৩২ বছর পর ফের বড়পর্দায় ‘মোহরা’। রাজীব রাই পরিচালিত এই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন অক্ষয় কুমার, সুনীল শেট্টী, রবীনা টন্ডন। ১৯৯৪ সালের এই ছবি বক্সঅফিসে ঝড় তুলেছিল। খবর, আগামী ৬ নভেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে এই ছবির ‘ফোর কে’ রেজ়োলিউশনে সংরক্ষণ করা সংস্করণ। উল্লেখযোগ্য বিষয়, এর ঠিক এক দিন আগে, ৫ নভেম্বর মুক্তি পাওয়ার কথা বহু প্রতীক্ষিত ‘রামায়ণ’ ছবির। বক্সঅফিসে কি এ বার মুখোমুখি টক্কর!
‘ত্রিমূর্তি ফিলম্স প্রাইভেট লিমিটে়ড’-এর তরফে অক্ষয়-রবীনার ছবির পুনরায় মুক্তি পাওয়ার খবর প্রকাশ করা হয়েছে। দীপাবলির আবহে দু’টি হিন্দি ছবিই বিপুল পরিমাণে দর্শককে প্রেক্ষাগৃহমুখী করবে বলে মনে করছেন ফিল্ম সমালোচকেরা।
১৯৯৪ সালের ১ জুলাই প্রথম বার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় ‘মোহরা’। অন্যতম জনপ্রিয় বিনোদনমূলক ছবি এটি। প্রযোজনা সংস্থার ইউটিউব চ্যানেলে নতুন ঝলক মুক্তি পেয়েছে। সঙ্গে লেখা হয়, “ক্ষমতা ও বিশ্বাসঘাতকতার প্রাণঘাতী লড়াইয়ের শিকার হতে পারে যে কেউ। গল্পের মোচ়ড়, থ্রিল আর গানগুলি উপভোগ করুন আবার, যা ‘মোহরা’কে অবিস্মরণীয় করে তুলেছিল। ৩২ বছরের পূর্তি উদ্যাপনে শামিল হন। আপনাদের নিকটবর্তী প্রেক্ষাগৃহে আসছে ৬ নভেম্বর।”
ছবিতে সুনীলকে দেখা গিয়েছিল বিশাল অগ্নিহোত্রীর চরিত্রে। এক জন জেলবন্দি, যে তার স্ত্রীর খুনের বিচার চায়। সাংবাদিক রোমা সিংহের চরিত্রে দেখা যায় রবীনাকে। রোমার সাহায্যেই জেল থেকে ছাড়া পায় বিশাল। কিছু দিনের মধ্যেই ক্ষমতাশালী জিন্দলের সঙ্গে কাজ করতে শুরু করে বিশাল। এই জিন্দলের চরিত্রে দেখা গিয়েছে নসীরুদ্দীন শাহকে। সে বিশালকে ব্যবহার করে অপরাধীদের মোকাবিলা করার জন্য। পুলিশ ইনস্পেক্টর অমর সক্সেনার চরিত্রে অভিনয় করেন অক্ষয়। একের পর এক খুন, বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের খোঁজে তদন্ত শুরু করে সে। প্রতিশোধ, সততা ও বিশ্বাসঘাতকতাকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয় ছবির গল্প। ছবিতে রয়েছেন পরেশ রাওয়ল, রজ়া মুরাদ, কুলভূষণ খরবন্দার মতো একাধিক অভিনেতা।
শুধু ছবির গল্পের মোচড়ই নয়, দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছিল গানও। ‘তু চিজ় বড়ি হ্যায় মস্ত মস্ত’, ‘টিপ টিপ বরসা পানি’, ‘সুবহ সে লেকর’ ইত্যাদি প্রতিটি গানই আজও অনুরাগীদের ঠোঁটস্থ। গান লিখেছিলেন আনন্দ বক্সী, ইন্দীবর ও সমীর। ১৯৯৪ সালের অন্যতম সফল হিন্দি ছবি এটি। ওই বছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয় করা ছবি ছিল এটি। প্রথম স্থানে ছিল ‘হম আপকে হ্যায় কৌন!’
নীতেশ তিওয়ারী পরিচালিত ‘রামায়ণ’ মুক্তি পাচ্ছে ৫ নভেম্বর। রণবীর কপূর, সাই পল্লবী, যশ অভিনীত এই ছবির টিকিটের অগ্রিম বুকিং শুরু হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। এমনকি, প্রথম দিনে প্রায় ৯ কোটি টাকার টিকিট বিক্রিও হয়ে গিয়েছে এই ছবির। তার পরের দিনই আসছে ‘মোহরা’। নস্ট্যালজিয়ায় ভাসবেন সিনেপ্রেমীরা? কোন দিকে পাল্লা ভারী হবে?
‘ত্রিমূর্তি ফিলম্স প্রাইভেট লিমিটে়ড’-এর তরফে অক্ষয়-রবীনার ছবির পুনরায় মুক্তি পাওয়ার খবর প্রকাশ করা হয়েছে। দীপাবলির আবহে দু’টি হিন্দি ছবিই বিপুল পরিমাণে দর্শককে প্রেক্ষাগৃহমুখী করবে বলে মনে করছেন ফিল্ম সমালোচকেরা।
১৯৯৪ সালের ১ জুলাই প্রথম বার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় ‘মোহরা’। অন্যতম জনপ্রিয় বিনোদনমূলক ছবি এটি। প্রযোজনা সংস্থার ইউটিউব চ্যানেলে নতুন ঝলক মুক্তি পেয়েছে। সঙ্গে লেখা হয়, “ক্ষমতা ও বিশ্বাসঘাতকতার প্রাণঘাতী লড়াইয়ের শিকার হতে পারে যে কেউ। গল্পের মোচ়ড়, থ্রিল আর গানগুলি উপভোগ করুন আবার, যা ‘মোহরা’কে অবিস্মরণীয় করে তুলেছিল। ৩২ বছরের পূর্তি উদ্যাপনে শামিল হন। আপনাদের নিকটবর্তী প্রেক্ষাগৃহে আসছে ৬ নভেম্বর।”
ছবিতে সুনীলকে দেখা গিয়েছিল বিশাল অগ্নিহোত্রীর চরিত্রে। এক জন জেলবন্দি, যে তার স্ত্রীর খুনের বিচার চায়। সাংবাদিক রোমা সিংহের চরিত্রে দেখা যায় রবীনাকে। রোমার সাহায্যেই জেল থেকে ছাড়া পায় বিশাল। কিছু দিনের মধ্যেই ক্ষমতাশালী জিন্দলের সঙ্গে কাজ করতে শুরু করে বিশাল। এই জিন্দলের চরিত্রে দেখা গিয়েছে নসীরুদ্দীন শাহকে। সে বিশালকে ব্যবহার করে অপরাধীদের মোকাবিলা করার জন্য। পুলিশ ইনস্পেক্টর অমর সক্সেনার চরিত্রে অভিনয় করেন অক্ষয়। একের পর এক খুন, বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের খোঁজে তদন্ত শুরু করে সে। প্রতিশোধ, সততা ও বিশ্বাসঘাতকতাকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয় ছবির গল্প। ছবিতে রয়েছেন পরেশ রাওয়ল, রজ়া মুরাদ, কুলভূষণ খরবন্দার মতো একাধিক অভিনেতা।
শুধু ছবির গল্পের মোচড়ই নয়, দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছিল গানও। ‘তু চিজ় বড়ি হ্যায় মস্ত মস্ত’, ‘টিপ টিপ বরসা পানি’, ‘সুবহ সে লেকর’ ইত্যাদি প্রতিটি গানই আজও অনুরাগীদের ঠোঁটস্থ। গান লিখেছিলেন আনন্দ বক্সী, ইন্দীবর ও সমীর। ১৯৯৪ সালের অন্যতম সফল হিন্দি ছবি এটি। ওই বছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয় করা ছবি ছিল এটি। প্রথম স্থানে ছিল ‘হম আপকে হ্যায় কৌন!’
নীতেশ তিওয়ারী পরিচালিত ‘রামায়ণ’ মুক্তি পাচ্ছে ৫ নভেম্বর। রণবীর কপূর, সাই পল্লবী, যশ অভিনীত এই ছবির টিকিটের অগ্রিম বুকিং শুরু হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। এমনকি, প্রথম দিনে প্রায় ৯ কোটি টাকার টিকিট বিক্রিও হয়ে গিয়েছে এই ছবির। তার পরের দিনই আসছে ‘মোহরা’। নস্ট্যালজিয়ায় ভাসবেন সিনেপ্রেমীরা? কোন দিকে পাল্লা ভারী হবে?