রাজশাহীর স্থানীয় শিল্পীদের পাশাপাশি বিভাগের আট জেলার শিল্পীরাও অংশ নেবেন। তাঁদের পরিবেশনায় মেলায় সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
বইয়ের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ানো, নতুন প্রজন্মকে বই পড়ায় উৎসাহিত করা এবং লেখক-পাঠক ও প্রকাশকদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে এবারের বিভাগীয় বইমেলা প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা আয়োজকদের।